ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ফের ১০ ডিগ্রির নিচে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৬১ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে আবারও তাপমাত্রা নামল ১০ ডিগ্রির নিচে। ফলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। তবে তাপমাত্রা উঠানামা করায় বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রবণতা।

সকালে জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিস জানায়, রোববার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শনিবার রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বিকেল ৩টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

স্থানীয়রা জানান, দিন-রাত দুই রকম তাপমাত্রা অনুভব করছেন তারা। সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তীব্র কনকনে শীতে হাড় কাঁপছে তাদের। রাতে তাপমাত্রা মাইনাস জিরো ডিগ্রিতে নেমে আসছে এমন অনুভব করছেন তারা। এ রাতে একাধিক কম্বল লেপ নিলেও মনে হয় ঠান্ডা লাগে। বিছানা, ঘরের ফ্লোর, আসবাপত্র সবকিছুই বরফ হয়ে ওঠে। উপায়ন্তর না পেয়ে সন্ধ্যা-ভোরে খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা কমানোর চেষ্টা করছেন তারা। দিনে রাতে দুই রকম তাপমাত্রার কারণে বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগব্যাধিতে আক্রান্তের সংখ্যা।

জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, আজকে আবার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমেছে। একদিনের ব্যবধানে গতকাল রোববার তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার একদিন পরে আজ সোমবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত শনিবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৮ থেকে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা রেকর্ড হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। সেই হিসেবে এটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফের ১০ ডিগ্রির নিচে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা

আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪

পঞ্চগড়ে আবারও তাপমাত্রা নামল ১০ ডিগ্রির নিচে। ফলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। তবে তাপমাত্রা উঠানামা করায় বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রবণতা।

সকালে জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিস জানায়, রোববার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শনিবার রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বিকেল ৩টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

স্থানীয়রা জানান, দিন-রাত দুই রকম তাপমাত্রা অনুভব করছেন তারা। সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তীব্র কনকনে শীতে হাড় কাঁপছে তাদের। রাতে তাপমাত্রা মাইনাস জিরো ডিগ্রিতে নেমে আসছে এমন অনুভব করছেন তারা। এ রাতে একাধিক কম্বল লেপ নিলেও মনে হয় ঠান্ডা লাগে। বিছানা, ঘরের ফ্লোর, আসবাপত্র সবকিছুই বরফ হয়ে ওঠে। উপায়ন্তর না পেয়ে সন্ধ্যা-ভোরে খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা কমানোর চেষ্টা করছেন তারা। দিনে রাতে দুই রকম তাপমাত্রার কারণে বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগব্যাধিতে আক্রান্তের সংখ্যা।

জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, আজকে আবার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমেছে। একদিনের ব্যবধানে গতকাল রোববার তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার একদিন পরে আজ সোমবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত শনিবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৮ থেকে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা রেকর্ড হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। সেই হিসেবে এটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।