ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

৭ নভেম্বর থেকে বান্দরবানে ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

দীর্ঘ ১ মাস বন্ধ থাকার পর আগামীকাল ৭ নভেম্বর থেকে বান্দরবানে পর্যটকদের জন্য ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (৬ নভেম্বর) সকালে জেলাপ্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দীন এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘোষনা দেন। এর ফলে বৃহস্পতিবার থেকে পর্যটকরা বান্দরবানের মেঘলা নীলাচল শৈলপ্রপাত চিম্বুক নীলগিরি প্রান্তিকলেকসহ লামা, আলিকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দর্শনীয় স্থান গুলো ভ্রমনে যেতে পারবেন। তবে এখনো নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে রুমা রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলা। পর্যায়ক্রমে সেগুলোও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে জানান জেলাপ্রশাসক।

এর আগে গত ৮ অক্টোবর থেকে নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় বান্দরবান রাঙামাটি খাগড়াছড়ি তিন পার্বত্য জেলা ভ্রমনে নিরুৎসাহিত করে প্রশাসন। এরপর থেকে বন্ধ হয়ে যায় বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র। বাতিল হয়ে যায় হোটেল মোটেলের বুকিং।

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে পাহাড়ী বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট কেএনএফ এর তৎপরতার কারনে বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলায় দফায় দফায় ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রশাসন। সবশেষ রুমা রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ৪ উপজেলায় পর্যটক ভ্রমনের উন্মুক্ত ছিল। গত ৮ অক্টোবর থেকে নিরাপত্তার কারনে ৪ উপজেলায়ও ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৭ নভেম্বর থেকে বান্দরবানে ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০৭:২৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০২৪

দীর্ঘ ১ মাস বন্ধ থাকার পর আগামীকাল ৭ নভেম্বর থেকে বান্দরবানে পর্যটকদের জন্য ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (৬ নভেম্বর) সকালে জেলাপ্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দীন এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘোষনা দেন। এর ফলে বৃহস্পতিবার থেকে পর্যটকরা বান্দরবানের মেঘলা নীলাচল শৈলপ্রপাত চিম্বুক নীলগিরি প্রান্তিকলেকসহ লামা, আলিকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দর্শনীয় স্থান গুলো ভ্রমনে যেতে পারবেন। তবে এখনো নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে রুমা রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলা। পর্যায়ক্রমে সেগুলোও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে জানান জেলাপ্রশাসক।

এর আগে গত ৮ অক্টোবর থেকে নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় বান্দরবান রাঙামাটি খাগড়াছড়ি তিন পার্বত্য জেলা ভ্রমনে নিরুৎসাহিত করে প্রশাসন। এরপর থেকে বন্ধ হয়ে যায় বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র। বাতিল হয়ে যায় হোটেল মোটেলের বুকিং।

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে পাহাড়ী বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট কেএনএফ এর তৎপরতার কারনে বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলায় দফায় দফায় ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রশাসন। সবশেষ রুমা রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ৪ উপজেলায় পর্যটক ভ্রমনের উন্মুক্ত ছিল। গত ৮ অক্টোবর থেকে নিরাপত্তার কারনে ৪ উপজেলায়ও ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।