ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

পদত্যাগ করে জেলেনস্কিকে ইউক্রেন ছাড়তে বললেন মাস্ক

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যবসায়ী ও মার্কিন সরকারের দক্ষতা বিভাগের প্রধান ইলন মাস্ক ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

ইলন মাস্ক তার এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা এক স্ট্যাটাসে জেলেনস্কিকে এই পরামর্শ দিয়েছেন। খবর তাসের।

এতে মাস্ক আরও বলেন, ইউক্রেনে গণতন্ত্র এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে একটি নিরপেক্ষ দেশে গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়া উচিৎ জেলেনস্কির।

জেলেনস্কির স্বৈরাচারী আচরণের জন্য ইউক্রেনসহ গোটা বিশ্বের মানুষ কষ্টে আছে বলে উল্লেখ করেন ইলন মাস্ক।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সামনে বৈঠকে বসেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভলোদিমির জেলেনস্কি।

বৈঠকের এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। ওই বৈঠক শেষে দুই প্রেসিডেন্টের যৌথ সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও তা বাতিল করা হয়।

তা ছাড়া ইউক্রেনের বিরল খনিজ পদার্থ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও তা আর হয়নি। এই বৈঠকের পর ওই ঘটনার জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ক্ষমা চাইতে বলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

তবে, জেলেনস্কি তখন ওভাল অফিসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তপ্ত বিনিময়ের জন্য ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করেন।

ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেছিলেন, আমি মনে করি ট্রাম্পেরই আমার কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

জেলেনস্কি তখন বলেছেন, আমি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সম্মান করি, আমি আমেরিকান জনগণকে সম্মান করি। আমি মনে করি, আমাদের খুব খোলামেলা এবং খুব সৎ হতে হবে।

এরপর গত সোমবার ইউক্রেনকে সব ধরনের সামরিক সহায়তা স্থগিতের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর পরই সুর নরম হতে থাকে জেলেনস্কির।

এখন তিনি বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউক্রেন যেকোনো সময় এবং যেকোনো শর্তে নিরাপত্তা ও খনিজ চুক্তি করতেও রাজি আছে। মূলত ট্রাম্পের ধমকের পরই ভোল পাল্টান জেলেনস্কি।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পদত্যাগ করে জেলেনস্কিকে ইউক্রেন ছাড়তে বললেন মাস্ক

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যবসায়ী ও মার্কিন সরকারের দক্ষতা বিভাগের প্রধান ইলন মাস্ক ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

ইলন মাস্ক তার এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা এক স্ট্যাটাসে জেলেনস্কিকে এই পরামর্শ দিয়েছেন। খবর তাসের।

এতে মাস্ক আরও বলেন, ইউক্রেনে গণতন্ত্র এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে একটি নিরপেক্ষ দেশে গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়া উচিৎ জেলেনস্কির।

জেলেনস্কির স্বৈরাচারী আচরণের জন্য ইউক্রেনসহ গোটা বিশ্বের মানুষ কষ্টে আছে বলে উল্লেখ করেন ইলন মাস্ক।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সামনে বৈঠকে বসেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভলোদিমির জেলেনস্কি।

বৈঠকের এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। ওই বৈঠক শেষে দুই প্রেসিডেন্টের যৌথ সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও তা বাতিল করা হয়।

তা ছাড়া ইউক্রেনের বিরল খনিজ পদার্থ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও তা আর হয়নি। এই বৈঠকের পর ওই ঘটনার জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ক্ষমা চাইতে বলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

তবে, জেলেনস্কি তখন ওভাল অফিসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তপ্ত বিনিময়ের জন্য ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করেন।

ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেছিলেন, আমি মনে করি ট্রাম্পেরই আমার কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

জেলেনস্কি তখন বলেছেন, আমি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সম্মান করি, আমি আমেরিকান জনগণকে সম্মান করি। আমি মনে করি, আমাদের খুব খোলামেলা এবং খুব সৎ হতে হবে।

এরপর গত সোমবার ইউক্রেনকে সব ধরনের সামরিক সহায়তা স্থগিতের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর পরই সুর নরম হতে থাকে জেলেনস্কির।

এখন তিনি বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউক্রেন যেকোনো সময় এবং যেকোনো শর্তে নিরাপত্তা ও খনিজ চুক্তি করতেও রাজি আছে। মূলত ট্রাম্পের ধমকের পরই ভোল পাল্টান জেলেনস্কি।