ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট রয়ে যাবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৪৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট রয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এ সংকট মোকাবিলায় ভারত মহাসাগরের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তৃতাকালে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এক উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে জ্বালানি সংকট দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই সময়ে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে। অপরের প্রয়োজন উপলব্ধি করতে হবে এবং সম্মিলিত সম্পদকে স্বীকৃতি দিতে হবে।’

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পুরো কাঠামো নতুন করে পর্যালোচনার দাবি রাখে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারণাগুলো পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই সামাজিক-অর্থনৈতিকভাবে প্রান্তিক ও পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর বিশাল অংশকে কীভাবে সর্বোত্তম সুরক্ষা দেওয়া যায়, উন্নয়নমূলক অর্জনগুলো কীভাবে রক্ষা করা যায় এবং সংকটগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে ভাবা ক্রমশ জরুরি হয়ে পড়ছে।’

সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কথা উল্লেখ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। যার মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে আরও গভীরভাবে একীভূত করা এবং একই সঙ্গে জেলা ও উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে শক্তিশালী করা। এতে স্থানীয় উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।’

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির জন্য টেকসই পথ তৈরিতে ভারত মহাসাগরের ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সময় এমন একটি সময়, যখন প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নয়নের এক গভীর চালিকাশক্তি। এই সময়ে তরুণ ও উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সক্ষমতা ও সুযোগগুলোকে কাজে লাগানো যৌক্তিক। সেই সঙ্গে সব খাতে উদ্ভাবনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) নেতৃত্ব দেওয়ার দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।’

এ সময় আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়মূলক পদক্ষেপগুলো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট রয়ে যাবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:৪৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট রয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এ সংকট মোকাবিলায় ভারত মহাসাগরের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তৃতাকালে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এক উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে জ্বালানি সংকট দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই সময়ে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে। অপরের প্রয়োজন উপলব্ধি করতে হবে এবং সম্মিলিত সম্পদকে স্বীকৃতি দিতে হবে।’

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পুরো কাঠামো নতুন করে পর্যালোচনার দাবি রাখে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারণাগুলো পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই সামাজিক-অর্থনৈতিকভাবে প্রান্তিক ও পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর বিশাল অংশকে কীভাবে সর্বোত্তম সুরক্ষা দেওয়া যায়, উন্নয়নমূলক অর্জনগুলো কীভাবে রক্ষা করা যায় এবং সংকটগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে ভাবা ক্রমশ জরুরি হয়ে পড়ছে।’

সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কথা উল্লেখ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। যার মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে আরও গভীরভাবে একীভূত করা এবং একই সঙ্গে জেলা ও উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে শক্তিশালী করা। এতে স্থানীয় উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।’

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির জন্য টেকসই পথ তৈরিতে ভারত মহাসাগরের ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সময় এমন একটি সময়, যখন প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নয়নের এক গভীর চালিকাশক্তি। এই সময়ে তরুণ ও উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সক্ষমতা ও সুযোগগুলোকে কাজে লাগানো যৌক্তিক। সেই সঙ্গে সব খাতে উদ্ভাবনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) নেতৃত্ব দেওয়ার দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।’

এ সময় আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়মূলক পদক্ষেপগুলো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।