ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ছুরিকাঘাতে ঢাবি ছাত্রদল নেতা সাম্য নিহত

দুর্বৃদের ছুরিকাঘাতে মারা গেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহরিয়ার আলম সাম্য। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৩ মে) রাত সাড়ে ১২টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

এ ঘটনায় সাম্যের সঙ্গে থাকা একই ইনস্টিটিউট ও শিক্ষাবর্ষের বায়েজিদ ও রাফিও ছুরিকাঘাতে আহত হন।

বায়েজিদ কালবেলাকে বলেন, রাত বারোটার দিকে আমরা তিন বন্ধু মিলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কালী মন্দির সংলগ্ন গেটের পাশে অবস্থিত ক্যান্টিনে আড্ডা শেষে বের হয়ে আসছিলাম। এসময় ৮-১০ জনের একটি দল আমাদের ওপর হামলা করে। তাদের ছুরির আঘাতে সাম্যের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। মেডিকেলে আনা হলে সে মারা যায়।

তিনি বলেন, তাদের মধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু পরে শুনি তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ওসি খালিদ মুনসুর কালবেলাকে বলেন, ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। কে ঢামেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এর মধ্যে তিনি মারা যান। আমরা এ বিষয় নিয়ে তদন্ত করছি।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছুরিকাঘাতে ঢাবি ছাত্রদল নেতা সাম্য নিহত

আপডেট সময় : ০২:০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

দুর্বৃদের ছুরিকাঘাতে মারা গেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহরিয়ার আলম সাম্য। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৩ মে) রাত সাড়ে ১২টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

এ ঘটনায় সাম্যের সঙ্গে থাকা একই ইনস্টিটিউট ও শিক্ষাবর্ষের বায়েজিদ ও রাফিও ছুরিকাঘাতে আহত হন।

বায়েজিদ কালবেলাকে বলেন, রাত বারোটার দিকে আমরা তিন বন্ধু মিলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কালী মন্দির সংলগ্ন গেটের পাশে অবস্থিত ক্যান্টিনে আড্ডা শেষে বের হয়ে আসছিলাম। এসময় ৮-১০ জনের একটি দল আমাদের ওপর হামলা করে। তাদের ছুরির আঘাতে সাম্যের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। মেডিকেলে আনা হলে সে মারা যায়।

তিনি বলেন, তাদের মধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু পরে শুনি তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ওসি খালিদ মুনসুর কালবেলাকে বলেন, ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। কে ঢামেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এর মধ্যে তিনি মারা যান। আমরা এ বিষয় নিয়ে তদন্ত করছি।