শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় আজও বন্ধ রয়েছে ২১ঌটি তৈরি পোশাক কারখানা। এর মধ্যে ১৩৩টি কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম আইন- ২০০৬ এর ১৩ (১) ধারায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে ৮৬টি কারখানা।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১’র পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সারোয়ার আলম।
চলমান বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিবেচনায় কারখানাগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শ্রম আইনের ১৩(১) ধারায় উল্লেখ আছে ‘কোন প্রতিষ্ঠানের কোন শাখা বা বিভাগে বে-আইনি ধর্মঘটের কারণে মালিক উক্ত শাখা বা প্রতিষ্ঠান আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করিয়া দিতে পারবেন এবং এরূপ বন্ধের ক্ষেত্রে ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকরা কোন মজুরি পাবে না।
বৃহস্পতিবার সকালে যথাসময়ে কারখানায় কাজে যোগ দেন শ্রমিকরা। তবে কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা বিভিন্ন দাবিতে কাজ বন্ধ করে বসে থাকলে ওই কারখানাগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। নরসিংহপুর এলাকায় বিভিন্ন কারখানার সামনে সেনাবাহিনী, এপিবিএন ও পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন। সড়কে টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা।
শিল্প পুলিশ-১ এসপি মোহাম্মদ সারোয়ার আলম বলেন, গতকাল থেকে শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগদান ও কাজ করতে মাইকিং করেছি। এই পরিস্থিতি থেকে কীভাবে উত্তরণ ঘটানো যায় সে বিষয়ে সব পক্ষের সঙ্গে কথা হচ্ছে। দাবি দাওয়া নিয়ে যেসব বিরোধ রয়েছে, তা কিভাবে নিষ্পত্তি করা যায় তা নিয়েও কথা হচ্ছে। কলকারখানা অধিদফতরের যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করেন, তাদের সঙ্গেও আলাপ আলোচনা চলছে।
তিনি বলেন, আজকে (বৃহস্পতিবার) শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারায় বন্ধ আছে ৮৬টি কারখানা। ১৩৩টি কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। যেগুলো খোলা আছে এরমধ্যে কিছু কারখানায় দাবি-দাওয়া নিয়ে আলাপ আলোচনা চলছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির খবর পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গতকাল আশুলিয়ায় মোট বন্ধ কারখানার সংখ্যা ছিল ৭০টি। এর মধ্যে ৪৫টি ১৩(১) ধারায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ আর সাধারণ ছুটি ছিল ২৫টি পোশাক কারখানায়।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 


































