ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

২০ বছর ধরে দেশে আছে এইচএমপিভি, আতঙ্কের কিছু নেই

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৫:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৮১ বার পড়া হয়েছে

নতুন ভাইরাস এইচএমপিভি বাংলাদেশে প্রায় ২০ বছর ধরেই রয়েছে উল্লেখ করে তা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে দেশে এইচএমপিভি সংক্রমণের সবশেষ পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, এইচএমপি ভাইরাস বাংলাদেশে প্রায় ২০ বছর ধরেই রয়েছে। এ ভাইরাস সাধারণ একটি ফ্লুর মতোই। এটি কোনো ভয়ানক ভাইরাস নয়। এতে করোনা সংক্রমণের মতো পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার এখনই প্রয়োজন নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কোনো সংস্থাই এই ভাইরাস নিয়ে এখনও বাড়তি সতর্কতার মতো কোনো নির্দেশনা দেয়নি।

এই চিকিৎসক বলেন, এই ভাইরাসে সংক্রমণ হলে বাড়তি ঝুঁকিতে পড়বে না। কারণ এটা চীনে প্রথম সংক্রমিত হলেও সেখানেও বাড়তি কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি। অতএব বাংলাদেশিরা আতঙ্কিত হওয়ার বা খুব বেশি সতর্কতার প্রয়োজন নেই। একইসঙ্গে সীমান্তেও কড়াকড়ি আরোপ করার প্রয়োজন নেই বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

প্রস্তুতির কথা জানিয়ে সায়েদুর রহমান বলেন, এইচএমপিভি মোকাবেলায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পূর্ণ প্রস্তুতি আছে। এ ক্ষেত্রে আলাদা চিকিৎসা গাইডলাইন করবে সরকার। তবে এখন যেসব গাইডলাইন আছে, তার সাথে নতুন গাইডলাইনের বেশি পার্থক্য থাকবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অধ্যাপক সায়েদুল রহমান বলেন, যারা অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত, তাদের জন্য এই ভাইরাসের সংক্রমণে একটু জটিলতা দেখা দিতে পারে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে জ্বর, সর্দি, গায়ে ব্যথা হতে পারে। তবে কোভিডের মতো এই ভাইরাস ভয়ঙ্কর নয়। শুধু শ্বাসযন্ত্রে সংক্রমণের ক্ষেত্রে এর সাথে মিল আছে। সতর্কতা হিসেবে শিশু ও বয়স্কদের জন্য মাস্ক পরা প্রয়োজন।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০ বছর ধরে দেশে আছে এইচএমপিভি, আতঙ্কের কিছু নেই

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫

নতুন ভাইরাস এইচএমপিভি বাংলাদেশে প্রায় ২০ বছর ধরেই রয়েছে উল্লেখ করে তা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে দেশে এইচএমপিভি সংক্রমণের সবশেষ পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, এইচএমপি ভাইরাস বাংলাদেশে প্রায় ২০ বছর ধরেই রয়েছে। এ ভাইরাস সাধারণ একটি ফ্লুর মতোই। এটি কোনো ভয়ানক ভাইরাস নয়। এতে করোনা সংক্রমণের মতো পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার এখনই প্রয়োজন নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কোনো সংস্থাই এই ভাইরাস নিয়ে এখনও বাড়তি সতর্কতার মতো কোনো নির্দেশনা দেয়নি।

এই চিকিৎসক বলেন, এই ভাইরাসে সংক্রমণ হলে বাড়তি ঝুঁকিতে পড়বে না। কারণ এটা চীনে প্রথম সংক্রমিত হলেও সেখানেও বাড়তি কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি। অতএব বাংলাদেশিরা আতঙ্কিত হওয়ার বা খুব বেশি সতর্কতার প্রয়োজন নেই। একইসঙ্গে সীমান্তেও কড়াকড়ি আরোপ করার প্রয়োজন নেই বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

প্রস্তুতির কথা জানিয়ে সায়েদুর রহমান বলেন, এইচএমপিভি মোকাবেলায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পূর্ণ প্রস্তুতি আছে। এ ক্ষেত্রে আলাদা চিকিৎসা গাইডলাইন করবে সরকার। তবে এখন যেসব গাইডলাইন আছে, তার সাথে নতুন গাইডলাইনের বেশি পার্থক্য থাকবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অধ্যাপক সায়েদুল রহমান বলেন, যারা অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত, তাদের জন্য এই ভাইরাসের সংক্রমণে একটু জটিলতা দেখা দিতে পারে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে জ্বর, সর্দি, গায়ে ব্যথা হতে পারে। তবে কোভিডের মতো এই ভাইরাস ভয়ঙ্কর নয়। শুধু শ্বাসযন্ত্রে সংক্রমণের ক্ষেত্রে এর সাথে মিল আছে। সতর্কতা হিসেবে শিশু ও বয়স্কদের জন্য মাস্ক পরা প্রয়োজন।