ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেদিন ডিবি কার্যালয়ে কী ঘটেছিল, জানালেন সারজিস

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে

সারজিস আলম। ফাইল ছবি

চব্বিশের গণ-আন্দোলন চলাকালে ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার পর তাদের ওপর চালানো চরম মানসিক নির্যাতনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন সারজিস আলম। 

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সায়েন্সল্যাবের একটি বাসা থেকে তাকে এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের দুজনকে ডিবি কার্যালয়ে আলাদা কক্ষে আটকে রাখা হয়।

সারজিস আলম জানান, আলাদা রুমে রেখে ২৪ ঘণ্টা বাথরুমের দরজার সামনের চেয়ারে বসিয়ে তাদের ঘুমাতে দেওয়া হতো না। এমনকি পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার মতো ভয় দেখিয়ে তাদের মানসিক টর্চার করা হতো।

 

ডিবি কার্যালয়ের সেই ড্রামার পেছনের কথা প্রকাশ করে তিনি বলেন, তৎকালীন ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ তাদের হাতে একটি স্ক্রিপ্ট ধরিয়ে দিয়ে তা পড়্তে বলেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং সেখান থেকে কোনোমতে বেরিয়ে আসার তাগিদে নাহিদ ইসলাম প্রথমে তাতে সম্মত হন। পরবর্তীতে তাদের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করা হয়।

সারজিস আলম ডিবির এই নাটক নিয়ে আরও বলেন, মাত্র কয়েক লাইনের একটি লেখা পড়িয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের যে নাটক সাজানো হয়েছিল, সাধারণ জনগণ তা এক মুহূর্তেই ধরে ফেলেছিল। সবাই বুঝে গিয়েছিল যে অস্ত্রের মুখেই এই বিবৃতি আদায় করা হয়েছে।

সারজিস আলম 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

সেদিন ডিবি কার্যালয়ে কী ঘটেছিল, জানালেন সারজিস

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চব্বিশের গণ-আন্দোলন চলাকালে ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার পর তাদের ওপর চালানো চরম মানসিক নির্যাতনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন সারজিস আলম। 

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সায়েন্সল্যাবের একটি বাসা থেকে তাকে এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের দুজনকে ডিবি কার্যালয়ে আলাদা কক্ষে আটকে রাখা হয়।

সারজিস আলম জানান, আলাদা রুমে রেখে ২৪ ঘণ্টা বাথরুমের দরজার সামনের চেয়ারে বসিয়ে তাদের ঘুমাতে দেওয়া হতো না। এমনকি পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার মতো ভয় দেখিয়ে তাদের মানসিক টর্চার করা হতো।

 

ডিবি কার্যালয়ের সেই ড্রামার পেছনের কথা প্রকাশ করে তিনি বলেন, তৎকালীন ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ তাদের হাতে একটি স্ক্রিপ্ট ধরিয়ে দিয়ে তা পড়্তে বলেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং সেখান থেকে কোনোমতে বেরিয়ে আসার তাগিদে নাহিদ ইসলাম প্রথমে তাতে সম্মত হন। পরবর্তীতে তাদের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করা হয়।

সারজিস আলম ডিবির এই নাটক নিয়ে আরও বলেন, মাত্র কয়েক লাইনের একটি লেখা পড়িয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের যে নাটক সাজানো হয়েছিল, সাধারণ জনগণ তা এক মুহূর্তেই ধরে ফেলেছিল। সবাই বুঝে গিয়েছিল যে অস্ত্রের মুখেই এই বিবৃতি আদায় করা হয়েছে।

সারজিস আলম