ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: আসামিদের খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:১২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
  • ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় আদালত কর্তৃক আসামিদের খালাস দেওয়ার বিরুদ্ধে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এই মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ অন্যান্য আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে এ আপিল করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ মার্চ) রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আপিল বিভাগের কার্যতালিকায়ও বিষয়টি স্থান পেয়েছে।

এর আগে, গত ১২ জানুয়ারি, হাইকোর্ট একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামিদের খালাস দেন। আদালতের দুই বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ ওই রায় ঘোষণা করেন, যেখানে আদালত জানিয়েছে, এই মামলার বিচার ছিল অবৈধ এবং চার্জশিটের ভিত্তিতে নিম্ন আদালত রায় দিয়েছিল যা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য ছিল না।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন এবং শেখ হাসিনাসহ কয়েকশত নেতাকর্মী আহত হন। এই হামলার ঘটনার পর ২০১৮ সালে বিচারিক আদালত ১৯ জনকে ফাঁসি এবং ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। পরবর্তীতে এই রায় হাইকোর্টে এসে পৌঁছানোর পর হাইকোর্টের বেঞ্চ আসামিদের খালাস দেয়।

তবে রাষ্ট্রপক্ষ মনে করছে, এই রায় ভুল এবং তাই এটি পুনর্বিবেচনা করা উচিত। আদালত কর্তৃক খালাস পাওয়া আসামিদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ, মাওলানা তাজউদ্দীনসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আছেন।

এদিকে, মামলার শুনানির পরবর্তী পর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল আদেশের ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: আসামিদের খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল

আপডেট সময় : ১১:১২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় আদালত কর্তৃক আসামিদের খালাস দেওয়ার বিরুদ্ধে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এই মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ অন্যান্য আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে এ আপিল করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ মার্চ) রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আপিল বিভাগের কার্যতালিকায়ও বিষয়টি স্থান পেয়েছে।

এর আগে, গত ১২ জানুয়ারি, হাইকোর্ট একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামিদের খালাস দেন। আদালতের দুই বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ ওই রায় ঘোষণা করেন, যেখানে আদালত জানিয়েছে, এই মামলার বিচার ছিল অবৈধ এবং চার্জশিটের ভিত্তিতে নিম্ন আদালত রায় দিয়েছিল যা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য ছিল না।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন এবং শেখ হাসিনাসহ কয়েকশত নেতাকর্মী আহত হন। এই হামলার ঘটনার পর ২০১৮ সালে বিচারিক আদালত ১৯ জনকে ফাঁসি এবং ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। পরবর্তীতে এই রায় হাইকোর্টে এসে পৌঁছানোর পর হাইকোর্টের বেঞ্চ আসামিদের খালাস দেয়।

তবে রাষ্ট্রপক্ষ মনে করছে, এই রায় ভুল এবং তাই এটি পুনর্বিবেচনা করা উচিত। আদালত কর্তৃক খালাস পাওয়া আসামিদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ, মাওলানা তাজউদ্দীনসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আছেন।

এদিকে, মামলার শুনানির পরবর্তী পর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল আদেশের ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।