ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

আওয়ামী লীগ করি না, তাদের পুনর্বাসনের প্রশ্নই ওঠে না : এ কে আজাদ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টার যে অভিযোগ বিএনপি নেতাকর্মীরা তুলেছেন, সেটির কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ী নেতা এ কে আজাদ। তিনি এখন ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন’ বলেও জানিয়েছেন দলটির সাবেক এই নেতা।

‘আমি আওয়ামী লীগ করি না, কাজেই তাদের পুনর্বাসনের প্রশ্নই ওঠে না’, বলছিলেন ব্যবসায়ী নেতা এ কে আজাদ। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, বছর দেড়েক আগেও তিনি ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

‘অনেক আগেই আমাকে তারা বহিষ্কার করেছে। সেকারণে গত নির্বাচনেও আমি স্বতন্ত্রপ্রার্থী হয়ে ভোট করেছি’, বলেন আজাদ।

২০২৪ সালের নির্বাচনে ফরিদপুর-৩ আসনে নৌকার মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচন করা এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জনসভায় অনুপস্থিতি থাকার কারণে আজাদকে দল থেকে বহিষ্কার করার ঘোষণা দেয় ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ।

‘ওই ঘটনার পর থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার আর কোনো সম্পর্ক নেই,’ বলেন আজাদ। তিনি এমন দাবি করলেও আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টার অভিযোগ তুলে রোববার ফরিদপুরে তার গাড়িবহনে হামলা চালায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

আজাদ বলেন, ‘তাদের এই দাবির কোনো ভিত্তি নেই। আসলে তারা আমার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে আমার ওপর হামলা করেছে। তাদের কাছে যদি প্রমাণ থাকে, তাহলে তারা এটা প্রমাণ করুক যে, আমি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার চেষ্টা করছি।’

ব্যবসায়ী নেতা আজাদ বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীতপ্রার্থীকে পরাজিত করে ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এ কে আজাদ।

এবারও তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে আজাদ বলেন, ‘এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। মাঠে ঘুরে জনমত যাচাই করছি। দেখছি বর্তমান প্রশাসনের অধীরে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব কি-না। এগুলো দেখে পরবর্তীতে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।’

রোববারের হামলার ঘটনায় স্থানীয় থানায় একটি মামলা করেছেন বলে জানিয়েছেন একে আজাদ।

বিবিসি বাংলা

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ করি না, তাদের পুনর্বাসনের প্রশ্নই ওঠে না : এ কে আজাদ

আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টার যে অভিযোগ বিএনপি নেতাকর্মীরা তুলেছেন, সেটির কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ী নেতা এ কে আজাদ। তিনি এখন ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন’ বলেও জানিয়েছেন দলটির সাবেক এই নেতা।

‘আমি আওয়ামী লীগ করি না, কাজেই তাদের পুনর্বাসনের প্রশ্নই ওঠে না’, বলছিলেন ব্যবসায়ী নেতা এ কে আজাদ। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, বছর দেড়েক আগেও তিনি ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

‘অনেক আগেই আমাকে তারা বহিষ্কার করেছে। সেকারণে গত নির্বাচনেও আমি স্বতন্ত্রপ্রার্থী হয়ে ভোট করেছি’, বলেন আজাদ।

২০২৪ সালের নির্বাচনে ফরিদপুর-৩ আসনে নৌকার মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচন করা এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জনসভায় অনুপস্থিতি থাকার কারণে আজাদকে দল থেকে বহিষ্কার করার ঘোষণা দেয় ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ।

‘ওই ঘটনার পর থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার আর কোনো সম্পর্ক নেই,’ বলেন আজাদ। তিনি এমন দাবি করলেও আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টার অভিযোগ তুলে রোববার ফরিদপুরে তার গাড়িবহনে হামলা চালায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

আজাদ বলেন, ‘তাদের এই দাবির কোনো ভিত্তি নেই। আসলে তারা আমার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে আমার ওপর হামলা করেছে। তাদের কাছে যদি প্রমাণ থাকে, তাহলে তারা এটা প্রমাণ করুক যে, আমি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার চেষ্টা করছি।’

ব্যবসায়ী নেতা আজাদ বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীতপ্রার্থীকে পরাজিত করে ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এ কে আজাদ।

এবারও তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে আজাদ বলেন, ‘এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। মাঠে ঘুরে জনমত যাচাই করছি। দেখছি বর্তমান প্রশাসনের অধীরে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব কি-না। এগুলো দেখে পরবর্তীতে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।’

রোববারের হামলার ঘটনায় স্থানীয় থানায় একটি মামলা করেছেন বলে জানিয়েছেন একে আজাদ।

বিবিসি বাংলা