ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতায় নিহত বেড়ে ৪১ হাজার ৫০০

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২৮০ বার পড়া হয়েছে

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ১২ জন নিহত এবং আরও ৪৩ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বার বার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো সত্ত্বেও গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় নৃশংস হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

ইসরায়েল ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের ফলে সর্বোচ্চ মূল্য দিতে হচ্ছে শিশুদের। চরম অবস্থা পার করছে তারা। একদিকে খাদ্য, পানি ও বিদ্যুৎ সংকট, অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। ফলে অপুষ্টিতে ভুগছে হাজার হাজার শিশু।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতায় নিহত বেড়ে ৪১ হাজার ৫০০

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ১২ জন নিহত এবং আরও ৪৩ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বার বার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো সত্ত্বেও গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় নৃশংস হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

ইসরায়েল ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের ফলে সর্বোচ্চ মূল্য দিতে হচ্ছে শিশুদের। চরম অবস্থা পার করছে তারা। একদিকে খাদ্য, পানি ও বিদ্যুৎ সংকট, অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। ফলে অপুষ্টিতে ভুগছে হাজার হাজার শিশু।