ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সিনারকে হারিয়ে ইউএস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন আলকারাজ

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৬৪ বার পড়া হয়েছে

মানুষ, নাকি যন্ত্র? রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে কার্লোস আলকারাজের খেলা দেখতে বসে বার বার সেটাই মনে হচ্ছিল। কীভাবে কেউ এভাবে টেনিস খেলতে পারেন? বিশেষ করে উল্টোদিকে থাকা লোকটার নাম যখন ইয়ানিক সিনার। সেই সিনার, যিনি চলতি বছর চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যামেরই ফাইনালে উঠেছেন, জিতেছেন দু’টি। এমনকি এই ম্যাচে নামার আগেও বিশ্বের এক নম্বর ছিলেন তিনি।

সেই সিনার আলকারাজ নামের ধাঁধার সমাধান করতে পারলেন না। স্প্যানিশ আর্মাডায় ধ্বংস হয়ে গেল ইতালির দুর্গ। চার সেটের লড়াইয়ে সিনারকে হারিয়ে ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন হলেন আলকারাজ। সেটগুলোর ফলাফল- ৬-২, ৩-৬, ৬-১, ৬-৪। এই জয়ের ফলে সিনারকে টপকে আবার বিশ্বের এক নম্বর পুরুষ টেনিস খেলোয়াড় হয়েছেন আলকারাজ।

চলতি বছর চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের দু’টি জিতলেন আলকারাজ (ফরাসি ওপেন ও ইউএস ওপেন)। বাকি দু’টি সিনারের (অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও উইম্বলডন) দখলে। পুরুষদের সিঙ্গলসে শেষ ১১টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে ১০টি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন দুই তারকা। আলকারাজ ছ’টি। সিনার চারটি। যে কারণে দুই তারকার দ্বৈরথকে ‘সিন-কারাজ’ নামে ডাকা শুরু করেছেন টেনিসভক্তরা।

অবশ্য সেই লড়াই ইউএস ওপেনের ফাইনালে দেখা গেল না। কয়েক মাস আগে ফরাসি ওপেনের ফাইনালে সিনারের বিরুদ্ধে দু’টি ম্যাচ পয়েন্ট বাঁচিয়ে ফিরেছিলেন আলকারাজ। পাঁচ সেটের লড়াই জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তিনি। খেলা চলেছিল সাড়ে ৫ ঘণ্টা। দু’মাস আগে উইম্বলডনেও আলকারাজ প্রথম সেট জেতার পর টানা তিন সেট জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সিনার। সেই ম্যাচও ৩ ঘণ্টার বেশি হয়েছিল।

এ কারণে সবার আশা ছিল, সে রকম লড়াই আরও একবার দেখা যাবে। কিন্তু আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে সিনারের থেকে অনেকটা এগিয়ে ছিলেন আলকারাজ। ২ ঘণ্টা ৪২ মিনিটে খেলা শেষ করেছেন তিনি। এই ম্যাচে সিনারকে দেখে বোঝা যাচ্ছিল, নিজের সেরা ফিটনেসে নেই তিনি। চতুর্থ সেট যখন শুরু হচ্ছে, তখনও সমান চনমনে আলকারাজ। অন্যদিকে অনেকটাই ক্লান্ত ছিলেন সিনার।

স্পেন ও ইতালির লড়াইয়ের ইতিহাস বহু পুরনো। পঞ্চদশ শতকে ‘ইতালিয়ান ওয়ার’, বিংশ শতকে ‘স্প্যানিশ সিভিল ওয়ার’-এর সাক্ষী থেকেছে দুই দেশ। পরে সেই লড়াই গড়িয়েছে ফুটবলের মাঠে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল, ২০০৮ ইউরো কোয়ার্টার ফাইনাল, ২০১২ ইউরো ফাইনালে সেই ছবি দেখা গিয়েছে।

ফুটবল থেকে তা এখন সরে গিয়েছে টেনিসে। গত দু’বছর এই দুই তারকা দাপট দেখিয়েছেন। তবে মুখোমুখি সাক্ষাতে এগিয়ে আলকারাজ। ১৫বারের মধ্যে ১০বার জিতেছেন তিনি। তিন বছর আগে নিজের প্রথম ইউএস জেতার পথে কোয়ার্টার ফাইনালে সিনারকে হারিয়েছিলেন তিনি। এই গ্র্যান্ড স্ল্যামে এটি তাদের দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। সেখানেও বাজিমাত করলেন আলকারাজ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিনারকে হারিয়ে ইউএস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন আলকারাজ

