ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবারও জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:২৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

গত বছরের মতো এবারের রোজার ঈদেও বাংলাদেশে জনপ্রতি ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার একই ছিল।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের এই হার নির্ধারণ করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান।

ইসলামী শরিয়াহ মতে, আটা, যব, কিশমিশ, খেজুর, পনির ইত্যাদি পণ্যগুলোর যেকোনো একটি দিয়ে ফিতরা দেওয়া যায়। গম বা আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য দিতে হবে। যব দিয়ে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য, খেজুর দিয়ে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য, কিশমিশ দিয়ে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য এবং পনির দিয়ে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য দিয়ে ফিতরা দিতে হবে। নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এই পণ্যগুলোর যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজারমূল্য দিয়ে ফিতরা আদায় করতে পারবেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বিপক্ষে ‘লজ্জার রেকর্ড’ থেকে বাংলাদেশের মুক্তি

এবারও জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা

আপডেট সময় : ০১:২৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গত বছরের মতো এবারের রোজার ঈদেও বাংলাদেশে জনপ্রতি ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার একই ছিল।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের এই হার নির্ধারণ করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান।

ইসলামী শরিয়াহ মতে, আটা, যব, কিশমিশ, খেজুর, পনির ইত্যাদি পণ্যগুলোর যেকোনো একটি দিয়ে ফিতরা দেওয়া যায়। গম বা আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য দিতে হবে। যব দিয়ে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য, খেজুর দিয়ে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য, কিশমিশ দিয়ে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য এবং পনির দিয়ে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য দিয়ে ফিতরা দিতে হবে। নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এই পণ্যগুলোর যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজারমূল্য দিয়ে ফিতরা আদায় করতে পারবেন।