ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইন লিকেস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ শাওন (১৬) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে মেল হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এমএইচডিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ওই কিশোর।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, গতকাল রাতে চট্টগ্রাম থেকে ৯ জন দগ্ধ রোগীকে আনা হয়। আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে শাওন নামে এক কিশোর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এর আগে গতকাল জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা নুরজাহান আক্তার রানীকে মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরের ১০০ ভাগ দগ্ধ ছিল। এই ঘটনা এখন পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শাখাওয়াত ও পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। শিপনের ৮০ শতাংশ, সামিরের ৪৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, উম্মে আয়মান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

এর আগে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে নগরীর হালিশহর এলাকার এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

দগ্ধরা হলেন— শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার ভাই মো. শিপন (৩১), মো. সামির আহমেদ সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো. শাওন (১৬), সামিরের বড় ছেলে মো. ফারহান আহমেদ আনাস (৬), শাখাওয়াতের ছোট মেয়ে আইমান স্নিগ্ধা (৯), সামিরের ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪) এবং সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫)। এছাড়া এই ঘটনায় শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০) মারা গেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:১৫:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইন লিকেস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ শাওন (১৬) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে মেল হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এমএইচডিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ওই কিশোর।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, গতকাল রাতে চট্টগ্রাম থেকে ৯ জন দগ্ধ রোগীকে আনা হয়। আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে শাওন নামে এক কিশোর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এর আগে গতকাল জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা নুরজাহান আক্তার রানীকে মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরের ১০০ ভাগ দগ্ধ ছিল। এই ঘটনা এখন পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শাখাওয়াত ও পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। শিপনের ৮০ শতাংশ, সামিরের ৪৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, উম্মে আয়মান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

এর আগে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে নগরীর হালিশহর এলাকার এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

দগ্ধরা হলেন— শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার ভাই মো. শিপন (৩১), মো. সামির আহমেদ সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো. শাওন (১৬), সামিরের বড় ছেলে মো. ফারহান আহমেদ আনাস (৬), শাখাওয়াতের ছোট মেয়ে আইমান স্নিগ্ধা (৯), সামিরের ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪) এবং সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫)। এছাড়া এই ঘটনায় শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০) মারা গেছেন।