ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বান্দরবান ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্রের পরিচালকের নামে অনিয়মের অভিযোগ

  • সোহেল কান্তি নাথ
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪
  • ৩৫১ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবান ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্রের পরিচালক হোসাইন মোহাম্মদ ইউনুছ এর নামে স্বেচ্ছাচারিতা, দূর্নীতি, অনিয়ম, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে এবং প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে পুনরুজ্জীবিত করার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বান্দরবানের সর্বস্তরের নাগরিক সমাজ। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালে বান্দরবান প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, প্রত্যন্ত বান্দরবান জেলায় দ্বীনি শিক্ষার প্রচার ও প্রসারের মহৎ লক্ষ্য নিয়ে আলহাজ্ব ইউনুস সাহেব রাহমাতুল­াহ আলাইহী ১৯৮৭—৮৮ সনে বান্দরবান সদর উপজেলার বনরূপা এলাকায় “ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র” নামে মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং নির্মানের পর ১৯৮৯—৯০ সনে “ ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রটি” চালু হয়। প্রতিষ্ঠানটি চালু হওয়ার পর আমাদের ছেলে মেয়েরা ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পাবে এ আশায় অত্যন্ত আশান্বিত হলেও বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের ধার প্রান্তে এসে পেঁৗছেছে। বক্তারা আরো বলেন, আলহাজ্ব ইউনুস সাহেব রাহমাতুল্লাহ আলাইহী ইন্তেকাল করার কিছুদিন পর তারই ছেলে হোসাইন সাহেব গায়ের জোরে তার পৈত্রিক সম্পত্তির মত ইসলামী শিক্ষা কেন্দে্রর পরিচালকের পদটিও দখল করে নেন। বর্তমানে তিনি তার বিশ্বস্থ ও অনুগত লোকজন নিয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করেন। পরিচালকের সুযোগ নিয়ে হোসাইন সাহেব স্বেচ্ছাচারী, এক গুযেমি সিদ্ধান্ত, অদক্ষ পরিচালনা ও শিক্ষাকেন্দে্রর সম্পদ ব্যক্তিগত ভাবে আত্মসাৎ করার কারণে “ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র”টি বর্তমানে একটি অকার্যকর ও অচল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তার নির্দেশে ইসলামী শিক্ষাকেন্দে্র নির্মিত সুবিশাল দরজাটিও বেশীরভাগ সময় বন্ধ রাখা হয় যার কারনে নামাজীরা নামাজ পড়তে বাঁধার সম্মূখীন হয়। তাই বান্দরবাসীর পক্ষ থেকে ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের বর্তমান স্বৈরতান্ত্রিক, অর্থ আত্মসাৎকারী পরিচালনা পর্ষদ বাতিল ঘোষণা করা এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়কে পদাধিকার বলে সভাপতি করে বান্দরবান জেলার সচেতন ইসলামী ব্যক্তিবৃন্দ ও জনপ্রতিনিডিধবৃন্দের সমন্বয়ে একটি নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে ইসলাম শিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করার দাবী জানান নাগরিক সমাজ।

এসময় বান্দরবানের সর্বস্তরের নাগরিক সমাজের মো: মজিবর রহমান, মোঃ আবুল বশার, মোঃ জাকারিয়াসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বান্দরবান ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্রের পরিচালকের নামে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪

বান্দরবান ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্রের পরিচালক হোসাইন মোহাম্মদ ইউনুছ এর নামে স্বেচ্ছাচারিতা, দূর্নীতি, অনিয়ম, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে এবং প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে পুনরুজ্জীবিত করার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বান্দরবানের সর্বস্তরের নাগরিক সমাজ। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালে বান্দরবান প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, প্রত্যন্ত বান্দরবান জেলায় দ্বীনি শিক্ষার প্রচার ও প্রসারের মহৎ লক্ষ্য নিয়ে আলহাজ্ব ইউনুস সাহেব রাহমাতুল­াহ আলাইহী ১৯৮৭—৮৮ সনে বান্দরবান সদর উপজেলার বনরূপা এলাকায় “ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র” নামে মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং নির্মানের পর ১৯৮৯—৯০ সনে “ ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রটি” চালু হয়। প্রতিষ্ঠানটি চালু হওয়ার পর আমাদের ছেলে মেয়েরা ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পাবে এ আশায় অত্যন্ত আশান্বিত হলেও বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের ধার প্রান্তে এসে পেঁৗছেছে। বক্তারা আরো বলেন, আলহাজ্ব ইউনুস সাহেব রাহমাতুল্লাহ আলাইহী ইন্তেকাল করার কিছুদিন পর তারই ছেলে হোসাইন সাহেব গায়ের জোরে তার পৈত্রিক সম্পত্তির মত ইসলামী শিক্ষা কেন্দে্রর পরিচালকের পদটিও দখল করে নেন। বর্তমানে তিনি তার বিশ্বস্থ ও অনুগত লোকজন নিয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করেন। পরিচালকের সুযোগ নিয়ে হোসাইন সাহেব স্বেচ্ছাচারী, এক গুযেমি সিদ্ধান্ত, অদক্ষ পরিচালনা ও শিক্ষাকেন্দে্রর সম্পদ ব্যক্তিগত ভাবে আত্মসাৎ করার কারণে “ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র”টি বর্তমানে একটি অকার্যকর ও অচল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তার নির্দেশে ইসলামী শিক্ষাকেন্দে্র নির্মিত সুবিশাল দরজাটিও বেশীরভাগ সময় বন্ধ রাখা হয় যার কারনে নামাজীরা নামাজ পড়তে বাঁধার সম্মূখীন হয়। তাই বান্দরবাসীর পক্ষ থেকে ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের বর্তমান স্বৈরতান্ত্রিক, অর্থ আত্মসাৎকারী পরিচালনা পর্ষদ বাতিল ঘোষণা করা এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়কে পদাধিকার বলে সভাপতি করে বান্দরবান জেলার সচেতন ইসলামী ব্যক্তিবৃন্দ ও জনপ্রতিনিডিধবৃন্দের সমন্বয়ে একটি নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে ইসলাম শিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করার দাবী জানান নাগরিক সমাজ।

এসময় বান্দরবানের সর্বস্তরের নাগরিক সমাজের মো: মজিবর রহমান, মোঃ আবুল বশার, মোঃ জাকারিয়াসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।