ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের নেতা জুবায়েদ হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। প্রেমঘটিত দ্বন্দ্ব থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন চারজনকে আটক করা হয়েছে। নিহত জুবায়েদ ছিলেন জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় একটি ভবনের সিঁড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা জুবায়েদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি নিয়মিতভাবে ওই ভবনের একটি বাসায় এক ছাত্রীকে টিউশনি করাতেন। ঘটনার দিনও তিনি সেখানে পড়াতে গিয়েছিলেন। পুলিশ জানায়, টিউশনি করতে যাওয়ার সময় সিঁড়িতেই তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার পরপরই ভবন থেকে দুই তরুণকে দৌড়ে পালাতে দেখা যায়। তাদের একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে মাহির রহমান নামে। জানা গেছে, মাহিরের সঙ্গে ওই ছাত্রীর ৯ বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা সম্প্রতি ভেঙে যায়। এরপর থেকেই জুবায়েদের সঙ্গে তার বিরোধ শুরু হয়। ঘটনার দিন টিউশনি করতে যাওয়ার পথে জুবায়েদের সঙ্গে মাহিরের মুখোমুখি দেখা হয়। সেখানে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং কিছুক্ষণ পরেই জুবায়েদ খুন হন।

ঘটনার পর ওই ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে সন্দেহভাজন মাহিরসহ চারজনকে আটক করা হয়। বংশাল থানার পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

হত্যার পরদিন সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে জুবায়েদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এরপর তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয় এবং সেখানেই দাফন সম্পন্ন হয়। পুলিশ বলছে, ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা থেকে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারও প্ররোচনা বা সহায়তা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক

ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ

আপডেট সময় : ১০:৩৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের নেতা জুবায়েদ হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। প্রেমঘটিত দ্বন্দ্ব থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন চারজনকে আটক করা হয়েছে। নিহত জুবায়েদ ছিলেন জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় একটি ভবনের সিঁড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা জুবায়েদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি নিয়মিতভাবে ওই ভবনের একটি বাসায় এক ছাত্রীকে টিউশনি করাতেন। ঘটনার দিনও তিনি সেখানে পড়াতে গিয়েছিলেন। পুলিশ জানায়, টিউশনি করতে যাওয়ার সময় সিঁড়িতেই তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার পরপরই ভবন থেকে দুই তরুণকে দৌড়ে পালাতে দেখা যায়। তাদের একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে মাহির রহমান নামে। জানা গেছে, মাহিরের সঙ্গে ওই ছাত্রীর ৯ বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা সম্প্রতি ভেঙে যায়। এরপর থেকেই জুবায়েদের সঙ্গে তার বিরোধ শুরু হয়। ঘটনার দিন টিউশনি করতে যাওয়ার পথে জুবায়েদের সঙ্গে মাহিরের মুখোমুখি দেখা হয়। সেখানে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং কিছুক্ষণ পরেই জুবায়েদ খুন হন।

ঘটনার পর ওই ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে সন্দেহভাজন মাহিরসহ চারজনকে আটক করা হয়। বংশাল থানার পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

হত্যার পরদিন সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে জুবায়েদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এরপর তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয় এবং সেখানেই দাফন সম্পন্ন হয়। পুলিশ বলছে, ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা থেকে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারও প্ররোচনা বা সহায়তা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।