আপডেট সময় : ১১:৫৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মানুষ, নাকি যন্ত্র? রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে কার্লোস আলকারাজের খেলা দেখতে বসে বার বার সেটাই মনে হচ্ছিল। কীভাবে কেউ এভাবে টেনিস খেলতে পারেন? বিশেষ করে উল্টোদিকে থাকা লোকটার নাম যখন ইয়ানিক সিনার। সেই সিনার, যিনি চলতি বছর চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যামেরই ফাইনালে উঠেছেন, জিতেছেন দু’টি। এমনকি এই ম্যাচে নামার আগেও বিশ্বের এক নম্বর ছিলেন তিনি।

সেই সিনার আলকারাজ নামের ধাঁধার সমাধান করতে পারলেন না। স্প্যানিশ আর্মাডায় ধ্বংস হয়ে গেল ইতালির দুর্গ। চার সেটের লড়াইয়ে সিনারকে হারিয়ে ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন হলেন আলকারাজ। সেটগুলোর ফলাফল- ৬-২, ৩-৬, ৬-১, ৬-৪। এই জয়ের ফলে সিনারকে টপকে আবার বিশ্বের এক নম্বর পুরুষ টেনিস খেলোয়াড় হয়েছেন আলকারাজ।

চলতি বছর চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের দু’টি জিতলেন আলকারাজ (ফরাসি ওপেন ও ইউএস ওপেন)। বাকি দু’টি সিনারের (অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও উইম্বলডন) দখলে। পুরুষদের সিঙ্গলসে শেষ ১১টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে ১০টি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন দুই তারকা। আলকারাজ ছ’টি। সিনার চারটি। যে কারণে দুই তারকার দ্বৈরথকে ‘সিন-কারাজ’ নামে ডাকা শুরু করেছেন টেনিসভক্তরা।

অবশ্য সেই লড়াই ইউএস ওপেনের ফাইনালে দেখা গেল না। কয়েক মাস আগে ফরাসি ওপেনের ফাইনালে সিনারের বিরুদ্ধে দু’টি ম্যাচ পয়েন্ট বাঁচিয়ে ফিরেছিলেন আলকারাজ। পাঁচ সেটের লড়াই জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তিনি। খেলা চলেছিল সাড়ে ৫ ঘণ্টা। দু’মাস আগে উইম্বলডনেও আলকারাজ প্রথম সেট জেতার পর টানা তিন সেট জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সিনার। সেই ম্যাচও ৩ ঘণ্টার বেশি হয়েছিল।

এ কারণে সবার আশা ছিল, সে রকম লড়াই আরও একবার দেখা যাবে। কিন্তু আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে সিনারের থেকে অনেকটা এগিয়ে ছিলেন আলকারাজ। ২ ঘণ্টা ৪২ মিনিটে খেলা শেষ করেছেন তিনি। এই ম্যাচে সিনারকে দেখে বোঝা যাচ্ছিল, নিজের সেরা ফিটনেসে নেই তিনি। চতুর্থ সেট যখন শুরু হচ্ছে, তখনও সমান চনমনে আলকারাজ। অন্যদিকে অনেকটাই ক্লান্ত ছিলেন সিনার।

স্পেন ও ইতালির লড়াইয়ের ইতিহাস বহু পুরনো। পঞ্চদশ শতকে ‘ইতালিয়ান ওয়ার’, বিংশ শতকে ‘স্প্যানিশ সিভিল ওয়ার’-এর সাক্ষী থেকেছে দুই দেশ। পরে সেই লড়াই গড়িয়েছে ফুটবলের মাঠে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল, ২০০৮ ইউরো কোয়ার্টার ফাইনাল, ২০১২ ইউরো ফাইনালে সেই ছবি দেখা গিয়েছে।

ফুটবল থেকে তা এখন সরে গিয়েছে টেনিসে। গত দু’বছর এই দুই তারকা দাপট দেখিয়েছেন। তবে মুখোমুখি সাক্ষাতে এগিয়ে আলকারাজ। ১৫বারের মধ্যে ১০বার জিতেছেন তিনি। তিন বছর আগে নিজের প্রথম ইউএস জেতার পথে কোয়ার্টার ফাইনালে সিনারকে হারিয়েছিলেন তিনি। এই গ্র্যান্ড স্ল্যামে এটি তাদের দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। সেখানেও বাজিমাত করলেন আলকারাজ।