ঢাকা ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

চন্দনাইশ সদরস্থ মসজিদ-খানকাহ বিরোধ ৩ বছরের অধিক সময় নিষ্পত্তি না হওয়ায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ

  • মো. জিয়া উদ্দিন
  • আপডেট সময় : ১১:১২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে

চন্দনাইশ প্রতনিধি:
চন্দনাইশের পৌরসভার পূর্ব জোয়ারা গ্রামের মৌলানা বাড়ি মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাথে খানকাহ কাদেরিয়া তৈয়বিয়া তাহেরিয়া কমিটির সাথে বিগত ৩ বছর ধরে বিরোধ চলমান রয়েছে পরপর ২ বার হামলা হয়।

গত বছরের ২৫ অক্টোবর মসজিদের নাম ফলক লাগানো নিয়ে খানকাহ কমিটির কিছু লোকজন মসজিদ কমিটির লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরা, ইমামের রুমে হামলা করে,ঘটনার দিন মহল্লার তাহমিদ, সাজিদ গুরুতর আহত হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

পূর্ব জোয়ারা গ্রামের আলীম জানান, মসজিদের নামে ৫ শতক জায়গা রয়েছে তাই মসজিদ কমিটি সাইনবোর্ড দিয়েছে। এই বিষয় আঞ্জুমান এ- রহমানিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট একাধিক দরখাস্ত দিয়েছে কিন্তু কোন ধরনের সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানান।

মসজিদ কমিটি ও মহল্লা বাসীর পক্ষ থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত করে সমাধানের জন্য চেষ্টার যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট স্মারকলিপি দেয়া হবে বলে জানান।

অন্যথায় আদালতে মামলা করার জন্য প্রস্তুতি নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মহল্লার সদস্য আবদুল হালিম জানান, ১০ বছরের অধিক সময় মহল্লাবাসী ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ যাবতীয় খরচ বহন করে। খানকাহ সাথে তাদের কোন বিরোধ নেই তাদের দাবি অনুযায়ী মসজিদের একটি সাইনবোর্ড থাকবে মসজিদ পরিচালনা দায়িত্ব তারা যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে এবং খানকাহ সাথ যাবতীয় কর্মকাণ্ডে তারা সহায়তা করবে। কিন্তু খানকাহ কমিটির কিছু সদস্য বিষয়টি মেনে নিতে নিচ্ছে না।

বিরোধের জেরে বিগত ২ ঈদের নামাজ আলাদাভাবে অনুষ্ঠিত হয়। বিষয়টি নিশ্পত্তির জন্য উপজেলা ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে বাদী- বিবাদীকে পরিমাপের জন্য বিগত ২৮/০৮/২৪ তারিখে নোটিশ দেয়া হয়েছে কিন্তু বিবাদী পক্ষ থেকে কোন ধরনের সাড়া না দেয়ায় পরিমাপটি স্থগিত হয়ে যায়। বিরোধের জেরে মহল্লার অনেক মুসল্লী মসজিদে নামাজ আদায় করে না। স্থানীয় শওকত নামের এক ব্যক্তি জানান মসজিদ কমিটি ও খানকাহ কমিটির সাথে একাধিকবার সংঘর্ষ সংগঠিত হয়েছে যার কারণে অনেক নামাজ পড়তে আসে না। বিগত
০৩ বছর মসজিদে নামাজ আদায় করছেন না অনেক মুসল্লী ও মহল্লা লোকজন।

গত বছর ২৫ অক্টোবর সংঘর্ষের পরে মসজিদটি খানকাহ কমিটি দখল করে নিয়ে পূর্বের মসজিদের ইমাম,মুয়াজ্জিনকে বের করে দেয়। বিগত সরকারের কিছু লোক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চন্দনাইশ সদরস্থ মসজিদ-খানকাহ বিরোধ ৩ বছরের অধিক সময় নিষ্পত্তি না হওয়ায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ

আপডেট সময় : ১১:১২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

চন্দনাইশ প্রতনিধি:
চন্দনাইশের পৌরসভার পূর্ব জোয়ারা গ্রামের মৌলানা বাড়ি মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাথে খানকাহ কাদেরিয়া তৈয়বিয়া তাহেরিয়া কমিটির সাথে বিগত ৩ বছর ধরে বিরোধ চলমান রয়েছে পরপর ২ বার হামলা হয়।

গত বছরের ২৫ অক্টোবর মসজিদের নাম ফলক লাগানো নিয়ে খানকাহ কমিটির কিছু লোকজন মসজিদ কমিটির লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরা, ইমামের রুমে হামলা করে,ঘটনার দিন মহল্লার তাহমিদ, সাজিদ গুরুতর আহত হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

পূর্ব জোয়ারা গ্রামের আলীম জানান, মসজিদের নামে ৫ শতক জায়গা রয়েছে তাই মসজিদ কমিটি সাইনবোর্ড দিয়েছে। এই বিষয় আঞ্জুমান এ- রহমানিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট একাধিক দরখাস্ত দিয়েছে কিন্তু কোন ধরনের সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানান।

মসজিদ কমিটি ও মহল্লা বাসীর পক্ষ থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত করে সমাধানের জন্য চেষ্টার যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট স্মারকলিপি দেয়া হবে বলে জানান।

অন্যথায় আদালতে মামলা করার জন্য প্রস্তুতি নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মহল্লার সদস্য আবদুল হালিম জানান, ১০ বছরের অধিক সময় মহল্লাবাসী ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ যাবতীয় খরচ বহন করে। খানকাহ সাথে তাদের কোন বিরোধ নেই তাদের দাবি অনুযায়ী মসজিদের একটি সাইনবোর্ড থাকবে মসজিদ পরিচালনা দায়িত্ব তারা যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে এবং খানকাহ সাথ যাবতীয় কর্মকাণ্ডে তারা সহায়তা করবে। কিন্তু খানকাহ কমিটির কিছু সদস্য বিষয়টি মেনে নিতে নিচ্ছে না।

বিরোধের জেরে বিগত ২ ঈদের নামাজ আলাদাভাবে অনুষ্ঠিত হয়। বিষয়টি নিশ্পত্তির জন্য উপজেলা ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে বাদী- বিবাদীকে পরিমাপের জন্য বিগত ২৮/০৮/২৪ তারিখে নোটিশ দেয়া হয়েছে কিন্তু বিবাদী পক্ষ থেকে কোন ধরনের সাড়া না দেয়ায় পরিমাপটি স্থগিত হয়ে যায়। বিরোধের জেরে মহল্লার অনেক মুসল্লী মসজিদে নামাজ আদায় করে না। স্থানীয় শওকত নামের এক ব্যক্তি জানান মসজিদ কমিটি ও খানকাহ কমিটির সাথে একাধিকবার সংঘর্ষ সংগঠিত হয়েছে যার কারণে অনেক নামাজ পড়তে আসে না। বিগত
০৩ বছর মসজিদে নামাজ আদায় করছেন না অনেক মুসল্লী ও মহল্লা লোকজন।

গত বছর ২৫ অক্টোবর সংঘর্ষের পরে মসজিদটি খানকাহ কমিটি দখল করে নিয়ে পূর্বের মসজিদের ইমাম,মুয়াজ্জিনকে বের করে দেয়। বিগত সরকারের কিছু লোক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করে।