ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ফের জামায়াতের কড়া সমালোচনা হেফাজত আমিরের

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:০২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৬১ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে আবারও মুখ খুললেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। এবার তিনি জামায়াতকে কাদিয়ানিদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বলেছেন, কাদিয়ানি ফেতনার চেয়েও জামায়াতের ফেতনা বড়। জামায়াতকে ‘ঈমানের বড় ডাকাত’ আখ্যায়িত করে এই ফেতনা নির্মূলের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।  

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসার ১০৩তম বার্ষিক মাহফিলের সমাপনী দিনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি এই মাদরাসার মহাপরিচালক।

মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘ঈমান-আকিদা রক্ষায় বাংলাদেশ থেকে জামায়াতে ইসলামকে নির্মূলের চেষ্টা করতে হবে। বাংলাদেশে এত বড় জাহেল থাকতে পারে না, যারা হজরত ওমর রা.সহ সাহাবায়ে কেরামদের নিয়ে কটূক্তি করে।’

জামায়াতে ইসলামীকে কাদিয়ানির ফেতনার সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘কাদিয়ানিরা ঈমানের যত ক্ষতি করতে পারেনি, জামায়াতে ইসলামী তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে।’

হেফাজত আমির বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী নাম দিয়েছে ইসলামি সংগঠন হিসেবে, কিন্তু তারা ঈমানের বড় ডাকাত। আমাদের আকাবিররাও বলেছেন জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম আর আমাদের ইসলাম এক নয়। আমাদের ইসলাম হচ্ছে মদিনার ইসলাম, আর তাদের ইসলাম মওদুদীবাদীর ইসলাম। যদি ঈমানকে হেফাজত করতে চাও, তাহলে জামায়াতে ইসলাম থেকে দূরে থাকো। যারা জামায়াতে ইসলামীতে আছে, তাদের ঈমান আছে কি না – তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, এর আগেও বেশ কয়েকবার জামায়াতে ইসলামীর কড়া সমালোচনা করেন হেফাজত আমির। জামায়াতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর প্রতিবাদও জানানো হয়েছে।

মাহফিলে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক,

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট দাঈ শায়খ আহমদুল্লাহ, সায়্যিদ মওদুদ মাদানি (দেওবন্দ, ভারত), আল্লামা আওরঙ্গজেব ফারুকী (করাচি, পাকিস্তান), মুফতি মাহমুদ হাসান (চট্টগ্রাম), মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী (ঢাকা), মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী (ঢাকা) প্রমুখ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফের জামায়াতের কড়া সমালোচনা হেফাজত আমিরের

আপডেট সময় : ০১:০২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে আবারও মুখ খুললেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। এবার তিনি জামায়াতকে কাদিয়ানিদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বলেছেন, কাদিয়ানি ফেতনার চেয়েও জামায়াতের ফেতনা বড়। জামায়াতকে ‘ঈমানের বড় ডাকাত’ আখ্যায়িত করে এই ফেতনা নির্মূলের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।  

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসার ১০৩তম বার্ষিক মাহফিলের সমাপনী দিনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি এই মাদরাসার মহাপরিচালক।

মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘ঈমান-আকিদা রক্ষায় বাংলাদেশ থেকে জামায়াতে ইসলামকে নির্মূলের চেষ্টা করতে হবে। বাংলাদেশে এত বড় জাহেল থাকতে পারে না, যারা হজরত ওমর রা.সহ সাহাবায়ে কেরামদের নিয়ে কটূক্তি করে।’

জামায়াতে ইসলামীকে কাদিয়ানির ফেতনার সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘কাদিয়ানিরা ঈমানের যত ক্ষতি করতে পারেনি, জামায়াতে ইসলামী তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে।’

হেফাজত আমির বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী নাম দিয়েছে ইসলামি সংগঠন হিসেবে, কিন্তু তারা ঈমানের বড় ডাকাত। আমাদের আকাবিররাও বলেছেন জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম আর আমাদের ইসলাম এক নয়। আমাদের ইসলাম হচ্ছে মদিনার ইসলাম, আর তাদের ইসলাম মওদুদীবাদীর ইসলাম। যদি ঈমানকে হেফাজত করতে চাও, তাহলে জামায়াতে ইসলাম থেকে দূরে থাকো। যারা জামায়াতে ইসলামীতে আছে, তাদের ঈমান আছে কি না – তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, এর আগেও বেশ কয়েকবার জামায়াতে ইসলামীর কড়া সমালোচনা করেন হেফাজত আমির। জামায়াতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর প্রতিবাদও জানানো হয়েছে।

মাহফিলে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক,

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট দাঈ শায়খ আহমদুল্লাহ, সায়্যিদ মওদুদ মাদানি (দেওবন্দ, ভারত), আল্লামা আওরঙ্গজেব ফারুকী (করাচি, পাকিস্তান), মুফতি মাহমুদ হাসান (চট্টগ্রাম), মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী (ঢাকা), মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী (ঢাকা) প্রমুখ।