এ সময় তিনি আরও যোগ করেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণার সামগ্রিক চিত্র খুবই ইতিবাচক।’
বৈঠকে সরকারের এসডিজি সমন্বয়ক ও জ্যেষ্ঠ সচিব লামিয়া মোরশেদও উপস্থিত ছিলেন।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : এ সময় তিনি আরও যোগ করেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণার সামগ্রিক চিত্র খুবই ইতিবাচক।’
বৈঠকে সরকারের এসডিজি সমন্বয়ক ও জ্যেষ্ঠ সচিব লামিয়া মোরশেদও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করা, বাংলাদেশ ও ইইউ’র মধ্যে নির্বিঘ্ন বাণিজ্য সম্পর্ক নিশ্চিত করা এবং দেশের ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে আরও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মতবিনিময় হয়।
এছাড়া আসন্ন নির্বাচন এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক মোতায়েন নিয়েও আলোচনা হয়।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সম্প্রতি জাপানের সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) সম্পন্ন করেছে, যার ফলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩০০-এর বেশি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জাপানের সঙ্গে ইপিএ আমাদের জন্য নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। এটি আমাদের রপ্তানি পণ্যের জন্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আমরা অবশ্যই ইইউ’র সঙ্গে একটি এফটিএ স্বাক্ষরের আশা করি, যাতে আমাদের বাজার আরও সম্প্রসারিত হয়।’
ইউরোচ্যাম চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজ বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর ইইউতে বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা হারানোর আশঙ্কা থাকায় বাংলাদেশের জরুরি ভিত্তিতে এফটিএ আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘একটি এফটিএ বাংলাদেশে আরও ইউরোপীয় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং উন্নত পশ্চিমা বাজারে রপ্তানি বাড়াবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা একটি এফটিএ’র পক্ষে জোরালোভাবে কথা বলছি। আমি ইউরোপে গিয়ে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করব।’
ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের ধরন পরিবর্তিত হবে, তবে তা ২০২৯ সালের আগে নয়।
তিনি প্রায় ২০ কোটি জনসংখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আনার বিষয়ে ইইউ’র গভীর আগ্রহের কথা তুলে ধরেন এবং ২০২৬ সালে একটি ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম আয়োজনের প্রস্তুতির কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই প্রাথমিক রাজনৈতিক বার্তা, যাতে ইইউ কোম্পানিগুলো নিশ্চিত হয় যে তারা এখানে আসতে উৎসাহিত হবে এবং সমান সুযোগ পাবে।’