ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

হাসিনা পরিবারের বিরুদ্ধে ৬ মামলার রায় ‘নভেম্বরের মধ্যে’

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে প্লট দুর্নীতির ছয়টি মামলা চলমান রয়েছে। এসব মামলার রায় আগামী নভেম্বরের মধ্যে হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন। এর আগে দুর্নীতি প্রতিরোধে টিআইবির সঙ্গে পাঁচ বছরের সমঝোতা স্মারক সই করে দুদক।

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ছয়টি প্লট নেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে এসব মামলায় গত ৩১ জুলাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানার সঙ্গে তাদের সন্তানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ঢাকার দুই বিশেষ জজ আদালত। এর মধ্যে তিন মামলায় শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ১১ আগস্ট। ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে ওই তিন মামলার বিচার কাজ চলছে।

আর বিশেষ জজ রবিউল আলমের আদালতে শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা, তার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকদের বিরুদ্ধে তিন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ১৩ আগস্ট।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে মোট ছয়টি মামলা বর্তমানে চলমান রয়েছে। আমরা আশা করছি যে, সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর অক্টোবরের শেষ দিকে কিংবা নভেম্বরের প্রথম দিকে আদালত যেটা বিবেচনাযোগ্য মনে করবেন, সেই অনুযায়ী রায় ঘোষণা করবেন।

টিউলিপ সিদ্দিকীর ফ্ল্যাট জালিয়াতির মামলার স্থগিতাদেশ বিষয়ে তিনি বলেন, সেই মামলায় একজন আইনজীবী এসে যাওয়ায় অন্য আইনজীবীরাও স্বাভাবিকভাবেই পেশাগত কারণে সমর্থন জানিয়েছেন। এর ফলে উচ্চ আদালত থেকে একটি স্টে অর্ডার জারি হয়েছে। বর্তমানে আমরা সেই স্টে অর্ডার ভ্যাকেট করার প্রক্রিয়ায় আছি। ভ্যাকেট হয়ে গেলে মামলাটি এগিয়ে যাবে।

আবদুল মোমেন বলেন, এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। এই মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তি হোক—আপনারা যেমন চান, আমরাও সেটাই চাই।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হাসিনা পরিবারের বিরুদ্ধে ৬ মামলার রায় ‘নভেম্বরের মধ্যে’

আপডেট সময় : ০৪:৫১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে প্লট দুর্নীতির ছয়টি মামলা চলমান রয়েছে। এসব মামলার রায় আগামী নভেম্বরের মধ্যে হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন। এর আগে দুর্নীতি প্রতিরোধে টিআইবির সঙ্গে পাঁচ বছরের সমঝোতা স্মারক সই করে দুদক।

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ছয়টি প্লট নেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে এসব মামলায় গত ৩১ জুলাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানার সঙ্গে তাদের সন্তানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ঢাকার দুই বিশেষ জজ আদালত। এর মধ্যে তিন মামলায় শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ১১ আগস্ট। ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে ওই তিন মামলার বিচার কাজ চলছে।

আর বিশেষ জজ রবিউল আলমের আদালতে শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা, তার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকদের বিরুদ্ধে তিন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ১৩ আগস্ট।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে মোট ছয়টি মামলা বর্তমানে চলমান রয়েছে। আমরা আশা করছি যে, সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর অক্টোবরের শেষ দিকে কিংবা নভেম্বরের প্রথম দিকে আদালত যেটা বিবেচনাযোগ্য মনে করবেন, সেই অনুযায়ী রায় ঘোষণা করবেন।

টিউলিপ সিদ্দিকীর ফ্ল্যাট জালিয়াতির মামলার স্থগিতাদেশ বিষয়ে তিনি বলেন, সেই মামলায় একজন আইনজীবী এসে যাওয়ায় অন্য আইনজীবীরাও স্বাভাবিকভাবেই পেশাগত কারণে সমর্থন জানিয়েছেন। এর ফলে উচ্চ আদালত থেকে একটি স্টে অর্ডার জারি হয়েছে। বর্তমানে আমরা সেই স্টে অর্ডার ভ্যাকেট করার প্রক্রিয়ায় আছি। ভ্যাকেট হয়ে গেলে মামলাটি এগিয়ে যাবে।

আবদুল মোমেন বলেন, এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। এই মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তি হোক—আপনারা যেমন চান, আমরাও সেটাই চাই।