ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও সুখরঞ্জন বালি


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন শাখায় উপস্থিত হয়ে তিনি এ অভিযোগ দায়ের করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তামিম বলেন, তিনি চিফ প্রসিকিউটর অফিসে অভিযোগ দাখিল করতে আসেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তাকে অপহরণ করে আটকে রাখা হয়েছিল, গুম ও নির্যাতন করা হয় এবং দীর্ঘদিন ভারতের  কারাগারে তাকে আটক রাখা হয়েছিল।

সুখরঞ্জন বালি ছিলেন সাঈদী মামলার রাষ্ট্রপক্ষের একজন সাক্ষী। ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে এসে তিনি আদালতে সাঈদীর পক্ষে বক্তব্য দেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি আদালত চত্বর থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। পরে, তাকে ভারতের একটি কারাগারে পাওয়া যায় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

অনেক দিন নিখোঁজ থাকার পর তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এরপর দীর্ঘ সময় পর তিনি প্রকাশ্যে এসে নিজের অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করলেন।

তার অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে তাকে অপহরণ, আটকে রাখা ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। তিনি মনে করেন, এ ঘটনায় আইনি প্রতিকার পাওয়ার অধিকার রয়েছে তার।

তিনি প্রসিকিউশন অফিসে এ সংক্রান্ত পুরো বিবরণসহ লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই শেষে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা—তা এখন ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে এই মামলাকে কেন্দ্র করে সাক্ষী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি তখন আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:১৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও সুখরঞ্জন বালি


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন শাখায় উপস্থিত হয়ে তিনি এ অভিযোগ দায়ের করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তামিম বলেন, তিনি চিফ প্রসিকিউটর অফিসে অভিযোগ দাখিল করতে আসেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তাকে অপহরণ করে আটকে রাখা হয়েছিল, গুম ও নির্যাতন করা হয় এবং দীর্ঘদিন ভারতের  কারাগারে তাকে আটক রাখা হয়েছিল।

সুখরঞ্জন বালি ছিলেন সাঈদী মামলার রাষ্ট্রপক্ষের একজন সাক্ষী। ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে এসে তিনি আদালতে সাঈদীর পক্ষে বক্তব্য দেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি আদালত চত্বর থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। পরে, তাকে ভারতের একটি কারাগারে পাওয়া যায় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

অনেক দিন নিখোঁজ থাকার পর তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এরপর দীর্ঘ সময় পর তিনি প্রকাশ্যে এসে নিজের অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করলেন।

তার অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে তাকে অপহরণ, আটকে রাখা ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। তিনি মনে করেন, এ ঘটনায় আইনি প্রতিকার পাওয়ার অধিকার রয়েছে তার।

তিনি প্রসিকিউশন অফিসে এ সংক্রান্ত পুরো বিবরণসহ লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই শেষে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা—তা এখন ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে এই মামলাকে কেন্দ্র করে সাক্ষী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি তখন আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।