ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৫০ বছর পর পাকিস্তান থেকে স্বজনদের কাছে ফিরলেন পরী সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় আ.লীগের সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা অবিলম্বে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু করতে হবে: নাহিদ ইসলাম হুথি কারা? কেন তারা সৌদি আরবে হামলা চালাচ্ছে? নিজের বাড়ির জানালা সংস্কারে এভাবে অবহেলা করতেন? হামলার ভয়ে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে: তথ্য উপদেষ্টা জন্মদিনে গাড়ি উপহার দেন মা, সেই গাড়ি দিয়ে সড়কে ৩ জনের প্রাণ নিলেন ছেলে ইন্ডিয়া জোটের পদযাত্রায় দিল্লির রাজপথে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী বাংকারযুক্ত প্রাসাদে অবস্থান বদল সৌদি যুবরাজের!

রাস্তায় চলার পথে মুমিনের শিষ্টাচার কী?: রাসুলুল্লাহর (সা.) সুন্নাহ ও দিকনির্দেশনা

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

ছবি: এআই

রাস্তায় চলাচল আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়, হাঁটার এই সাধারণ কাজটিও হতে পারে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের দারুণ এক অসিলা। প্রিয় নবী রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে চলতে হবে বিনয়, সততা ও সজাগ দৃষ্টি নিয়ে, যাতে আমাদের কারণে বিন্দুমাত্র কষ্ট না পায় অন্য কোনো পথচারী।

রাস্তার হক ও সামাজিক দায়িত্ব

একদিন সাহাবিরা রাস্তার পাশে বসে কিছু জরুরি কথা বলছিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তাদের সেখানে বসতে নিষেধ করেন। সাহাবিরা আরজ করলেন, জরুরি কথাবার্তার জন্য বসা ছাড়া তাদের অন্য কোনো উপায় নেই। তখন নবীজি (সা.) বললেন, যদি বসতেই হয়, তবে রাস্তার হক বা অধিকারগুলো আদায় করতে হবে। সাহাবিরা জানতে চাইলেন রাস্তার হক কী? উত্তরে তিনি বললেন, হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (স.) বলেছেন—

  • দৃষ্টি অবনত রাখা,
  • কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা,
  • সালামের জবাব দেওয়া,
  • সৎকাজের আদেশ করা এবং
  • অসৎকাজে নিষেধ করা।’  (বুখারি ২৪৬৫, মুসলিম ২১২১)

এর মানে হলো, জনবহুল স্থানে এমনভাবে বসা বা দাঁড়ানো যাবে না যাতে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

চোখ সামলে চলা

পথচলার সময় চোখকে সংযত রাখা মুমিনের বড় একটি গুণ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন—

قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ۚ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ   

‘মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থান হেফাজত করে। এটি তাদের জন্য অধিক পবিত্র। তারা যা করে নিশ্চয়ই আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবগত।’ (সুরা আন-নুর: আয়াত ৩০)

অনিচ্ছায় কোনো কিছু চোখে পড়ে গেলে দোষ নেই, তবে ইচ্ছা করে বারবার তাকানো থেকে বিরত থাকতে হবে। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) আলী (রা.)-কে অত্যন্ত সুন্দর একটি উপদেশ দিয়ে বলেছেন—

يَا عَلِيُّ، لَا تُتْبِعِ النَّظْرَةَ النَّظْرَةَ، فَإِنَّ لَكَ الْأُولَى وَلَيْسَتْ لَكَ الْآخِرَةُ   

‘হে আলী! এক নজরের পর দ্বিতীয় নজর দিয়ো না। প্রথম নজর তোমার জন্য ক্ষমাপ্রাপ্ত, কিন্তু দ্বিতীয় নজর তোমার জন্য নয় (অর্থাৎ তা জায়েজ নয়)।’ (তিরমিজি ২৭২৭, মুসনাদ আহমাদ ১৩০৬)

পথের কষ্ট দূর করা

রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া কেবল সাধারণ কোনো কাজ নয়, এটি ইমানের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন—

الْإِيمَانُ بِضْعٌ وَسَبْعُونَ -أَوْ بِضْعٌ وَسِتُّونَ- شُعْبَةً، فَأَفْضَلُهَا قَوْلُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَدْنَاهَا إِمَاطَةُ الْأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ، وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الْإِيمَانِ

‘ইমানের সত্তরের বেশি—অথবা ষাটের বেশি—শাখা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ শাখা হলো ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা এবং সর্বনিম্ন শাখা হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা। আর লজ্জাও ইমানের একটি শাখা।’ (মুসলিম ৩৫)

