ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

স্বামীকে হত্যা করতে কিশোর গ্যাং ভাড়া, স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৯৭ বার পড়া হয়েছে

বরগুনার আমতলীতে সাবেক স্বামী ফরহাদ ইসলাম জয়কে হত্যার উদ্দেশ্যে কিশোর গ্যাং ভাড়া করার অভিযোগে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী লাইজু বেগমসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার বিকেলে তাদের আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক মো. ইফতি হাসান ইমরান জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঘটনাটি ঘটে রোববার রাত ৯টার দিকে উপজেলার উতসীতলা এলাকায়।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে পূর্ব কুকুয়া গ্রামের লতিফ মুসুল্লীর ছেলে ফরহাদ ইসলাম জয় ও হরিমৃত্যুঞ্জয় গ্রামের মোস্তফা কাজীর মেয়ে লাইজু বেগমের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। লাইজু গত ছয় বছর ধরে প্রবাসে ছিলেন। স্বামীর অনুমতি ছাড়াই বিদেশে যাওয়ায় পারিবারিক কলহ শুরু হয়। এর জেরে চলতি বছরের ২৫ জুলাই তাদের বিচ্ছেদ হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, তালাকের পর থেকেই জয়কে হত্যার পরিকল্পনা করতে থাকেন লাইজু। রোববার সন্ধ্যায় তিনি মেয়ে দেখার কথা বলে জয়কে উতসীতলায় ডাকেন। রাত পৌঁনে ৯টার দিকে জয় পৌঁছালে লাইজু ও ওঁৎপেতে থাকা ছয় থেকে আটজন কিশোর গ্যাং তাকে মারধর করে। স্থানীয় এক ব্যক্তির উপস্থিতিতে তারা হত্যা করতে ব্যর্থ হলেও জয় গুরুতর আহত হন। এ সময় কিশোর গ্যাং সদস্য সাকিলকে ধরে ফেলে জয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাকিলকে আটক করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল পরিকল্পনাকারী লাইজু বেগম ও ভাড়াটিয়া গ্যাং সদস্য রাকিবুল ইসলাম ও অলি হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার সকালে জয় বাদি হয়ে লাইজুকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ভুক্তভোগী ফরহাদ ইসলাম জয় বলেন, ‘লাইজুর পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা আমার ওপর হামলা চালায়। তারা আমার মোবাইল ফোন ও নগদ ১৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।’

আমতলী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বামীকে হত্যা করতে কিশোর গ্যাং ভাড়া, স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বরগুনার আমতলীতে সাবেক স্বামী ফরহাদ ইসলাম জয়কে হত্যার উদ্দেশ্যে কিশোর গ্যাং ভাড়া করার অভিযোগে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী লাইজু বেগমসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার বিকেলে তাদের আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক মো. ইফতি হাসান ইমরান জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঘটনাটি ঘটে রোববার রাত ৯টার দিকে উপজেলার উতসীতলা এলাকায়।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে পূর্ব কুকুয়া গ্রামের লতিফ মুসুল্লীর ছেলে ফরহাদ ইসলাম জয় ও হরিমৃত্যুঞ্জয় গ্রামের মোস্তফা কাজীর মেয়ে লাইজু বেগমের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। লাইজু গত ছয় বছর ধরে প্রবাসে ছিলেন। স্বামীর অনুমতি ছাড়াই বিদেশে যাওয়ায় পারিবারিক কলহ শুরু হয়। এর জেরে চলতি বছরের ২৫ জুলাই তাদের বিচ্ছেদ হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, তালাকের পর থেকেই জয়কে হত্যার পরিকল্পনা করতে থাকেন লাইজু। রোববার সন্ধ্যায় তিনি মেয়ে দেখার কথা বলে জয়কে উতসীতলায় ডাকেন। রাত পৌঁনে ৯টার দিকে জয় পৌঁছালে লাইজু ও ওঁৎপেতে থাকা ছয় থেকে আটজন কিশোর গ্যাং তাকে মারধর করে। স্থানীয় এক ব্যক্তির উপস্থিতিতে তারা হত্যা করতে ব্যর্থ হলেও জয় গুরুতর আহত হন। এ সময় কিশোর গ্যাং সদস্য সাকিলকে ধরে ফেলে জয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাকিলকে আটক করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল পরিকল্পনাকারী লাইজু বেগম ও ভাড়াটিয়া গ্যাং সদস্য রাকিবুল ইসলাম ও অলি হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার সকালে জয় বাদি হয়ে লাইজুকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ভুক্তভোগী ফরহাদ ইসলাম জয় বলেন, ‘লাইজুর পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা আমার ওপর হামলা চালায়। তারা আমার মোবাইল ফোন ও নগদ ১৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।’

আমতলী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত চলছে।