ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সৌদি আরবে ব্যাপক বৃষ্টিপাতে ভূমিধস

সৌদি আরবের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় তাবুক প্রদেশে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের পর ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। ভূমিধসের এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। 

তবে দেশটির জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভূমিধসে গর্ত হয়ে যাওয়া সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

সৌদি জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে নতুন করে ভূমিধসের কোনও ঝুঁকি নেই।

উদ্ধার ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

ঘটনাস্থলের আশপাশের বাসিন্দাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই এলাকা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে বৈরী আবহাওয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বন এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিরিওলজি (এনসিএম) সোমবার থেকে আগামী বুধবার পর্যন্ত জেদ্দা, আল কামিল, আদহাম, রাবিঘ, খুলাইস ও বাহরাহসহ মক্কা অঞ্চলের কয়েকটি গভর্নরেটে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।

এই বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে এনসিএম। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৈরী আবহাওয়ায় দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় মক্কা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এ সময় তুমুল বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক বন্যা, শিলাবৃষ্টি ও ধুলিঝড়ের সৃষ্টি হতে পারে। দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর জনসাধারণকে সতর্ক থাকার ও সরকারি নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে, শনিবার তাবুকের হাকল গভর্নরেটে বজ্রঝড় আঘাত হেনেছে। এতে আল দুররা সীমান্তচৌকি, ওয়াদি মাবরাক, আল যায়তাহ, রাস আল যায়তাহ, আল খার্জ, আল ওয়াদি আল আব্যাদ, আল মুজাইফিল ও শরিফ মু’তিয়াহসহ বেশ কয়েকটি শহর ও গ্রামে ব্যাপক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।

উলু আল কুসাইর ও আলকান এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে ওই এলাকার নিম্নাঞ্চল ও উপত্যকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সৌদি আরবে ব্যাপক বৃষ্টিপাতে ভূমিধস

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

সৌদি আরবের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় তাবুক প্রদেশে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের পর ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। ভূমিধসের এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। 

তবে দেশটির জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভূমিধসে গর্ত হয়ে যাওয়া সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

সৌদি জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে নতুন করে ভূমিধসের কোনও ঝুঁকি নেই।

উদ্ধার ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

ঘটনাস্থলের আশপাশের বাসিন্দাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই এলাকা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে বৈরী আবহাওয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বন এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিরিওলজি (এনসিএম) সোমবার থেকে আগামী বুধবার পর্যন্ত জেদ্দা, আল কামিল, আদহাম, রাবিঘ, খুলাইস ও বাহরাহসহ মক্কা অঞ্চলের কয়েকটি গভর্নরেটে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।

এই বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে এনসিএম। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৈরী আবহাওয়ায় দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় মক্কা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এ সময় তুমুল বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক বন্যা, শিলাবৃষ্টি ও ধুলিঝড়ের সৃষ্টি হতে পারে। দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর জনসাধারণকে সতর্ক থাকার ও সরকারি নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে, শনিবার তাবুকের হাকল গভর্নরেটে বজ্রঝড় আঘাত হেনেছে। এতে আল দুররা সীমান্তচৌকি, ওয়াদি মাবরাক, আল যায়তাহ, রাস আল যায়তাহ, আল খার্জ, আল ওয়াদি আল আব্যাদ, আল মুজাইফিল ও শরিফ মু’তিয়াহসহ বেশ কয়েকটি শহর ও গ্রামে ব্যাপক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।

উলু আল কুসাইর ও আলকান এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে ওই এলাকার নিম্নাঞ্চল ও উপত্যকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে।