ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভ্যুত্থানে আহতদের পুনর্বাসনে বিএসএমএমইউতে বিশেষ ইউনিট চালুর প্রস্তাব

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:১৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম বেগবান করতে সুপার স্পেশালাইজড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার ফর দি জুলাই-২৪ ওয়ারিয়র গঠনের প্রস্তাব করেছেন আহত রোগীদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা সেলের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এ শাকুর।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিএসএমএমইউতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৪ উপলক্ষে ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রস্তাব করেন।

দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল ইসলাম সেমিনার হলে বৈজ্ঞানিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে শারীরিক পুনর্বাসন বিভিন্ন বিষয় এবং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করেন। এতে বিএসএমএমইউর ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ২৯৬ রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে বলে জানানো হয়। একইসঙ্গে বিভাগটির চিকিৎসাসেবায় পঙ্গুত্বের দুয়ার থেকে সুস্থ হয়ে উঠার গল্প শুনার ভুক্তভোগীরা।

আহতদের মধ্যে ইয়াসিন আরাফাত নামে আহত এক ব্যক্তি জানান, তিনি আগস্টে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে কোমরে মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন হুইল চেয়ারে করে। হাঁটার কথা তো দূরের কথা কোনোদিন সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবেন সেটাও কল্পনা করতে পারেননি। তবে বিএসএমএমইউর ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা সেলের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এ শাকুরের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাসেবা নিয়ে এখন হাঁটতে পারছেন।

তিনি তার বক্তব্যে অধ্যাপক শাকুরসহ সংশ্লিষ্ট সব বিএসএমএমইউর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপিস্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে ছাত্র-জনতা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন বিষয়ক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এ শাকুর জানান,  বিএসএমএমইউরর বিভিন্ন বিভাগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ২৯৬ জন রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে। যার মধ্যে জরুরি বিভাগে ৫৮ জন, কেবিনে ৫৩ জন, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের বহির্বিভাগে ১৫২ জন, অভ্যন্তরীণ বিভাগে ২৪ জন রোগী এবং আইসিউতে ১০ জন রোগীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

অভ্যুত্থানে আহতদের পুনর্বাসনে বিএসএমএমইউতে বিশেষ ইউনিট চালুর প্রস্তাব

আপডেট সময় : ০৪:১৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম বেগবান করতে সুপার স্পেশালাইজড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার ফর দি জুলাই-২৪ ওয়ারিয়র গঠনের প্রস্তাব করেছেন আহত রোগীদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা সেলের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এ শাকুর।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিএসএমএমইউতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৪ উপলক্ষে ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রস্তাব করেন।

দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল ইসলাম সেমিনার হলে বৈজ্ঞানিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে শারীরিক পুনর্বাসন বিভিন্ন বিষয় এবং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করেন। এতে বিএসএমএমইউর ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ২৯৬ রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে বলে জানানো হয়। একইসঙ্গে বিভাগটির চিকিৎসাসেবায় পঙ্গুত্বের দুয়ার থেকে সুস্থ হয়ে উঠার গল্প শুনার ভুক্তভোগীরা।

আহতদের মধ্যে ইয়াসিন আরাফাত নামে আহত এক ব্যক্তি জানান, তিনি আগস্টে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে কোমরে মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন হুইল চেয়ারে করে। হাঁটার কথা তো দূরের কথা কোনোদিন সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবেন সেটাও কল্পনা করতে পারেননি। তবে বিএসএমএমইউর ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা সেলের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এ শাকুরের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাসেবা নিয়ে এখন হাঁটতে পারছেন।

তিনি তার বক্তব্যে অধ্যাপক শাকুরসহ সংশ্লিষ্ট সব বিএসএমএমইউর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপিস্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে ছাত্র-জনতা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন বিষয়ক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এ শাকুর জানান,  বিএসএমএমইউরর বিভিন্ন বিভাগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ২৯৬ জন রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে। যার মধ্যে জরুরি বিভাগে ৫৮ জন, কেবিনে ৫৩ জন, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের বহির্বিভাগে ১৫২ জন, অভ্যন্তরীণ বিভাগে ২৪ জন রোগী এবং আইসিউতে ১০ জন রোগীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।