ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

শেখ পালিয়েছিল পাকিস্তানে, শেখের বেটি পালিয়েছে ভারতে: পাটওয়ারী

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, শেখ পালিয়েছিল পাকিস্তানে, শেখের বেটি পালিয়েছে ভারতে। এই শেখের বেটি বাংলাদেশকে ছারখার করার জন্য গোপালগঞ্জের নাম ব্যবহার করেছে। খোঁজ নিয়েছি, শেখের বেটির পাশের বাড়ির লোকের জীবনমানের কোনো উন্নতি হয়নি। বাস্তবিক ক্ষেত্রে তাদের নাম ব্যবহার হয়েছে সবখানে, কিন্তু গোপালগঞ্জবাসীও বৈষম্যের শিকার হয়েছে। আর এই বৈষম্যের শিকার হয়েছেন শেখের বেটি হাসিনার দ্বারা।

এনসিপির এই নেতা বলেন, শেখের বেটিকে আমরা ভারতে পাঠিয়ে দিয়েছি। গোপালগঞ্জবাসীর আর ভয় নাই। শেখ পরিবার দ্বারা যারা নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তাদের ভয় নাই। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের জন্য পদযাত্রা করছি, আপনাদের দুয়ারে হাজির হয়েছি। আমরা রাজনৈতিক দল গঠন করেছি। শেখের বেটি, শেখের নামে যে রাজনীতি হয়েছে, পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি হয়েছে, তা থেকে বের হয়ে আমরা ভালোবেসে নতুন একটি বাংলাদেশ গঠনের অভিপ্রায়ে বাংলাদেশ গড়তে চাচ্ছি। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গোপালগঞ্জ ও বগুড়া দুইটি জেলার অবদান যেমন রয়েছে, তেমনি বৈষম্যের ক্ষেত্রেও তাদের নাম রয়েছে। আমরা ব্যক্তির রাজনীতি করতে চাই না। বগুড়া, ফেনী, গোপালগঞ্জের রাজনীতিও করতে চাই না। আমরা বাংলাদেশের রাজনীতি করতে চাই। তাই আমি আহ্বান জানাচ্ছি, বগুড়া, গোপালগঞ্জবাসীকে এনিসপির ছায়াতলে আসার জন্য।

এদিকে সমাবেশ শুরুর আগে সেখানে হামলা চালায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ। এ নিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, আমাদের এখানে হামলা হয়েছে। পুলিশ নির্ভীকভাবে দাঁড়িয়েছিল। এসব নাটক আমরা হাসিনা আমলেও দেখেছি। নতুন বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আমরা এ ধরনের নাটক দেখতে চাই না।

এর আগে দুপুর ২টার দিকে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা জেলার পৌরপার্ক এলাকায় আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে পৌঁছেছেন। এখন তারা একে একে দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিচ্ছেন।

সমাবেশে এসে উপস্থিত হয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের সংগঠক সারজিস আলাম, ডা. তাসনিম জারাসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানের মধ্যে দিয়ে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাদের স্বাগত জানান।

তবে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমাবেশ স্থলে পৌঁছানোর আগে এনসিপির মঞ্চে হামলার ঘটনা ঘটে। এদিন দুপুর ১টা ৩৫ মনিটের দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে এ হামলা চালানো হয়। এ সময় সমাবেশের মঞ্চে থাকা সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার ভাঙচুরসহ উপস্থিত এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হয়।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মির মো. সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেখ পালিয়েছিল পাকিস্তানে, শেখের বেটি পালিয়েছে ভারতে: পাটওয়ারী

আপডেট সময় : ০৫:২২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, শেখ পালিয়েছিল পাকিস্তানে, শেখের বেটি পালিয়েছে ভারতে। এই শেখের বেটি বাংলাদেশকে ছারখার করার জন্য গোপালগঞ্জের নাম ব্যবহার করেছে। খোঁজ নিয়েছি, শেখের বেটির পাশের বাড়ির লোকের জীবনমানের কোনো উন্নতি হয়নি। বাস্তবিক ক্ষেত্রে তাদের নাম ব্যবহার হয়েছে সবখানে, কিন্তু গোপালগঞ্জবাসীও বৈষম্যের শিকার হয়েছে। আর এই বৈষম্যের শিকার হয়েছেন শেখের বেটি হাসিনার দ্বারা।

এনসিপির এই নেতা বলেন, শেখের বেটিকে আমরা ভারতে পাঠিয়ে দিয়েছি। গোপালগঞ্জবাসীর আর ভয় নাই। শেখ পরিবার দ্বারা যারা নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তাদের ভয় নাই। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের জন্য পদযাত্রা করছি, আপনাদের দুয়ারে হাজির হয়েছি। আমরা রাজনৈতিক দল গঠন করেছি। শেখের বেটি, শেখের নামে যে রাজনীতি হয়েছে, পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি হয়েছে, তা থেকে বের হয়ে আমরা ভালোবেসে নতুন একটি বাংলাদেশ গঠনের অভিপ্রায়ে বাংলাদেশ গড়তে চাচ্ছি। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গোপালগঞ্জ ও বগুড়া দুইটি জেলার অবদান যেমন রয়েছে, তেমনি বৈষম্যের ক্ষেত্রেও তাদের নাম রয়েছে। আমরা ব্যক্তির রাজনীতি করতে চাই না। বগুড়া, ফেনী, গোপালগঞ্জের রাজনীতিও করতে চাই না। আমরা বাংলাদেশের রাজনীতি করতে চাই। তাই আমি আহ্বান জানাচ্ছি, বগুড়া, গোপালগঞ্জবাসীকে এনিসপির ছায়াতলে আসার জন্য।

এদিকে সমাবেশ শুরুর আগে সেখানে হামলা চালায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ। এ নিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, আমাদের এখানে হামলা হয়েছে। পুলিশ নির্ভীকভাবে দাঁড়িয়েছিল। এসব নাটক আমরা হাসিনা আমলেও দেখেছি। নতুন বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আমরা এ ধরনের নাটক দেখতে চাই না।

এর আগে দুপুর ২টার দিকে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা জেলার পৌরপার্ক এলাকায় আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে পৌঁছেছেন। এখন তারা একে একে দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিচ্ছেন।

সমাবেশে এসে উপস্থিত হয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের সংগঠক সারজিস আলাম, ডা. তাসনিম জারাসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানের মধ্যে দিয়ে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাদের স্বাগত জানান।

তবে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমাবেশ স্থলে পৌঁছানোর আগে এনসিপির মঞ্চে হামলার ঘটনা ঘটে। এদিন দুপুর ১টা ৩৫ মনিটের দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে এ হামলা চালানো হয়। এ সময় সমাবেশের মঞ্চে থাকা সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার ভাঙচুরসহ উপস্থিত এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হয়।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মির মো. সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।