আরেকটি হাদিসে নবীজি (স.) এক ব্যক্তির জান্নাতে যাওয়ার চমৎকার একটি ঘটনা শুনিয়েছেন। রাস্তায় চলাচলের সময় এক ব্যক্তি একটি কাঁটাযুক্ত ডাল বা ক্ষতিকর বস্তু সরিয়ে দিয়েছিলেন, যাতে মানুষের কষ্ট না হয়। এই ছোট্ট আমলটি আল্লাহর এত বেশি পছন্দ হয়েছিল যে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে জান্নাত দান করেছিলেন। তাই রাস্তায় কাঁটা, কাচ, পেরেক বা অন্য কোনো ক্ষতিকর বস্তু দেখলে তা সরিয়ে দেওয়া আমাদের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব।

 

অহংকারহীন পদচারণা

হাঁটার সময় মনে কোনো ধরনের অহংকার বা লৌকিকতা রাখা যাবে না। মহাগ্রন্থ আল-কুরআনে আল্লাহ তাআলা দম্ভভরে চলাফেরা করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন—

وَلَا تَمْشِ فِي الْأَرْضِ مَرَحًا ۖ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَخُورٍ

‘আর পৃথিবীতে গর্বভরে চলাফেরা কর না। নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো দাম্ভিক ও অহংকারীকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা লুকমান: আয়াত ১৮)

হাঁটার সময় নিজেকে অন্যের চেয়ে বড় মনে করা বা কাউকে তুচ্ছজ্ঞান করা ইসলামের আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থি।

আধুনিক প্রেক্ষাপটে রাস্তার আদব

আজকের ব্যস্ত যান্ত্রিক যুগেও রাসুলুল্লাহর (স.) এসব শিক্ষা দারুণভাবে প্রাসঙ্গিক। আধুনিক জীবনে এর অর্থ দাঁড়ায়—

  • রাস্তার মোড়ে বা ফুটপাতে জটলা পাকিয়ে আড্ডা না দেওয়া, যাতে পথচারীদের চলাচলে সমস্যা হয়।
  • গাড়ি, মোটরসাইকেল বা রিকশা যত্রতত্র এমনভাবে পার্কিং না করা, যাতে অন্যের পথ আটকে যায়।
  • যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা বা প্লাস্টিক ফেলে রাস্তা নোংরা না করা।
  • বয়স্ক, শিশু বা কোনো বিপদে পড়া মানুষ রাস্তা পার হতে চাইলে বা সমস্যায় পড়লে সাধ্যমতো সাহায্য করা।

চলাফেরার সাধারণ এই নিয়মগুলো আমাদের জীবনকে সুন্দর ও শৃঙ্খলিত করে তোলে। রাস্তা কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং এটি আমাদের ভালো আচরণ, অন্যের প্রতি দয়া এবং ইমানের পরীক্ষা দেওয়ার একটি ছোট্ট আঙিনাও বটে। চলুন, প্রতিদিনের পথচলায় নবীজির এসব সোনালী সুন্নাহ মেনে চলি এবং চারপাশকে রাখি নিরাপদ ও সুন্দর।

ইসলাম   কুরআন   হাদিস   আমল   ইবাদত

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর পাকিস্তান থেকে স্বজনদের কাছে ফিরলেন পরী

রাস্তায় চলার পথে মুমিনের শিষ্টাচার কী?: রাসুলুল্লাহর (সা.) সুন্নাহ ও দিকনির্দেশনা

আপডেট সময় : ১১:০৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাস্তায় চলাচল আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়, হাঁটার এই সাধারণ কাজটিও হতে পারে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের দারুণ এক অসিলা। প্রিয় নবী রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে চলতে হবে বিনয়, সততা ও সজাগ দৃষ্টি নিয়ে, যাতে আমাদের কারণে বিন্দুমাত্র কষ্ট না পায় অন্য কোনো পথচারী।

রাস্তার হক ও সামাজিক দায়িত্ব

একদিন সাহাবিরা রাস্তার পাশে বসে কিছু জরুরি কথা বলছিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তাদের সেখানে বসতে নিষেধ করেন। সাহাবিরা আরজ করলেন, জরুরি কথাবার্তার জন্য বসা ছাড়া তাদের অন্য কোনো উপায় নেই। তখন নবীজি (সা.) বললেন, যদি বসতেই হয়, তবে রাস্তার হক বা অধিকারগুলো আদায় করতে হবে। সাহাবিরা জানতে চাইলেন রাস্তার হক কী? উত্তরে তিনি বললেন, হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (স.) বলেছেন—

  • দৃষ্টি অবনত রাখা,
  • কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা,
  • সালামের জবাব দেওয়া,
  • সৎকাজের আদেশ করা এবং
  • অসৎকাজে নিষেধ করা।’  (বুখারি ২৪৬৫, মুসলিম ২১২১)

এর মানে হলো, জনবহুল স্থানে এমনভাবে বসা বা দাঁড়ানো যাবে না যাতে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

চোখ সামলে চলা

পথচলার সময় চোখকে সংযত রাখা মুমিনের বড় একটি গুণ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন—

قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ۚ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ   

‘মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থান হেফাজত করে। এটি তাদের জন্য অধিক পবিত্র। তারা যা করে নিশ্চয়ই আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবগত।’ (সুরা আন-নুর: আয়াত ৩০)

