ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

শিল্প খাতে গ‍্যাসের দাম বাড়াতে চায় সরকার, ব্যবসায়ীদের বিরোধিতা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে
জ্বালানি বিভাগ শিল্প খাতে গ্যাসের নতুন দরের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে উদ্যোক্তাদের নতুন কারখানার গ্যাস কিনতে বর্তমান দামের দ্বিগুণের বেশি ব্যয় করতে হবে। প্রস্তাব অনুসারে নতুন কারখানার জন্য গ্যাসের দাম হবে এলএনজির আমদানি ব্যয়ের সমান।

এদিকে এই বিষয়টি চূড়ান্ত করতে প্রস্তাবটি গতকাল সোমবার বিকেলে পেট্রোবাংলার মাধ্যমে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) পাঠানো হয়।  জানা গেছে, এ প্রসঙ্গে বিইআরসিতে আজ আলোচনা হতে পারে।

বর্তমানে শিল্প গ্রাহকদের প্রতি ঘনমিটার গ্যাস কিনতে ৩০ টাকা এবং ক্যাপটিভ পাওয়ারে (শিল্পে ব্যবহৃত নিজস্ব বিদ্যুৎ) ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা দিতে হয়। এলএনজির গড় আমদানি ব্যয় ৬০-৬৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের কথা বলে গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ করা হয়। কিন্তু চাহিদামতো গ্যাস মিলছে না। বরং গ্যাস সংকটে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এই সংকটকালীন সময়ে গ্যাসের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ানো হলে শিল্পে বিনিয়োগ পুরো বন্ধ হয়ে যাবে।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, গত ২৭ ডিসেম্বর এক সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে, শিল্প ও ক্যাপটিভ শ্রেণিতে নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের গ্যাসের দাম হবে এলএনজির আমদানি ব্যয়ের সমান। তবে যেসব শিল্প ও ক্যাপটিভ গ্রাহক ইতোমধ্যে সংযোগের প্রতিশ্রুতি (প্রাথমিক সম্মতিপত্র/চাহিদাপত্র ইস্যুকৃত) পেয়েছে তাদের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত গ্যাসের দাম হবে বর্তমান মূল্যে। বাকি ৫০ শতাংশের দাম হবে এলএনজির দরের সমান। পুরনো শিল্প বা ক্যাপটিভ গ্রাহকরা লোড বাড়াতে চাইলে তাদের অতিরিক্ত গ্যাসের মূল্য হবে এলএনজির দামের সমান।

এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানান, এলএনজির আমদানিমূল্য বলতে দাখিলকৃত বিলের পূর্ববর্তী তিন মাসের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ও স্পট এলএনজি ক্রয় বাবদ মোট ব্যয়ের (এলএনজি ক্রয়মূল্য, রিগ্যাসিফিকেশন চার্জ, ভ্যাট, ট্যাক্স বিভিন্ন মার্জিনসহ সার্বিক মূল্য) গড় মূল্য বোঝানো হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এখন প্রস্তাবটি বিইআরসিতে প্রস্তাব পাঠাবে পেট্রোবাংলা।

সেজন্য বিতরণ কোম্পানিগুলো থেকে তথ্য চাওয়া হয়েছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ছয় বিতরণ কোম্পানিকে লেখা চিঠিতে শিল্প ও ক্যাপটিভ শ্রেণির যেসব গ্রাহক অনুমোদিত লোড অপেক্ষা অতিরিক্ত গ্যাস ব্যবহার করছে তাদের বিষয়ে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। এই তথ্য ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত।

এদিকে ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন। এ বিষয়ে নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) প্রেসিডেন্ট হাতেম আলী বলেন, নতুন প্রস্তাব পাস হলে অসম প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে। কেউ ৩০ টাকা দিয়ে গ্যাস কিনবে আবার কেউ দ্বিগুণ দেবে। এমন হলে নতুন উদ্যোক্তারা তো টিকতে পারবে না। বিনিয়োগই থমকে যাবে।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক শামসুল আলম এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান, গ্রাহকরা গ্যাস পাচ্ছে না। কিন্তু তাদের ঠিকই বিল দিতে হচ্ছে। গত দুই বছর কয়েক ধাপে দাম বাড়ানো হয়েছে। শিল্পে গ্যাসের দাম বাড়ালে পণ্যের দাম বাড়ে যা মূল্যস্ফীতি বাড়ায়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ক্ষমতা বিইআরসির। কিন্তু এ ক্ষেত্রে জ্বালানি বিভাগ আগে প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদন করে, পরে তা বিইআরসিতে পাঠিয়েছে, যা অনুচিত। বর্তমান নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরোধিতা করেন।

