ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

তুরস্কের পার্লামেন্টে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা, হাতাহাতি

তুরস্কের পার্লামেন্টে বাজেট অধিবেশনের শেষ দিনে ক্ষমতাসীন দল একে পার্টি ও প্রধান বিরোধী দল সিএইচপি’র সংসদ সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলা এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সংসদ কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হন স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ। তবে বিরতির মধ্যেও ধস্তাধস্তি অব্যাহত ছিল।

তুর্কি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে বাজেট আলোচনায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যার সূত্রপাত হয়- বুরসা থেকে নির্বাচিত একে পার্টির এমপি মুস্তাফা ভারাঙ্ক এবং সিএইচপি’র ডেপুটি চেয়ারম্যান গোকহান গুনাইদিনের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা থেকে।

বক্তব্য দিতে গিয়ে একে পার্টির বুরসা থেকে নির্বাচিত এমপি মুস্তাফা ভারাঙ্ক সিএইচপি চেয়ারম্যান ওজগুর ওজেলকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনার নেতা যেন ভয় না পান। সিএইচপি পরিচালিত শহরের কৃষকরা এখনও বিনামূল্যের ট্রাক্টরের অপেক্ষায়।’

এর জবাবে গুনাইদিন সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, একে পার্টি ‘রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়িতে তলানিতে পৌঁছেছে’ এবং সিএইচপি পরিচালিত পৌরসভাগুলোর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এরপর সিএইচপি গ্রুপ ডেপুটি চেয়ারম্যান আলি মাহির বাসারির প্রতিবাদকে ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ে। মুহূর্তেই তা ধাক্কাধাক্কি এবং পরে সরাসরি হাতাহাতিতে রূপ নেয়। সংসদের কেন্দ্রীয় চেম্বারে উভয় দলের একাধিক এমপি  সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন এবং একে অপরকে ঘুষি মারতে থাকেন। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খায় নিরাপত্তাকর্মীরা।

এদিকে এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট আইন পাস হয়। বাজেটের পক্ষে ভোট পড়ে ৩২০টি এবং বিপক্ষে ২৪৯টি। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের ফাইনাল অ্যাকাউন্টস আইনও ৩১৬–২৪৭ ভোটে অনুমোদিত হয়।

প্রসঙ্গত, গত বছরের আগস্টেও বিরোধী নেতাকে জেলে দেওয়ার বিতর্কে তুর্কি পার্লামেন্টে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

সূত্র: তুর্কি টুডে

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তুরস্কের পার্লামেন্টে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা, হাতাহাতি

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

তুরস্কের পার্লামেন্টে বাজেট অধিবেশনের শেষ দিনে ক্ষমতাসীন দল একে পার্টি ও প্রধান বিরোধী দল সিএইচপি’র সংসদ সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলা এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সংসদ কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হন স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ। তবে বিরতির মধ্যেও ধস্তাধস্তি অব্যাহত ছিল।

তুর্কি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে বাজেট আলোচনায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যার সূত্রপাত হয়- বুরসা থেকে নির্বাচিত একে পার্টির এমপি মুস্তাফা ভারাঙ্ক এবং সিএইচপি’র ডেপুটি চেয়ারম্যান গোকহান গুনাইদিনের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা থেকে।

বক্তব্য দিতে গিয়ে একে পার্টির বুরসা থেকে নির্বাচিত এমপি মুস্তাফা ভারাঙ্ক সিএইচপি চেয়ারম্যান ওজগুর ওজেলকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনার নেতা যেন ভয় না পান। সিএইচপি পরিচালিত শহরের কৃষকরা এখনও বিনামূল্যের ট্রাক্টরের অপেক্ষায়।’

এর জবাবে গুনাইদিন সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, একে পার্টি ‘রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়িতে তলানিতে পৌঁছেছে’ এবং সিএইচপি পরিচালিত পৌরসভাগুলোর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এরপর সিএইচপি গ্রুপ ডেপুটি চেয়ারম্যান আলি মাহির বাসারির প্রতিবাদকে ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ে। মুহূর্তেই তা ধাক্কাধাক্কি এবং পরে সরাসরি হাতাহাতিতে রূপ নেয়। সংসদের কেন্দ্রীয় চেম্বারে উভয় দলের একাধিক এমপি  সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন এবং একে অপরকে ঘুষি মারতে থাকেন। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খায় নিরাপত্তাকর্মীরা।

এদিকে এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট আইন পাস হয়। বাজেটের পক্ষে ভোট পড়ে ৩২০টি এবং বিপক্ষে ২৪৯টি। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের ফাইনাল অ্যাকাউন্টস আইনও ৩১৬–২৪৭ ভোটে অনুমোদিত হয়।

প্রসঙ্গত, গত বছরের আগস্টেও বিরোধী নেতাকে জেলে দেওয়ার বিতর্কে তুর্কি পার্লামেন্টে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

সূত্র: তুর্কি টুডে