ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধরা হলেন— রিপন (৪০), তার স্ত্রী ইতি (৩০) ও তাদের তিন বছর বয়সি মেয়ে রাফিয়া।

বুধবার (৯ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক সড়ক খাদিমুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা গলির একটি ছয়তলা বাড়ির নিচতলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে তিনজনকেই আগুনে ঝলসানো অবস্থায় ঘরে পড়ে থাকতে দেখেন প্রতিবেশীরা। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দগ্ধরা এখন ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

রিপনের প্রতিবেশী তাসলিমা মনি বলেন, রাত পৌনে ২টার দিকে বিকট একটি শব্দ পাই। ছুটে গিয়ে গিয়ে দেখি, ঘরের দরজা-জানালা ভেঙে গেছে। পরিবারটির তিনজনের শরীর আগুনে ঝলসানো। তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

মনি আরও বলেন, মশার কয়েল জ্বালানোর সময় এই বিস্ফোরণ ঘটে। মনে হচ্ছে লিকেজের কারণে গ্যাস জমে ছিল।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, রিপনের শরীরের ৭০ শতাংশ, ইতির ৪৫ আর শিশুটির ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আপলোডকারীর তথ্য

অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ

আপডেট সময় : ০২:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধরা হলেন— রিপন (৪০), তার স্ত্রী ইতি (৩০) ও তাদের তিন বছর বয়সি মেয়ে রাফিয়া।

বুধবার (৯ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক সড়ক খাদিমুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা গলির একটি ছয়তলা বাড়ির নিচতলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে তিনজনকেই আগুনে ঝলসানো অবস্থায় ঘরে পড়ে থাকতে দেখেন প্রতিবেশীরা। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দগ্ধরা এখন ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

রিপনের প্রতিবেশী তাসলিমা মনি বলেন, রাত পৌনে ২টার দিকে বিকট একটি শব্দ পাই। ছুটে গিয়ে গিয়ে দেখি, ঘরের দরজা-জানালা ভেঙে গেছে। পরিবারটির তিনজনের শরীর আগুনে ঝলসানো। তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

মনি আরও বলেন, মশার কয়েল জ্বালানোর সময় এই বিস্ফোরণ ঘটে। মনে হচ্ছে লিকেজের কারণে গ্যাস জমে ছিল।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, রিপনের শরীরের ৭০ শতাংশ, ইতির ৪৫ আর শিশুটির ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।