অনিচ্ছায় কোনো কিছু চোখে পড়ে গেলে দোষ নেই, তবে ইচ্ছা করে বারবার তাকানো থেকে বিরত থাকতে হবে। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) আলী (রা.)-কে অত্যন্ত সুন্দর একটি উপদেশ দিয়ে বলেছেন—

يَا عَلِيُّ، لَا تُتْبِعِ النَّظْرَةَ النَّظْرَةَ، فَإِنَّ لَكَ الْأُولَى وَلَيْسَتْ لَكَ الْآخِرَةُ   

‘হে আলী! এক নজরের পর দ্বিতীয় নজর দিয়ো না। প্রথম নজর তোমার জন্য ক্ষমাপ্রাপ্ত, কিন্তু দ্বিতীয় নজর তোমার জন্য নয় (অর্থাৎ তা জায়েজ নয়)।’ (তিরমিজি ২৭২৭, মুসনাদ আহমাদ ১৩০৬)

পথের কষ্ট দূর করা

রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া কেবল সাধারণ কোনো কাজ নয়, এটি ইমানের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন—

الْإِيمَانُ بِضْعٌ وَسَبْعُونَ -أَوْ بِضْعٌ وَسِتُّونَ- شُعْبَةً، فَأَفْضَلُهَا قَوْلُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَدْنَاهَا إِمَاطَةُ الْأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ، وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الْإِيمَانِ

‘ইমানের সত্তরের বেশি—অথবা ষাটের বেশি—শাখা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ শাখা হলো ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা এবং সর্বনিম্ন শাখা হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা। আর লজ্জাও ইমানের একটি শাখা।’ (মুসলিম ৩৫)

আরেকটি হাদিসে নবীজি (স.) এক ব্যক্তির জান্নাতে যাওয়ার চমৎকার একটি ঘটনা শুনিয়েছেন। রাস্তায় চলাচলের সময় এক ব্যক্তি একটি কাঁটাযুক্ত ডাল বা ক্ষতিকর বস্তু সরিয়ে দিয়েছিলেন, যাতে মানুষের কষ্ট না হয়। এই ছোট্ট আমলটি আল্লাহর এত বেশি পছন্দ হয়েছিল যে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে জান্নাত দান করেছিলেন। তাই রাস্তায় কাঁটা, কাচ, পেরেক বা অন্য কোনো ক্ষতিকর বস্তু দেখলে তা সরিয়ে দেওয়া আমাদের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব।

 

অহংকারহীন পদচারণা

হাঁটার সময় মনে কোনো ধরনের অহংকার বা লৌকিকতা রাখা যাবে না। মহাগ্রন্থ আল-কুরআনে আল্লাহ তাআলা দম্ভভরে চলাফেরা করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন—

وَلَا تَمْشِ فِي الْأَرْضِ مَرَحًا ۖ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَخُورٍ

‘আর পৃথিবীতে গর্বভরে চলাফেরা কর না। নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো দাম্ভিক ও অহংকারীকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা লুকমান: আয়াত ১৮)

হাঁটার সময় নিজেকে অন্যের চেয়ে বড় মনে করা বা কাউকে তুচ্ছজ্ঞান করা ইসলামের আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থি।

আধুনিক প্রেক্ষাপটে রাস্তার আদব

আজকের ব্যস্ত যান্ত্রিক যুগেও রাসুলুল্লাহর (স.) এসব শিক্ষা দারুণভাবে প্রাসঙ্গিক। আধুনিক জীবনে এর অর্থ দাঁড়ায়—

  • রাস্তার মোড়ে বা ফুটপাতে জটলা পাকিয়ে আড্ডা না দেওয়া, যাতে পথচারীদের চলাচলে সমস্যা হয়।
  • গাড়ি, মোটরসাইকেল বা রিকশা যত্রতত্র এমনভাবে পার্কিং না করা, যাতে অন্যের পথ আটকে যায়।
  • যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা বা প্লাস্টিক ফেলে রাস্তা নোংরা না করা।
  • বয়স্ক, শিশু বা কোনো বিপদে পড়া মানুষ রাস্তা পার হতে চাইলে বা সমস্যায় পড়লে সাধ্যমতো সাহায্য করা।

চলাফেরার সাধারণ এই নিয়মগুলো আমাদের জীবনকে সুন্দর ও শৃঙ্খলিত করে তোলে। রাস্তা কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং এটি আমাদের ভালো আচরণ, অন্যের প্রতি দয়া এবং ইমানের পরীক্ষা দেওয়ার একটি ছোট্ট আঙিনাও বটে। চলুন, প্রতিদিনের পথচলায় নবীজির এসব সোনালী সুন্নাহ মেনে চলি এবং চারপাশকে রাখি নিরাপদ ও সুন্দর।

ইসলাম   কুরআন   হাদিস   আমল   ইবাদত