ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধান এখন ‘সহজসাধ্য’: ট্রাম্প

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক সমাধান এখন ‘সহজেই’ অর্জন করা সম্ভব।

প্রেসিডেন্ট সফরসঙ্গী সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা না বললেও শনিবার সারা দিন তিনি বিভিন্ন মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্কে ফোনকলে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। সিবিএস নিউজের বব কস্তাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘মার্কিন সামরিক অভিযান অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে চলছে। এক দিন আগের তুলনায় এখন কূটনৈতিক সমঝোতা অনেক বেশি সহজ হয়ে গেছে। কারণ, তারা (ইরান) বর্তমানে প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে এবং ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

চলতি সপ্তাহে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার সর্বশেষ ধাপ কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। এরপরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেয়, যা শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ হামলায় রূপ নেয়। ট্রাম্পের মতে, এই সামরিক চাপই ইরানকে আলোচনার টেবিলে শর্ত মানতে বাধ্য করবে।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবর ট্রাম্প নিজেই নিশ্চিত করেছেন, যদিও ইরানের সরকারি কর্মকর্তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করেননি। খামেনির পর কে ইরানের হাল ধরবেন— এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি কারও নাম না বললেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, তার পছন্দের ‘যোগ্য কিছু প্রার্থী’ রয়েছেন, যাদের তিনি ইরানের ক্ষমতায় দেখতে চান।

যদিও ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলছেন, তবু তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের শব্দ এখনো শোনা যাচ্ছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যতক্ষণ না ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি ও আঞ্চলিক কার্যক্রম নিয়ে ওয়াশিংটনের শর্ত মেনে নিচ্ছে, ততক্ষণ সামরিক চাপ অব্যাহত থাকবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফের ২৫ এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আশঙ্কা বায়রার একাংশের

ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধান এখন ‘সহজসাধ্য’: ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১১:৪৭:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক সমাধান এখন ‘সহজেই’ অর্জন করা সম্ভব।

প্রেসিডেন্ট সফরসঙ্গী সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা না বললেও শনিবার সারা দিন তিনি বিভিন্ন মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্কে ফোনকলে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। সিবিএস নিউজের বব কস্তাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘মার্কিন সামরিক অভিযান অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে চলছে। এক দিন আগের তুলনায় এখন কূটনৈতিক সমঝোতা অনেক বেশি সহজ হয়ে গেছে। কারণ, তারা (ইরান) বর্তমানে প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে এবং ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

চলতি সপ্তাহে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার সর্বশেষ ধাপ কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। এরপরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেয়, যা শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ হামলায় রূপ নেয়। ট্রাম্পের মতে, এই সামরিক চাপই ইরানকে আলোচনার টেবিলে শর্ত মানতে বাধ্য করবে।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবর ট্রাম্প নিজেই নিশ্চিত করেছেন, যদিও ইরানের সরকারি কর্মকর্তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করেননি। খামেনির পর কে ইরানের হাল ধরবেন— এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি কারও নাম না বললেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, তার পছন্দের ‘যোগ্য কিছু প্রার্থী’ রয়েছেন, যাদের তিনি ইরানের ক্ষমতায় দেখতে চান।

যদিও ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলছেন, তবু তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের শব্দ এখনো শোনা যাচ্ছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যতক্ষণ না ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি ও আঞ্চলিক কার্যক্রম নিয়ে ওয়াশিংটনের শর্ত মেনে নিচ্ছে, ততক্ষণ সামরিক চাপ অব্যাহত থাকবে।