ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একযোগে মধ্যপ্রাচ্যের ২৭ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলার করেছে। 

একই সঙ্গে ইসরায়েলের রাজধানী তেলআবিবসহ বিভিন্ন শহরে ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর যৌথ হামলা ও বোমাবর্ষণের পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে এটি ছিল তেহরানের পক্ষ থেকে ষষ্ঠ দফার হামলা।

এই অভিযানে ইসরায়েল এবং অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় মার্কিন ঘাঁটিগুলো ছাড়াও ইসরায়েলের তেল নোফ বিমান ঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান সদর দপ্তর ‘হাকিরিয়া’ এবং একই শহরের একটি বিশাল প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্স অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ইরান এই হামলাকে কেবল শুরু হিসেবে উল্লেখ করে সতর্ক করেছে যে তাদের বাহিনী ভবিষ্যতে আরও কঠোর এবং ভিন্নধর্মী প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, যা শত্রু পক্ষকে একের পর এক শোচনীয় আঘাতের সম্মুখীন করবে।

এদিকে, ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত হতেই তেহরানে শোকের ছায়া নেমে আসে।

রাস্তায় নেমে পড়েছেন অনেকে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন নারীরা। ইরানি নারীদের খামেনির ছবি হাতে কাঁদতে দেখা গেছে।

ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা রোববার (১ মার্চ) সকালে জানিয়েছে, দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচারব্যবস্থার প্রধান এবং অভিভাবক কাউন্সিলের এক আইন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে আপাতত একটি তিন সদস্যের কাউন্সিল তৈরি করা হচ্ছে। পরবর্তী শাসক নির্ধারিত না-হওয়া পর্যন্ত সাময়িক ভাবে এই কাউন্সিল দেশ চালাবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফের ২৫ এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আশঙ্কা বায়রার একাংশের

একযোগে মধ্যপ্রাচ্যের ২৭ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

আপডেট সময় : ১১:৫০:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলার করেছে। 

একই সঙ্গে ইসরায়েলের রাজধানী তেলআবিবসহ বিভিন্ন শহরে ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর যৌথ হামলা ও বোমাবর্ষণের পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে এটি ছিল তেহরানের পক্ষ থেকে ষষ্ঠ দফার হামলা।

এই অভিযানে ইসরায়েল এবং অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় মার্কিন ঘাঁটিগুলো ছাড়াও ইসরায়েলের তেল নোফ বিমান ঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান সদর দপ্তর ‘হাকিরিয়া’ এবং একই শহরের একটি বিশাল প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্স অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ইরান এই হামলাকে কেবল শুরু হিসেবে উল্লেখ করে সতর্ক করেছে যে তাদের বাহিনী ভবিষ্যতে আরও কঠোর এবং ভিন্নধর্মী প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, যা শত্রু পক্ষকে একের পর এক শোচনীয় আঘাতের সম্মুখীন করবে।

এদিকে, ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত হতেই তেহরানে শোকের ছায়া নেমে আসে।

রাস্তায় নেমে পড়েছেন অনেকে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন নারীরা। ইরানি নারীদের খামেনির ছবি হাতে কাঁদতে দেখা গেছে।

ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা রোববার (১ মার্চ) সকালে জানিয়েছে, দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচারব্যবস্থার প্রধান এবং অভিভাবক কাউন্সিলের এক আইন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে আপাতত একটি তিন সদস্যের কাউন্সিল তৈরি করা হচ্ছে। পরবর্তী শাসক নির্ধারিত না-হওয়া পর্যন্ত সাময়িক ভাবে এই কাউন্সিল দেশ চালাবে।