ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দিল্লির রাজপথে বিরোধীদের শক্তি প্রদর্শন, চাপে মোদি সরকার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন রামলীলা ময়দানের সমাবেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনীতিতে কী বার্তা দিচ্ছে? ২ নভেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? মাদরাসার গভর্নিং বডি বাতিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি

মাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন ডা. জুবাইদা

অসুস্থ মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতে যান তিনি।

এর আগে সকালে শাশুড়ি বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশে ফেরেন ডা. জুবাইদা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন তিনি।

জানা গেছে, ডা. জুবাইদা রহমানের মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেশে ফিরে শাশুড়ির সঙ্গে ফিরোজায় যান ডা. জুবাইদা। সেখান থেকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে একটি প্রাইভেটকারে করে স্কয়ারে আসেন।

মায়ের সঙ্গে দেখা করে ডা. জুবাইদা রহমান নিজ বাসভবন ‘মাহবুব ভবনে’ যাবেন বলে জানা গেছে।

‘মাহবুব ভবন’ নামে পরিচিত বাড়িটি তার প্রয়াত বাবা সাবেক নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বেগম খালেদা জিয়াকে বহনকারী কাতার আমিরের বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ওই বিমানে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশে ফিরেছেন তার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান ও প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান।

২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি তার স্বামী তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনের উদ্দেশে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন।

মূলত এর পর থেকে একে একে ১৭টি বছর প্রবাসজীবন কাটালেও একবারের জন্য দেশে ফিরতে পারেননি তিনি। স্বামী ও একমাত্র সন্তান জায়মা রহমানকে নিয়ে দীর্ঘদিন লন্ডনে বসবাস করছিলেন জোবাইদা রহমান।

২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এবং শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় ২০২৩ সালের এক রায়ে ঢাকার একটি আদালত জোবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আদালতের দেওয়া ওই সাজা স্থগিত হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লির রাজপথে বিরোধীদের শক্তি প্রদর্শন, চাপে মোদি সরকার

মাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন ডা. জুবাইদা

আপডেট সময় : ০৭:১৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

অসুস্থ মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতে যান তিনি।

এর আগে সকালে শাশুড়ি বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশে ফেরেন ডা. জুবাইদা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন তিনি।

জানা গেছে, ডা. জুবাইদা রহমানের মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেশে ফিরে শাশুড়ির সঙ্গে ফিরোজায় যান ডা. জুবাইদা। সেখান থেকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে একটি প্রাইভেটকারে করে স্কয়ারে আসেন।

মায়ের সঙ্গে দেখা করে ডা. জুবাইদা রহমান নিজ বাসভবন ‘মাহবুব ভবনে’ যাবেন বলে জানা গেছে।

‘মাহবুব ভবন’ নামে পরিচিত বাড়িটি তার প্রয়াত বাবা সাবেক নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বেগম খালেদা জিয়াকে বহনকারী কাতার আমিরের বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ওই বিমানে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশে ফিরেছেন তার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান ও প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান।

২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি তার স্বামী তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনের উদ্দেশে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন।

মূলত এর পর থেকে একে একে ১৭টি বছর প্রবাসজীবন কাটালেও একবারের জন্য দেশে ফিরতে পারেননি তিনি। স্বামী ও একমাত্র সন্তান জায়মা রহমানকে নিয়ে দীর্ঘদিন লন্ডনে বসবাস করছিলেন জোবাইদা রহমান।

২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এবং শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় ২০২৩ সালের এক রায়ে ঢাকার একটি আদালত জোবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আদালতের দেওয়া ওই সাজা স্থগিত হয়।