ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছেন, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া দুই দেশই সীমান্ত সংঘর্ষ নিরসনে ‘তাৎক্ষণিক ও শর্তহীন’ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

সোমবার মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় আনোয়ারের সরকারি বাসভবনে থাইল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম ওয়েচায়াচাই ও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের মধ্যে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠক শেষে আনোয়ার বলেন, আমরা খুবই ইতিবাচক অগ্রগতি দেখেছি, যা কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের জন্য শুভ বার্তা বয়ে আনবে।

তিনি জানান, উভয় দেশই ২৮ জুলাই মধ্যরাত থেকে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

আনোয়ার আরও বলেন, এটি উত্তেজনা প্রশমন ও শান্তি-নিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

মালয়েশিয়ান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের রাষ্ট্রদূতরাও উপস্থিত ছিলেন।

আনোয়ার বলেন, যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে মালয়েশিয়া নিবিড়ভাবে যোগাযোগ রাখছে এবং এ প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা নেতৃত্বের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ হয়েছে।

উল্লেখ্য, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন এবং ২৭০,০০০-এর বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এর আগে সোমবার এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্টে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত জানান, থাইল্যান্ডের সঙ্গে সংঘর্ষে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি অর্জনই এ বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য।

তবে ব্যাংকক ছাড়ার আগে থাই প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম সাংবাদিকদের বলেন, কম্বোডিয়ার কার্যক্রম দেখে আমাদের মনে হয় না তারা আন্তরিকতার সঙ্গে এগোচ্ছে। তাদের সদিচ্ছা দেখাতে হবে এবং বৈঠকে আমরা তা পর্যবেক্ষণ করব।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছেন, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া দুই দেশই সীমান্ত সংঘর্ষ নিরসনে ‘তাৎক্ষণিক ও শর্তহীন’ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

সোমবার মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় আনোয়ারের সরকারি বাসভবনে থাইল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম ওয়েচায়াচাই ও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের মধ্যে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠক শেষে আনোয়ার বলেন, আমরা খুবই ইতিবাচক অগ্রগতি দেখেছি, যা কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের জন্য শুভ বার্তা বয়ে আনবে।

তিনি জানান, উভয় দেশই ২৮ জুলাই মধ্যরাত থেকে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

আনোয়ার আরও বলেন, এটি উত্তেজনা প্রশমন ও শান্তি-নিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

মালয়েশিয়ান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের রাষ্ট্রদূতরাও উপস্থিত ছিলেন।

আনোয়ার বলেন, যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে মালয়েশিয়া নিবিড়ভাবে যোগাযোগ রাখছে এবং এ প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা নেতৃত্বের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ হয়েছে।

উল্লেখ্য, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন এবং ২৭০,০০০-এর বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এর আগে সোমবার এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্টে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত জানান, থাইল্যান্ডের সঙ্গে সংঘর্ষে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি অর্জনই এ বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য।

তবে ব্যাংকক ছাড়ার আগে থাই প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম সাংবাদিকদের বলেন, কম্বোডিয়ার কার্যক্রম দেখে আমাদের মনে হয় না তারা আন্তরিকতার সঙ্গে এগোচ্ছে। তাদের সদিচ্ছা দেখাতে হবে এবং বৈঠকে আমরা তা পর্যবেক্ষণ করব।