ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রই সংঘাতের একমাত্র সমাধান: পোপ

মধ্যপ্রাচ্য সফরে গিয়ে ফিলিস্তিন ইস্যুতে দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানের পক্ষে ভ্যাটিকানের জোরালো আহ্বান তুলে ধরেছেন ক্যাথলিক চার্চের প্রধান ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে কয়েক দশক ধরে চলমান সংঘাতের একমাত্র সমাধান বৈশ্বিক স্বীকৃতিসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।’

সোমবার (১ ডিসেম্বর) ‘রাশিয়া টুডে’ জানিয়েছে, তুরস্ক থেকে লেবাননে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পোপ তার অবস্থান তুলে ধরেন। এর আগে ২০১৫ সালে ভ্যাটিকান আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছিল এবং তখন থেকেই দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকেই সমর্থন করে আসছে। তবে গাজায় চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পোপের এবারের মন্তব্যকে ভ্যাটিকানের সবচেয়ে দৃঢ় আহ্বান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের কথা উল্লেখ করে পোপ লিও বলেন, ‘আমরা জানি ইসরায়েল এই সমাধানটি এখনও গ্রহণ করেনি। আমরা ইসরায়েলেরও বন্ধু। তারপরও আমরা মনে করি, এটাই একমাত্র পথ।’

তিনি জানান, ভ্যাটিকান মধ্যস্থতার জন্য কাজ চালিয়ে যাবে যাতে ন্যায়সম্মত সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়।

এর আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিস্যেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত আলোচনায়ও গাজা ও ইউক্রেন ইস্যু উঠে এসেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পোপ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর প্রচেষ্টায় এরদোয়ান ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজ শান্তির জন্য কিছু বাস্তব প্রস্তাব রয়েছে এবং আশা করছি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেন— তিন পক্ষের সঙ্গেই সম্পর্ক ব্যবহার করে সংলাপ ও যুদ্ধবিরতি এগিয়ে নিতে পারবেন।’

গাজা প্রসঙ্গে তিনি পুনরাবৃত্তি করেন— বহু দশক জুড়ে এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ছাড়া বিকল্প নেই। যদিও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি বলেছেন, তার দেশের রাষ্ট্রীয় নীতিতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের বিরোধিতা একচুলও পরিবর্তন হয়নি এবং কোনো আন্তর্জাতিক চাপেই তা বদলাবে না।

 

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রই সংঘাতের একমাত্র সমাধান: পোপ

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

মধ্যপ্রাচ্য সফরে গিয়ে ফিলিস্তিন ইস্যুতে দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানের পক্ষে ভ্যাটিকানের জোরালো আহ্বান তুলে ধরেছেন ক্যাথলিক চার্চের প্রধান ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে কয়েক দশক ধরে চলমান সংঘাতের একমাত্র সমাধান বৈশ্বিক স্বীকৃতিসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।’

সোমবার (১ ডিসেম্বর) ‘রাশিয়া টুডে’ জানিয়েছে, তুরস্ক থেকে লেবাননে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পোপ তার অবস্থান তুলে ধরেন। এর আগে ২০১৫ সালে ভ্যাটিকান আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছিল এবং তখন থেকেই দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকেই সমর্থন করে আসছে। তবে গাজায় চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পোপের এবারের মন্তব্যকে ভ্যাটিকানের সবচেয়ে দৃঢ় আহ্বান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের কথা উল্লেখ করে পোপ লিও বলেন, ‘আমরা জানি ইসরায়েল এই সমাধানটি এখনও গ্রহণ করেনি। আমরা ইসরায়েলেরও বন্ধু। তারপরও আমরা মনে করি, এটাই একমাত্র পথ।’

তিনি জানান, ভ্যাটিকান মধ্যস্থতার জন্য কাজ চালিয়ে যাবে যাতে ন্যায়সম্মত সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়।

এর আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিস্যেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত আলোচনায়ও গাজা ও ইউক্রেন ইস্যু উঠে এসেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পোপ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর প্রচেষ্টায় এরদোয়ান ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজ শান্তির জন্য কিছু বাস্তব প্রস্তাব রয়েছে এবং আশা করছি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেন— তিন পক্ষের সঙ্গেই সম্পর্ক ব্যবহার করে সংলাপ ও যুদ্ধবিরতি এগিয়ে নিতে পারবেন।’

গাজা প্রসঙ্গে তিনি পুনরাবৃত্তি করেন— বহু দশক জুড়ে এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ছাড়া বিকল্প নেই। যদিও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি বলেছেন, তার দেশের রাষ্ট্রীয় নীতিতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের বিরোধিতা একচুলও পরিবর্তন হয়নি এবং কোনো আন্তর্জাতিক চাপেই তা বদলাবে না।