ঢাকা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার ও জিন গবেষণায় চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:১১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

চলতি বছর চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শারীরতত্ত্বে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বিজ্ঞানী ভিক্টর অ্যামব্রোস ও গ্যারি রাভকুন। তাদের মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা নিয়ে গবেষণার জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এই কাজটি প্রাণীর দেহের গঠন ও কার্যপদ্ধতি বুঝতে সাহায্য করছে।

বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে সুইডেনের স্টকহোম থেকে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।

ভিক্টর অ্যামব্রোস ১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যামশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৯ সালে ম্যাসাচুয়েটস ইনস্টিটিউট থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নেন। এরপর তিনি সেখানে পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা করেন। ১৯৮৫ সালে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধান গবেষক হন এবং বর্তমানে ম্যাসাচুয়েটস মেডিকেল স্কুলে ন্যাচারাল সাইন্সের প্রফেসর।

অন্যদিকে, গ্যারি রাভকুন ১৯৫২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮২ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন এবং ১৯৮৫ সালে ম্যাসাচুয়েটস জেনারেল হাসপাতাল ও হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের প্রধান গবেষক হন। বর্তমানে তিনি এখানেই জেনেটিকসের প্রফেসর।

গত বছর এই পুরস্কার পেয়েছিলেন ক্যাথলিন কারিকো এবং ড্রিউ ওয়েইসম্যান, যারা এমআরএনএ করোনা টিকা আবিষ্কারের জন্য সম্মানিত হন।

নোবেল পুরস্কার ১৯০১ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। এর নামকরণ সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নামে, যিনি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিনামাইট আবিষ্কার করে বিশাল অর্থের মালিক হন। তিনি উইল করেছিলেন যে তার সম্পদের একটি অংশ প্রতি বছর পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, শান্তি ও সাহিত্য খাতে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করা হবে। ১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতি বিভাগও এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীরা পাবেন একটি নোবেল মেডেল, একটি সনদপত্র এবং মোট ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা। এর বর্তমান বাজারমূল্য ১০ লাখ ৬৭ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকার সমান। এই দুই নোবেলজয়ীর মধ্যে ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা ভাগ করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার ও জিন গবেষণায় চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল

আপডেট সময় : ০৫:১১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০২৪

চলতি বছর চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শারীরতত্ত্বে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বিজ্ঞানী ভিক্টর অ্যামব্রোস ও গ্যারি রাভকুন। তাদের মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা নিয়ে গবেষণার জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এই কাজটি প্রাণীর দেহের গঠন ও কার্যপদ্ধতি বুঝতে সাহায্য করছে।

বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে সুইডেনের স্টকহোম থেকে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।

ভিক্টর অ্যামব্রোস ১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যামশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৯ সালে ম্যাসাচুয়েটস ইনস্টিটিউট থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নেন। এরপর তিনি সেখানে পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা করেন। ১৯৮৫ সালে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধান গবেষক হন এবং বর্তমানে ম্যাসাচুয়েটস মেডিকেল স্কুলে ন্যাচারাল সাইন্সের প্রফেসর।

অন্যদিকে, গ্যারি রাভকুন ১৯৫২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮২ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন এবং ১৯৮৫ সালে ম্যাসাচুয়েটস জেনারেল হাসপাতাল ও হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের প্রধান গবেষক হন। বর্তমানে তিনি এখানেই জেনেটিকসের প্রফেসর।

গত বছর এই পুরস্কার পেয়েছিলেন ক্যাথলিন কারিকো এবং ড্রিউ ওয়েইসম্যান, যারা এমআরএনএ করোনা টিকা আবিষ্কারের জন্য সম্মানিত হন।

নোবেল পুরস্কার ১৯০১ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। এর নামকরণ সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নামে, যিনি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিনামাইট আবিষ্কার করে বিশাল অর্থের মালিক হন। তিনি উইল করেছিলেন যে তার সম্পদের একটি অংশ প্রতি বছর পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, শান্তি ও সাহিত্য খাতে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করা হবে। ১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতি বিভাগও এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীরা পাবেন একটি নোবেল মেডেল, একটি সনদপত্র এবং মোট ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা। এর বর্তমান বাজারমূল্য ১০ লাখ ৬৭ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকার সমান। এই দুই নোবেলজয়ীর মধ্যে ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা ভাগ করা হবে।