ঢাকা ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বিভিন্ন দেশে অস্ত্র কারখানা গড়ে তুলেছে ইরান, জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

ইরান বেশ কয়েকটি দেশে অস্ত্র তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছে, এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ। 

তবে কোন কোন দেশে এসব কারখানা স্থাপন করা হয়েছে, তা তিনি জানাননি।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নাসিরজাদেহ বলেন, ‘আমরা কয়েকটি দেশে অস্ত্র কারখানা স্থাপন করেছি। তবে এখনই নাম প্রকাশ করছি না।’

তিনি বলেন, ‘গত এক বছরে ইরান নতুন ধরনের উন্নত ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য ওয়ারহেড পরীক্ষা করেছে।’

এমন সময়ে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই মন্তব্য এল, যখন বৃহস্পতিবার ইরানের নৌবাহিনী ওমান উপসাগর ও উত্তর ভারত মহাসাগরে বৃহৎ সামরিক মহড়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের লক্ষ্যবস্তুতে ক্রুজ মিসাইল পরীক্ষা চালায়। এর আগে গত মাসে ইরান ও রাশিয়া যৌথভাবে কাসারেক্স ২০২৫ নামে মহড়া করেছিল কাস্পিয়ান সাগরে।

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, গত জুনে ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাত যদি ১৫ দিন স্থায়ী হতো, তবে শেষ তিন দিনে ইসরাইল কোনো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে পারত না। এ কারণেই ইসরাইল শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ইরান এ যুদ্ধে তাদের সবচেয়ে নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র ‘কাসেম বাসির’ ব্যবহারই করেনি। এ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার, সঙ্গে উন্নত গাইডেন্স ও প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রযুক্তি রয়েছে।

নাসিরজাদেহ বলেন, যুদ্ধের শুরুর দিকে প্রায় ৪০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র আটকানো হলেও শেষ দিকে ৯০ শতাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। তার দাবি, এটি প্রমাণ করে ইরানের অভিজ্ঞতা যেমন বাড়ছিল, তেমনি ইসরাইলেল প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ক্রমেই দুর্বল হচ্ছিল।

তবে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, ১২ দিনের যুদ্ধে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার সাফল্যের হার ছিল প্রায় ৯০ শতাংশ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিভিন্ন দেশে অস্ত্র কারখানা গড়ে তুলেছে ইরান, জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

ইরান বেশ কয়েকটি দেশে অস্ত্র তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছে, এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ। 

তবে কোন কোন দেশে এসব কারখানা স্থাপন করা হয়েছে, তা তিনি জানাননি।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নাসিরজাদেহ বলেন, ‘আমরা কয়েকটি দেশে অস্ত্র কারখানা স্থাপন করেছি। তবে এখনই নাম প্রকাশ করছি না।’

তিনি বলেন, ‘গত এক বছরে ইরান নতুন ধরনের উন্নত ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য ওয়ারহেড পরীক্ষা করেছে।’

এমন সময়ে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই মন্তব্য এল, যখন বৃহস্পতিবার ইরানের নৌবাহিনী ওমান উপসাগর ও উত্তর ভারত মহাসাগরে বৃহৎ সামরিক মহড়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের লক্ষ্যবস্তুতে ক্রুজ মিসাইল পরীক্ষা চালায়। এর আগে গত মাসে ইরান ও রাশিয়া যৌথভাবে কাসারেক্স ২০২৫ নামে মহড়া করেছিল কাস্পিয়ান সাগরে।

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, গত জুনে ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাত যদি ১৫ দিন স্থায়ী হতো, তবে শেষ তিন দিনে ইসরাইল কোনো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে পারত না। এ কারণেই ইসরাইল শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ইরান এ যুদ্ধে তাদের সবচেয়ে নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র ‘কাসেম বাসির’ ব্যবহারই করেনি। এ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার, সঙ্গে উন্নত গাইডেন্স ও প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রযুক্তি রয়েছে।

নাসিরজাদেহ বলেন, যুদ্ধের শুরুর দিকে প্রায় ৪০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র আটকানো হলেও শেষ দিকে ৯০ শতাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। তার দাবি, এটি প্রমাণ করে ইরানের অভিজ্ঞতা যেমন বাড়ছিল, তেমনি ইসরাইলেল প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ক্রমেই দুর্বল হচ্ছিল।

তবে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, ১২ দিনের যুদ্ধে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার সাফল্যের হার ছিল প্রায় ৯০ শতাংশ।