ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষিকার ধর্ষণ মামলা

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, বিয়ের আশ্বাসে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকা। 

বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাদুল্লাপুর থানার ওসি এ কে এম হাবিবুর রহমান।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের সঙ্গে ওই শিক্ষিকার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে চেয়ারম্যান তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরে বিয়ের কথা বললে বিভিন্ন কৌশলে তা এড়িয়ে যেতে থাকেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, চেয়ারম্যানের সহযোগী ছালেহীন আকন্দ গোপনে শিক্ষিকার ছবি ধারণ করেন। পরে ছবি বিকৃত করে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়। এ ছাড়া ৩০০ টাকার ফাঁকা স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর নেওয়া এবং বিয়ের খরচের কথা বলে ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষিকার দাবি, চেয়ারম্যানের বিয়ের আশ্বাসে তিনি তার প্রথম সংসার ভেঙে দেন। ওই সংসারে তার দুটি সন্তান রয়েছে। পরে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে তিনি থানায় অভিযোগ করেন। তবে মামলা গ্রহণ না করায় গত ১৬ আগস্ট আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। শুনানি শেষে আদালত থানাকে অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এদিকে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সংবাদ সম্মেলন করে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম। নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তিনি ঘটনাটিকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উল্লেখ করেন।

সাদুল্লাপুর থানার ওসি এ কে এম হাবিবুর রহমান বলেন, ধর্ষণ, প্রতারণাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়াও চলছে।

গাইবান্ধা   ধর্ষণ

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষিকার ধর্ষণ মামলা

আপডেট সময় : ০৫:১৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, বিয়ের আশ্বাসে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকা। 

বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাদুল্লাপুর থানার ওসি এ কে এম হাবিবুর রহমান।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের সঙ্গে ওই শিক্ষিকার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে চেয়ারম্যান তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরে বিয়ের কথা বললে বিভিন্ন কৌশলে তা এড়িয়ে যেতে থাকেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, চেয়ারম্যানের সহযোগী ছালেহীন আকন্দ গোপনে শিক্ষিকার ছবি ধারণ করেন। পরে ছবি বিকৃত করে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়। এ ছাড়া ৩০০ টাকার ফাঁকা স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর নেওয়া এবং বিয়ের খরচের কথা বলে ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষিকার দাবি, চেয়ারম্যানের বিয়ের আশ্বাসে তিনি তার প্রথম সংসার ভেঙে দেন। ওই সংসারে তার দুটি সন্তান রয়েছে। পরে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে তিনি থানায় অভিযোগ করেন। তবে মামলা গ্রহণ না করায় গত ১৬ আগস্ট আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। শুনানি শেষে আদালত থানাকে অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এদিকে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সংবাদ সম্মেলন করে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম। নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তিনি ঘটনাটিকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উল্লেখ করেন।

সাদুল্লাপুর থানার ওসি এ কে এম হাবিবুর রহমান বলেন, ধর্ষণ, প্রতারণাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়াও চলছে।

গাইবান্ধা   ধর্ষণ