ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

নিষিদ্ধ করায় প্রকাশ্যে গরুর মাংসের পার্টি করলেন ব্যাংক কর্মীরা (ভিডিও)

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের কেরালার কোচিতে ব্যাংকের ক্যান্টিনে গরুর মাংস নিষিদ্ধ করেছেন উপ-আঞ্চলিক পরিচালক। এর প্রতিবাদে ব্যাংকের সামনে গরুর মাংসের পার্টি করেছেন কর্মীরা।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার ভিন্নধর্মী এ প্রতিবাদের আয়োজন করেন ব্যাংক কর্মীরা। তারা পরোটা দিয়ে গরুর মাংস রান্না করে খান। যা কেরালার একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার।

জানা গেছে, কানারা নামের একটি ব্যাংকের উপ-আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে সম্প্রতি যোগ দেন আশ্বিনী কুমার নামে এক কর্মকর্তা। তিনি বিহার থেকে এখানে আসেন এবং এই শাখার দায়িত্ব নেন। এরপর ব্যাংকের ক্যান্টিনে গরুর মাংসে নিষেধাজ্ঞা দেন। এছাড়া কর্মীদের বিভিন্নভাবে হেনস্তাও করছিলেন তিনি।

ব্যাংকের এক কর্মী এনডিটিভিকে বলেছেন, প্রথমে তারা এ কর্মকর্তার হেনস্তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এরপর তারা জানতে পারেন তিনি ক্যান্টিনে গরুর মাংস নিষিদ্ধ করেছেন। এটি শুনে তারা তাদের প্রতিবাদের ধরণ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন।

ভারতীয় ব্যাংক কর্মী ফেডারেশনের এক নেতা বলেছেন, খাবার হলো এমন জিনিস যা ব্যক্তি নিজে বাছাই করবে। সংবিধানে এ অধিকার রক্ষিত আছে। তা সত্ত্বেও নতুন কর্মকর্তা এসে সাধারণ কর্মীদের খাবারের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করেছেন।

ব্যাংকটির কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি।

কেরালার রাজনৈতিক নেতারা ব্যাংক কর্মীদের ব্যতিক্রম প্রতিবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। রাজ্যটির স্বতন্ত্র সাংসদ কে টি জলিল ওই কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঠিক করবেন না কে কি পরবেন, খাবেন অথবা চিন্তা করবেন। কেরালায় বিজেপির আরএসএসের কোনো স্ক্যান্ডাল হবে না।”

“কেরালার মাটি হলো লাল। ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে লাল পতাকা না উড়িয়েই আমাদের কথা বলা ও প্রতিবাদ করতে দিন। কেউ আপনাকে কিছু করবে না। যখন কমিউনিস্টরা একত্রিত। তখন সহযোদ্ধারা কাউকে (মোদির বিজেপির) জাফরান রঙের পতাকা উড়াতে দেবে না, কাউকে বিরক্ত করতে দেবে না।”— ফেসবুকে বলেন এ কমিউনিস্ট নেতা।

কেরালার সংস্কৃতিতে গরুর মাংস একটি অপরিহার্য অংশ। ২০১৭ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার কসাইখানার জন্য গরু বেঁচাকেনা নিষিদ্ধ করে। তখন এ রাজ্য নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করেছিল।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিষিদ্ধ করায় প্রকাশ্যে গরুর মাংসের পার্টি করলেন ব্যাংক কর্মীরা (ভিডিও)

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারতের কেরালার কোচিতে ব্যাংকের ক্যান্টিনে গরুর মাংস নিষিদ্ধ করেছেন উপ-আঞ্চলিক পরিচালক। এর প্রতিবাদে ব্যাংকের সামনে গরুর মাংসের পার্টি করেছেন কর্মীরা।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার ভিন্নধর্মী এ প্রতিবাদের আয়োজন করেন ব্যাংক কর্মীরা। তারা পরোটা দিয়ে গরুর মাংস রান্না করে খান। যা কেরালার একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার।

জানা গেছে, কানারা নামের একটি ব্যাংকের উপ-আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে সম্প্রতি যোগ দেন আশ্বিনী কুমার নামে এক কর্মকর্তা। তিনি বিহার থেকে এখানে আসেন এবং এই শাখার দায়িত্ব নেন। এরপর ব্যাংকের ক্যান্টিনে গরুর মাংসে নিষেধাজ্ঞা দেন। এছাড়া কর্মীদের বিভিন্নভাবে হেনস্তাও করছিলেন তিনি।

ব্যাংকের এক কর্মী এনডিটিভিকে বলেছেন, প্রথমে তারা এ কর্মকর্তার হেনস্তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এরপর তারা জানতে পারেন তিনি ক্যান্টিনে গরুর মাংস নিষিদ্ধ করেছেন। এটি শুনে তারা তাদের প্রতিবাদের ধরণ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন।

ভারতীয় ব্যাংক কর্মী ফেডারেশনের এক নেতা বলেছেন, খাবার হলো এমন জিনিস যা ব্যক্তি নিজে বাছাই করবে। সংবিধানে এ অধিকার রক্ষিত আছে। তা সত্ত্বেও নতুন কর্মকর্তা এসে সাধারণ কর্মীদের খাবারের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করেছেন।

ব্যাংকটির কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি।

কেরালার রাজনৈতিক নেতারা ব্যাংক কর্মীদের ব্যতিক্রম প্রতিবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। রাজ্যটির স্বতন্ত্র সাংসদ কে টি জলিল ওই কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঠিক করবেন না কে কি পরবেন, খাবেন অথবা চিন্তা করবেন। কেরালায় বিজেপির আরএসএসের কোনো স্ক্যান্ডাল হবে না।”

“কেরালার মাটি হলো লাল। ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে লাল পতাকা না উড়িয়েই আমাদের কথা বলা ও প্রতিবাদ করতে দিন। কেউ আপনাকে কিছু করবে না। যখন কমিউনিস্টরা একত্রিত। তখন সহযোদ্ধারা কাউকে (মোদির বিজেপির) জাফরান রঙের পতাকা উড়াতে দেবে না, কাউকে বিরক্ত করতে দেবে না।”— ফেসবুকে বলেন এ কমিউনিস্ট নেতা।

কেরালার সংস্কৃতিতে গরুর মাংস একটি অপরিহার্য অংশ। ২০১৭ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার কসাইখানার জন্য গরু বেঁচাকেনা নিষিদ্ধ করে। তখন এ রাজ্য নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করেছিল।