বর্তমানে পেট্রোবাংলা দিনে গড়ে ২৮৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করে। এর মধ্যে এলএনজি আমদানি থেকে পাওয়া যায় গড়ে ৮৫ কোটি ঘনফুট। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের গড় মূল্য ছিল ২৪ টাকা ৩৮ পয়সা। পেট্রোবাংলা বিক্রি করেছে ২২ টাকা ৮৭ পয়সা দরে। সিলেট গ্যাস ফিল্ড থেকে প্রতি ঘনমিটার ১ টাকা, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড থেকে ১ টাকা ২৫ পয়সা, বাপেক্স থেকে ৪ টাকা, শেভরন ও তাল্লো থেকে ৬ টাকা দরে গ্যাস কেনে পেট্রোবাংলা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে স্পট মার্কেট থেকে আনা এলএনজির দাম পড়েছিল ৬৫ টাকা। গত আগস্টে আমদানি করা স্পট এলএনজির গড় দর ছিল ৭১ টাকা।

উল্লেখ্য, নির্বাহী আদেশে গ্যাসের দাম গড়ে ৮২ শতাংশ বাড়ানো হয় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। সেসময় শিল্পে গ্যাসের মূল্য ১১ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে করা হয় ৩০ টাকা। ক্যাপটিভে ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছিলো। পরে ক্যাপটিভে আরেক দফা গ্যাসের দাম বাড়িয়ে করা হয়েছিল ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা।

সেসময় সরকারের নির্বাহী আদেশে গ্যাসের এই দাম বৃদ্ধি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। যদিও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাহী আদেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ সংক্রান্ত আইনের ধারাটি বাতিল করে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিল্প খাতে গ‍্যাসের দাম বাড়াতে চায় সরকার, ব্যবসায়ীদের বিরোধিতা

আপডেট সময় : ১১:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫
জ্বালানি বিভাগ শিল্প খাতে গ্যাসের নতুন দরের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে উদ্যোক্তাদের নতুন কারখানার গ্যাস কিনতে বর্তমান দামের দ্বিগুণের বেশি ব্যয় করতে হবে। প্রস্তাব অনুসারে নতুন কারখানার জন্য গ্যাসের দাম হবে এলএনজির আমদানি ব্যয়ের সমান।

এদিকে এই বিষয়টি চূড়ান্ত করতে প্রস্তাবটি গতকাল সোমবার বিকেলে পেট্রোবাংলার মাধ্যমে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) পাঠানো হয়।  জানা গেছে, এ প্রসঙ্গে বিইআরসিতে আজ আলোচনা হতে পারে।

বর্তমানে শিল্প গ্রাহকদের প্রতি ঘনমিটার গ্যাস কিনতে ৩০ টাকা এবং ক্যাপটিভ পাওয়ারে (শিল্পে ব্যবহৃত নিজস্ব বিদ্যুৎ) ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা দিতে হয়। এলএনজির গড় আমদানি ব্যয় ৬০-৬৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের কথা বলে গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ করা হয়। কিন্তু চাহিদামতো গ্যাস মিলছে না। বরং গ্যাস সংকটে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এই সংকটকালীন সময়ে গ্যাসের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ানো হলে শিল্পে বিনিয়োগ পুরো বন্ধ হয়ে যাবে।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, গত ২৭ ডিসেম্বর এক সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে, শিল্প ও ক্যাপটিভ শ্রেণিতে নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের গ্যাসের দাম হবে এলএনজির আমদানি ব্যয়ের সমান। তবে যেসব শিল্প ও ক্যাপটিভ গ্রাহক ইতোমধ্যে সংযোগের প্রতিশ্রুতি (প্রাথমিক সম্মতিপত্র/চাহিদাপত্র ইস্যুকৃত) পেয়েছে তাদের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত গ্যাসের দাম হবে বর্তমান মূল্যে। বাকি ৫০ শতাংশের দাম হবে এলএনজির দরের সমান। পুরনো শিল্প বা ক্যাপটিভ গ্রাহকরা লোড বাড়াতে চাইলে তাদের অতিরিক্ত গ্যাসের মূল্য হবে এলএনজির দামের সমান।

এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানান, এলএনজির আমদানিমূল্য বলতে দাখিলকৃত বিলের পূর্ববর্তী তিন মাসের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ও স্পট এলএনজি ক্রয় বাবদ মোট ব্যয়ের (এলএনজি ক্রয়মূল্য, রিগ্যাসিফিকেশন চার্জ, ভ্যাট, ট্যাক্স বিভিন্ন মার্জিনসহ সার্বিক মূল্য) গড় মূল্য বোঝানো হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এখন প্রস্তাবটি বিইআরসিতে প্রস্তাব পাঠাবে পেট্রোবাংলা।

সেজন্য বিতরণ কোম্পানিগুলো থেকে তথ্য চাওয়া হয়েছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ছয় বিতরণ কোম্পানিকে লেখা চিঠিতে শিল্প ও ক্যাপটিভ শ্রেণির যেসব গ্রাহক অনুমোদিত লোড অপেক্ষা অতিরিক্ত গ্যাস ব্যবহার করছে তাদের বিষয়ে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। এই তথ্য ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত।

এদিকে ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন। এ বিষয়ে নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) প্রেসিডেন্ট হাতেম আলী বলেন, নতুন প্রস্তাব পাস হলে অসম প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে। কেউ ৩০ টাকা দিয়ে গ্যাস কিনবে আবার কেউ দ্বিগুণ দেবে। এমন হলে নতুন উদ্যোক্তারা তো টিকতে পারবে না। বিনিয়োগই থমকে যাবে।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক শামসুল আলম এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান, গ্রাহকরা গ্যাস পাচ্ছে না। কিন্তু তাদের ঠিকই বিল দিতে হচ্ছে। গত দুই বছর কয়েক ধাপে দাম বাড়ানো হয়েছে। শিল্পে গ্যাসের দাম বাড়ালে পণ্যের দাম বাড়ে যা মূল্যস্ফীতি বাড়ায়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ক্ষমতা বিইআরসির। কিন্তু এ ক্ষেত্রে জ্বালানি বিভাগ আগে প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদন করে, পরে তা বিইআরসিতে পাঠিয়েছে, যা অনুচিত। বর্তমান নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরোধিতা করেন।

বর্তমানে পেট্রোবাংলা দিনে গড়ে ২৮৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করে। এর মধ্যে এলএনজি আমদানি থেকে পাওয়া যায় গড়ে ৮৫ কোটি ঘনফুট। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের গড় মূল্য ছিল ২৪ টাকা ৩৮ পয়সা। পেট্রোবাংলা বিক্রি করেছে ২২ টাকা ৮৭ পয়সা দরে। সিলেট গ্যাস ফিল্ড থেকে প্রতি ঘনমিটার ১ টাকা, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড থেকে ১ টাকা ২৫ পয়সা, বাপেক্স থেকে ৪ টাকা, শেভরন ও তাল্লো থেকে ৬ টাকা দরে গ্যাস কেনে পেট্রোবাংলা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে স্পট মার্কেট থেকে আনা এলএনজির দাম পড়েছিল ৬৫ টাকা। গত আগস্টে আমদানি করা স্পট এলএনজির গড় দর ছিল ৭১ টাকা।

উল্লেখ্য, নির্বাহী আদেশে গ্যাসের দাম গড়ে ৮২ শতাংশ বাড়ানো হয় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। সেসময় শিল্পে গ্যাসের মূল্য ১১ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে করা হয় ৩০ টাকা। ক্যাপটিভে ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছিলো। পরে ক্যাপটিভে আরেক দফা গ্যাসের দাম বাড়িয়ে করা হয়েছিল ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা।

সেসময় সরকারের নির্বাহী আদেশে গ্যাসের এই দাম বৃদ্ধি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। যদিও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাহী আদেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ সংক্রান্ত আইনের ধারাটি বাতিল করে।