ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

২০২৫ সালের এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স শিক্ষাক্রমের পরীক্ষার ফল প্রস্তুতিতে যেন কোনো ধরনের বিলম্ব বা জটিলতা না হয়, সে লক্ষ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফলাফল প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরীক্ষার্থীদের টিসি (থিওরি কন্টিনিউয়াস), পিসি (প্র্যাকটিক্যাল কন্টিনিউয়াস), পিএফ (পারফরম্যান্স ফিডব্যাক) ও আইএ (ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্ট) নম্বর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে এন্ট্রি করতে হবে। এ ছাড়া নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পরীক্ষার্থীদের হাজিরাশিটও বোর্ডে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৫ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে টিসি, পিসি ও পিএফ নম্বর অনলাইনে এন্ট্রি করতে হবে। এন্ট্রির কাজ শেষ হলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সেই তথ্য ডাউনলোড করে প্রিন্ট কপি আকারে সংরক্ষণ করতে হবে। অন্যদিকে, পরীক্ষার্থীদের হাজিরাশিট জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ আগস্ট থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত। এসব হাজিরাশিট বোর্ডের বিএমটি শাখায় সরাসরি জমা দিতে হবে।

বোর্ড আরও জানিয়েছে, আইএ নম্বর এন্ট্রির জন্য নির্ধারিত সময় ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই ক্ষেত্রেও অনলাইনে এন্ট্রি শেষে তথ্য ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য এন্ট্রি না করে কিংবা হাজিরাশিট জমা না দেয়, তাহলে তা সরাসরি ফলাফল প্রস্তুতিতে বাধা তৈরি করবে। এ ধরনের অবহেলার দায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকেই বহন করতে হবে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের মতে, সময়মতো এন্ট্রি ও দাখিল না হলে শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হবে, যা একদিকে যেমন পরীক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্ত করবে, অন্যদিকে বোর্ডের স্বাভাবিক কাজের গতিও ব্যাহত করবে।

তাই বোর্ডের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দ্রুত ও যথাযথভাবে এই কাজগুলো সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, যেকোনো বিভ্রান্তি বা গাফিলতির কারণে যাতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত বিপন্ন না হয়, সেটি মাথায় রেখে যথাসময়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়?

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

২০২৫ সালের এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স শিক্ষাক্রমের পরীক্ষার ফল প্রস্তুতিতে যেন কোনো ধরনের বিলম্ব বা জটিলতা না হয়, সে লক্ষ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফলাফল প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরীক্ষার্থীদের টিসি (থিওরি কন্টিনিউয়াস), পিসি (প্র্যাকটিক্যাল কন্টিনিউয়াস), পিএফ (পারফরম্যান্স ফিডব্যাক) ও আইএ (ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্ট) নম্বর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে এন্ট্রি করতে হবে। এ ছাড়া নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পরীক্ষার্থীদের হাজিরাশিটও বোর্ডে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৫ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে টিসি, পিসি ও পিএফ নম্বর অনলাইনে এন্ট্রি করতে হবে। এন্ট্রির কাজ শেষ হলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সেই তথ্য ডাউনলোড করে প্রিন্ট কপি আকারে সংরক্ষণ করতে হবে। অন্যদিকে, পরীক্ষার্থীদের হাজিরাশিট জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ আগস্ট থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত। এসব হাজিরাশিট বোর্ডের বিএমটি শাখায় সরাসরি জমা দিতে হবে।

বোর্ড আরও জানিয়েছে, আইএ নম্বর এন্ট্রির জন্য নির্ধারিত সময় ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই ক্ষেত্রেও অনলাইনে এন্ট্রি শেষে তথ্য ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য এন্ট্রি না করে কিংবা হাজিরাশিট জমা না দেয়, তাহলে তা সরাসরি ফলাফল প্রস্তুতিতে বাধা তৈরি করবে। এ ধরনের অবহেলার দায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকেই বহন করতে হবে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের মতে, সময়মতো এন্ট্রি ও দাখিল না হলে শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হবে, যা একদিকে যেমন পরীক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্ত করবে, অন্যদিকে বোর্ডের স্বাভাবিক কাজের গতিও ব্যাহত করবে।

তাই বোর্ডের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দ্রুত ও যথাযথভাবে এই কাজগুলো সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, যেকোনো বিভ্রান্তি বা গাফিলতির কারণে যাতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত বিপন্ন না হয়, সেটি মাথায় রেখে যথাসময়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।