‘অঘোষিত’ ফাইনালে দুইবার জীবন পেয়েও কাজে লাগাতে পারলেন না তানজিদ হাসান তামিম। ১৯ রানেই থেমে গেছে তার ইনিংস। তানজিদের বিদায়ে বাংলাদেশও এখন চাপে।
অথচ, শুরুটা দুদান্ত হয়েছিল বাংলাদেশের।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে শারজায় টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান তামিম। দুজনে মিলে উদ্বোধনী জুটিতে ৫৩ রানের জুটি গড়ে। ওপেনিংয়ে এবারের সিরিজে যা দুই দলের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে পুরো সিরিজে থিতু হওয়া সৌম্য ৯ম ওভারে উইকেট যেন বিলিয়ে দিয়ে আসলেন।
আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের অফস্ট্যাম্পের বাইরের বলে ইনসাইড এজড হয়ে বোল্ড হন সৌম্য। এতে আগের দুই ম্যাচের মতো আজও শুরুটা ভালো করলেও ২৪ রানের বেশি করতে পারেননি। সতীর্থের বিদায়ে যেন ব্যথিত তানজিদও আর মাঠে থাকতে চাইলেন না। তা না হলে আগের ওভারে সৌম্য আউট হওয়ার পরও সতর্ক না হয়ে বাউন্ডারি হাঁকাতে যাবেন কেন।
লোভে পা দিয়ে পরে মৃত্যুই ডেকে আনলে তিনি।
০ ও ৭ রানের সময় দুইবার জীবন পেলেও ১৯ রানের সময় আর রক্ষা পাননি তানজিদ। মোহাম্মদ নবীর বলে আফগানিস্তানের অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহীদির হাতে ক্যাচ দেন বাঁহাতি ওপেনার। আফগান অধিনায়কই ৭ রানের সময় তানজিদকে জীবন দিয়েছিলেন। তানজিদের বিদায়ের পরের ওভারে জাকির হাসান (৪) আউট হলে ম্যাচের মোড়ই ঘুরে গিয়েছে।
কুঁচকির চোটের কারণে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে না থাকা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর বদলি হিসেবে আজ সুযোগ পেয়েছিলেন জাকির। ১ চারে শুরুটা ভালোই করলেও রান আউটের ফাঁদে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন তিনি। ম্যাচের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে প্রান্ত বদল করতে গিয়ে জাকির নিজের নন স্ট্রাইক প্রান্তে ফিরে আসার আগেই স্ট্যাম্প ভেঙে দেন নানগেয়ালিয়া খারোটে।
টানা তিন ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ এখন বিপদে। ৫ রানের ব্যবধানে তিন ব্যাটারকে হারিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস এখন এলোমেলো। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১২ ওভারে ৩ উইকেটে ৬৩ রান। মিরাজের ৩ রানের বিপরীতে ৩ রানে অপরাজিত আছেন তাওহিদ হৃদয়।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 






































