ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

পাকিস্তানে দেড় শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার, ২৭ জঙ্গি নিহত

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে ট্রেনে জঙ্গিদের হাতে জিম্মি দেড় শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এসময় অভিযানে নিহত জঙ্গিদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে।

এছাড়া সর্বশেষ জঙ্গিকে নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বুধবার (১২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে বেলুচিস্তানের বোলান জেলায় সন্ত্রাসীরা জাফর এক্সপ্রেসে হামলা চালিয়ে নারী ও শিশুসহ যাত্রীদের জিম্মি করে। নিরাপত্তা সূত্রের মতে, ৯টি বগিতে ৪০০ জনেরও বেশি যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি কোয়েটা থেকে খাইবার পাখতুনখাওয়ার রাজধানী পেশোয়ার যাওয়ার পথে হামলার শিকার হয়।

আফগানিস্তান-ইরান সীমান্তের কাছে প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে একটি টানেলের ঠিক আগে ট্রেনটির ওপর হামলার এই ঘটনা ঘটে।

জিও নিউজ বলছে, নিরাপত্তা বাহিনী বেলুচিস্তানের বোলান জেলায় হামলার শিকার জাফর এক্সপ্রেসে থাকা ১৫৫ জন জিম্মিকে সফলভাবে মুক্ত করেছে এবং ২৭ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। এছাড়া শেষ জঙ্গিকে পরাজিত না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

তবে ট্রেনটিতে ঠিক কত সংখ্যক সশস্ত্র জঙ্গি অবস্থান করছে তা এখনও অজানা। নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধারের জন্য নিরাপত্তা সদস্যরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।

এর আগে, রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, বুধবার ভোরে জাফর এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার হওয়া ৫৭ জন যাত্রীকে কোয়েটায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, আর ২৩ জন মাচেতে অবস্থান করছেন।

নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, ট্রেনে হামলার প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান শুরু করার পর জঙ্গিরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া আহত ১৭ জন যাত্রীকে জরুরি চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তারা জানিয়েছে, হামলার খবর পেয়ে বেলুচিস্তান প্রদেশের দুর্গম ভূখণ্ড অতিক্রম করে নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে। আরও বলা হয়েছে, চ্যালেঞ্জিং পথ থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান শুরু করার জন্য বেলুচিস্তানের বোলান জেলার মুশকাফ এলাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

আক্রমণকারীরা আফগানিস্তানের একজন মাস্টারমাইন্ডসহ আন্তর্জাতিক হ্যান্ডলারদের সাথে যোগাযোগের জন্য স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করছে এবং নারী ও শিশুদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। যার ফলে পাল্টা অভিযানে চরম সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীর।

আক্রমণকারীরা ট্রেনে হামলা চালানোর আগে রেললাইনে বোমা হামলা চালায় এবং লোকোমোটিভের ওপর গুলিবর্ষণ করে, যার ফলে চালক আহত হন।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাকিস্তানে দেড় শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার, ২৭ জঙ্গি নিহত

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে ট্রেনে জঙ্গিদের হাতে জিম্মি দেড় শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এসময় অভিযানে নিহত জঙ্গিদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে।

এছাড়া সর্বশেষ জঙ্গিকে নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বুধবার (১২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে বেলুচিস্তানের বোলান জেলায় সন্ত্রাসীরা জাফর এক্সপ্রেসে হামলা চালিয়ে নারী ও শিশুসহ যাত্রীদের জিম্মি করে। নিরাপত্তা সূত্রের মতে, ৯টি বগিতে ৪০০ জনেরও বেশি যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি কোয়েটা থেকে খাইবার পাখতুনখাওয়ার রাজধানী পেশোয়ার যাওয়ার পথে হামলার শিকার হয়।

আফগানিস্তান-ইরান সীমান্তের কাছে প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে একটি টানেলের ঠিক আগে ট্রেনটির ওপর হামলার এই ঘটনা ঘটে।

জিও নিউজ বলছে, নিরাপত্তা বাহিনী বেলুচিস্তানের বোলান জেলায় হামলার শিকার জাফর এক্সপ্রেসে থাকা ১৫৫ জন জিম্মিকে সফলভাবে মুক্ত করেছে এবং ২৭ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। এছাড়া শেষ জঙ্গিকে পরাজিত না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

তবে ট্রেনটিতে ঠিক কত সংখ্যক সশস্ত্র জঙ্গি অবস্থান করছে তা এখনও অজানা। নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধারের জন্য নিরাপত্তা সদস্যরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।

এর আগে, রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, বুধবার ভোরে জাফর এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার হওয়া ৫৭ জন যাত্রীকে কোয়েটায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, আর ২৩ জন মাচেতে অবস্থান করছেন।

নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, ট্রেনে হামলার প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান শুরু করার পর জঙ্গিরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া আহত ১৭ জন যাত্রীকে জরুরি চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তারা জানিয়েছে, হামলার খবর পেয়ে বেলুচিস্তান প্রদেশের দুর্গম ভূখণ্ড অতিক্রম করে নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে। আরও বলা হয়েছে, চ্যালেঞ্জিং পথ থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান শুরু করার জন্য বেলুচিস্তানের বোলান জেলার মুশকাফ এলাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

আক্রমণকারীরা আফগানিস্তানের একজন মাস্টারমাইন্ডসহ আন্তর্জাতিক হ্যান্ডলারদের সাথে যোগাযোগের জন্য স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করছে এবং নারী ও শিশুদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। যার ফলে পাল্টা অভিযানে চরম সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীর।

আক্রমণকারীরা ট্রেনে হামলা চালানোর আগে রেললাইনে বোমা হামলা চালায় এবং লোকোমোটিভের ওপর গুলিবর্ষণ করে, যার ফলে চালক আহত হন।