ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন ট্রাম্প!

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে এবার বিস্ফেরক মন্তব্য করে হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেন নয়, মূল যুদ্ধটা করছে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা- ন্যাটো।

তিনি আইরিশ প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিনের সঙ্গে এক বৈঠকে এই তথ্য জানান। এ সময় ট্রাম্প বলেন, ২০১৭-২০২১ সাল পর্যন্ত  আমার প্রথম মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলি তার চাপের কাছে নতি স্বীকার করে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি করতে শুরু করে।

তিনি আরো বলেন, তহবিলে কোটি কোটি ডলার অর্থ এসেছে এবং ন্যাটো আরো শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এখন ন্যাটো সেই অর্থের বিরাট অংশ ব্যয় করে এইসব ভয়াবহ যুদ্ধে লড়াই করছে। এটা খুবই একটা খারাপ কাজ করছে ন্যাটো। খবর তাসের।

ন্যাটোতে আমেরিকার ভবিষ্যৎ কী জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটোকে আমাদের সঙ্গে ন্যায্য আচরণ করতে হবে। তাদের যা করার কথা তা করতে হবে।

ট্রাম্প ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বলেন, আপনারা যদি ধার্য্য টাকা পরিশোধ করতে না চান, তাহলে আমরা ন্যাটোর সঙ্গে আর থাকব না।

ন্যাটোর বিরুদ্ধে ট্রাম্প এমন সময় বোমা ফাটালেন, যখন মস্কো বারবার বলে যাচ্ছে যে- পশ্চিমারা সম্মিলিতভাবে ইউক্রেনের হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, ন্যাটোর সদস্য দেশগুলিকে ট্রাম্প তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় দেশগুলোর জিডিপির ৫ শতাংশের সমান বৃদ্ধি করার জন্য চাপ দিচ্ছেন।

এর আগে, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়েলসে এক শীর্ষ সম্মেলনে, জোট সদস্যদের জন্য সামরিক ব্যয় জিডিপির ২ শতাংশের সমান করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যা রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানের কারণে বেড়ে গেছে।

রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখলের পর থেকে ন্যাটোতে তহবিল বাড়তে থাকে। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ভিলনিয়াসে জোটের শীর্ষ সম্মেলনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল জিডিপির ২ শতাংশ ন্যাটো রাষ্ট্রগুলির জন্য প্রতিরক্ষা ব্যয়ের সর্বনিম্ন স্তর হওয়া উচিত।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন ট্রাম্প!

আপডেট সময় : ১০:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে এবার বিস্ফেরক মন্তব্য করে হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেন নয়, মূল যুদ্ধটা করছে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা- ন্যাটো।

তিনি আইরিশ প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিনের সঙ্গে এক বৈঠকে এই তথ্য জানান। এ সময় ট্রাম্প বলেন, ২০১৭-২০২১ সাল পর্যন্ত  আমার প্রথম মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলি তার চাপের কাছে নতি স্বীকার করে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি করতে শুরু করে।

তিনি আরো বলেন, তহবিলে কোটি কোটি ডলার অর্থ এসেছে এবং ন্যাটো আরো শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এখন ন্যাটো সেই অর্থের বিরাট অংশ ব্যয় করে এইসব ভয়াবহ যুদ্ধে লড়াই করছে। এটা খুবই একটা খারাপ কাজ করছে ন্যাটো। খবর তাসের।

ন্যাটোতে আমেরিকার ভবিষ্যৎ কী জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটোকে আমাদের সঙ্গে ন্যায্য আচরণ করতে হবে। তাদের যা করার কথা তা করতে হবে।

ট্রাম্প ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বলেন, আপনারা যদি ধার্য্য টাকা পরিশোধ করতে না চান, তাহলে আমরা ন্যাটোর সঙ্গে আর থাকব না।

ন্যাটোর বিরুদ্ধে ট্রাম্প এমন সময় বোমা ফাটালেন, যখন মস্কো বারবার বলে যাচ্ছে যে- পশ্চিমারা সম্মিলিতভাবে ইউক্রেনের হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, ন্যাটোর সদস্য দেশগুলিকে ট্রাম্প তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় দেশগুলোর জিডিপির ৫ শতাংশের সমান বৃদ্ধি করার জন্য চাপ দিচ্ছেন।

এর আগে, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়েলসে এক শীর্ষ সম্মেলনে, জোট সদস্যদের জন্য সামরিক ব্যয় জিডিপির ২ শতাংশের সমান করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যা রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানের কারণে বেড়ে গেছে।

রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখলের পর থেকে ন্যাটোতে তহবিল বাড়তে থাকে। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ভিলনিয়াসে জোটের শীর্ষ সম্মেলনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল জিডিপির ২ শতাংশ ন্যাটো রাষ্ট্রগুলির জন্য প্রতিরক্ষা ব্যয়ের সর্বনিম্ন স্তর হওয়া উচিত।