ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়’

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়।’

আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন, পরবর্তীকালে ১১ দফা ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি মহান স্বাধীনতা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তৎকালীন স্বৈরাচারী অপশাসন ও দমনপীড়ন থেকে মুক্তির দাবিতে ১৯৬৯ সালের পুরো জানুয়ারি মাস ছিল আন্দোলনে উত্তাল। ছাত্র-জনতাসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি সে আন্দোলন রূপ নেয় এক ব্যাপক গণবিস্ফোরণে।

মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমনপীড়নের প্রতিবাদে সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে শহীদ হন ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান মল্লিক। গুলিতে শহিদ হন মকবুল, আনোয়ার, রুস্তম, মিলন, আলমগীরসহ আরও অনেকে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁদের এ আত্মত্যাগ এদেশের তরুণ সমাজকে জুগিয়েছে অফুরন্ত সাহস ও অনুপ্রেরণা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, স্মৃতিবিজড়িত এদিনে আমি গণ-অভ্যুত্থানের শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আসুন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সবাই মিলে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে আত্মনিয়োগ করি।

দেশের মুক্তি সংগ্রামের শহীদদের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন ড. ইউনূস।

আপলোডকারীর তথ্য

অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ

‘উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়’

আপডেট সময় : ১০:৪২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়।’

আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন, পরবর্তীকালে ১১ দফা ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি মহান স্বাধীনতা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তৎকালীন স্বৈরাচারী অপশাসন ও দমনপীড়ন থেকে মুক্তির দাবিতে ১৯৬৯ সালের পুরো জানুয়ারি মাস ছিল আন্দোলনে উত্তাল। ছাত্র-জনতাসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি সে আন্দোলন রূপ নেয় এক ব্যাপক গণবিস্ফোরণে।

মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমনপীড়নের প্রতিবাদে সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে শহীদ হন ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান মল্লিক। গুলিতে শহিদ হন মকবুল, আনোয়ার, রুস্তম, মিলন, আলমগীরসহ আরও অনেকে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁদের এ আত্মত্যাগ এদেশের তরুণ সমাজকে জুগিয়েছে অফুরন্ত সাহস ও অনুপ্রেরণা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, স্মৃতিবিজড়িত এদিনে আমি গণ-অভ্যুত্থানের শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আসুন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সবাই মিলে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে আত্মনিয়োগ করি।

দেশের মুক্তি সংগ্রামের শহীদদের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন ড. ইউনূস।