ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরে আগ্রহী ভুটান

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষর এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য দুই দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলকে সংযুক্ত করার ব্যাপারে দৃঢ় আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী টোবগে এই প্রস্তাব দেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী টোবগে বলেন, ভুটানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি (জিএমসি) কুড়িগ্রামের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত হলে উভয় দেশই ব্যাপকভাবে উপকৃত হতে পারে, যা বাংলাদেশ ভুটানের বিনিয়োগকারীদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বরাদ্দ করেছে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস প্রস্তাবগুলোকে স্বাগত জানিয়ে জোর দিয়ে বলেন, উভয় দেশেরই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য সব উপায় অনুসন্ধান করা উচিত।

‘বাংলাদেশ এবং ভুটান উন্নত যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি নতুন স্তরে নিয়ে যেতে পারে’—অধ্যাপক ইউনূস বলেন।

প্রধানমন্ত্রী টোবগে ভুটানের ধর্মীয় পর্যটন প্রচারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের বৌদ্ধ ভিক্ষুরা তাদের দেশে বিশ্বাস ছড়িয়ে দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ভুটান তার জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনা ভাগাভাগি করতে আগ্রহী। বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। তিনি ভুটানে ফাইবার অপটিক সংযোগ স্থাপনে বাংলাদেশের সহায়তাও চেয়েছেন। দুই নেতা রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা করেছেন।

প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী টোবগে মন্তব্য করেছেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ‘ভালো হাতে’ রয়েছে। প্রফেসর ইউনূসকে তার ‘রোল মডেল’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি তাকে ‘আমার অধ্যাপক’ হিসেবে উষ্ণভাবে স্বাগত জানান।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস প্রধানমন্ত্রী টোবগেকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। ভুটানের নেতা তা গ্রহণ করেন এবং আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের পরিকল্পিত সাধারণ নির্বাচনের আগে তিনি এ সফর করতে পারেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরে আগ্রহী ভুটান

আপডেট সময় : ০১:০৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষর এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য দুই দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলকে সংযুক্ত করার ব্যাপারে দৃঢ় আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী টোবগে এই প্রস্তাব দেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী টোবগে বলেন, ভুটানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি (জিএমসি) কুড়িগ্রামের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত হলে উভয় দেশই ব্যাপকভাবে উপকৃত হতে পারে, যা বাংলাদেশ ভুটানের বিনিয়োগকারীদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বরাদ্দ করেছে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস প্রস্তাবগুলোকে স্বাগত জানিয়ে জোর দিয়ে বলেন, উভয় দেশেরই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য সব উপায় অনুসন্ধান করা উচিত।

‘বাংলাদেশ এবং ভুটান উন্নত যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি নতুন স্তরে নিয়ে যেতে পারে’—অধ্যাপক ইউনূস বলেন।

প্রধানমন্ত্রী টোবগে ভুটানের ধর্মীয় পর্যটন প্রচারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের বৌদ্ধ ভিক্ষুরা তাদের দেশে বিশ্বাস ছড়িয়ে দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ভুটান তার জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনা ভাগাভাগি করতে আগ্রহী। বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। তিনি ভুটানে ফাইবার অপটিক সংযোগ স্থাপনে বাংলাদেশের সহায়তাও চেয়েছেন। দুই নেতা রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা করেছেন।

প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী টোবগে মন্তব্য করেছেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ‘ভালো হাতে’ রয়েছে। প্রফেসর ইউনূসকে তার ‘রোল মডেল’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি তাকে ‘আমার অধ্যাপক’ হিসেবে উষ্ণভাবে স্বাগত জানান।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস প্রধানমন্ত্রী টোবগেকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। ভুটানের নেতা তা গ্রহণ করেন এবং আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের পরিকল্পিত সাধারণ নির্বাচনের আগে তিনি এ সফর করতে পারেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।