ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

প্রাকৃতিক মূলধন নষ্ট হলে উন্নয়ন টেকসই হবে না: মালিক ফিদা এ খান

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

প্রাকৃতিক মূলধন রক্ষা না করলে কোনো উন্নয়ন টেকসই হবে না এমন মন্তব্য করে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এর নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা আবদুল্লাহ খান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন হয়তো দৃশ্যমান, কিন্তু পরিবেশ ও জলবায়ু বিবেচনা ছাড়া তা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাই আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ম্যানিফেস্টোতে শুধু অবকাঠামো নয়, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ— অর্থাৎ ‘ন্যাচারাল ক্যাপিটাল’ রক্ষার স্পষ্ট পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।’

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদফতরে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে পরিবেশ, রাজনীতি ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মালিক ফিদা আবদুল্লাহ খান বলেন, ‘আপনারা কি দেখেছেন যে হাওড়ের ওপর একটা রাস্তা হয়েছে? মনে করেন, রাস্তাটা করা ঠিক হয়েছে। তাহলে পলিটিশিয়ানরা যখন আসবে, আমাদের পরে তাদেরকে জিজ্ঞেস করবেন যে এই রাস্তার বিকল্প কী? মানে আমরা বলছি না যে রাস্তা হবে না। রাস্তা হবে। কিন্তু রাস্তাটা করতে হবে এনভায়রনমেন্ট ফ্রেন্ডলিভাবে। যেটা আমরা করি নাই, আমাদের নেক্সট জেনারেশনের জন্য করি নাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যে পানি আসে, সেটাকে আমরা আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি বলি। আমি আন্তঃসীমান্ত নদী নিয়ে কাজ করি। আমাদের আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৪টি ভারতের সঙ্গে, আর তিনটি মায়ানমারের সঙ্গে এই ৫৭টি নদীর ব্যবস্থাপনা তারা কীভাবে করবে? ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে গঙ্গা চুক্তি শেষ হয়ে যাবে— তার ব্যাপারেও স্পেসিফিক প্রশ্ন করতে হবে রাজনীতিবিদের কাছে।’

মালিক ফিদা বলেন, ‘পানি সবকিছুর মূল। পানি কৃষির সঙ্গে জড়িত, ওয়াটার ডিজাস্টারের সঙ্গে জড়িত, ওয়াটার সাপ্লাই ও স্যানিটেশনের সঙ্গে জড়িত। প্রতিটি দলের ম্যানিফেস্টোতে তারা কীভাবে এই ডেভেলপমেন্ট বা ওয়াটার ম্যানেজমেন্টকে দেখাচ্ছে— এটা প্রশ্ন করতে হবে। তারা উত্তর কী দেয়, তা দেখতে হবে। এটা হয়তো লং টার্ম বা শর্ট টার্ম—পাঁচ বছরের পরিকল্পনা হতে পারে। কিন্তু তাদের ওয়াটার ম্যানেজমেন্টের ভিশন স্পষ্টভাবে দেখতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখনও কোনো দলের ম্যানিফেস্টোতে পানি নিয়ে সুন্দর কোনো পরিকল্পনা দেখিনি। ট্রান্স-বাউন্ডারি ওয়াটার ম্যানেজমেন্টের জন্য আমাদের ইয়াংদেরকে কীভাবে গড়ে তোলা হবে? আমি এমআইটি-তে ওয়াটার ডিপ্লোম্যাসির ওপর দুই সপ্তাহের কোর্স করেছি; কীভাবে নেগোসিয়েশন করতে হয় সে বিষয়ে। এই দেশ নদীমাত্রিক, তাই ওয়াটার ডিপ্লোম্যাট দরকার। এই ধরনের ট্রেনিং বাংলাদেশে হওয়া দরকার।’

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রাকৃতিক মূলধন নষ্ট হলে উন্নয়ন টেকসই হবে না: মালিক ফিদা এ খান

আপডেট সময় : ০৬:২৮:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

প্রাকৃতিক মূলধন রক্ষা না করলে কোনো উন্নয়ন টেকসই হবে না এমন মন্তব্য করে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এর নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা আবদুল্লাহ খান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন হয়তো দৃশ্যমান, কিন্তু পরিবেশ ও জলবায়ু বিবেচনা ছাড়া তা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাই আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ম্যানিফেস্টোতে শুধু অবকাঠামো নয়, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ— অর্থাৎ ‘ন্যাচারাল ক্যাপিটাল’ রক্ষার স্পষ্ট পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।’

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদফতরে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে পরিবেশ, রাজনীতি ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মালিক ফিদা আবদুল্লাহ খান বলেন, ‘আপনারা কি দেখেছেন যে হাওড়ের ওপর একটা রাস্তা হয়েছে? মনে করেন, রাস্তাটা করা ঠিক হয়েছে। তাহলে পলিটিশিয়ানরা যখন আসবে, আমাদের পরে তাদেরকে জিজ্ঞেস করবেন যে এই রাস্তার বিকল্প কী? মানে আমরা বলছি না যে রাস্তা হবে না। রাস্তা হবে। কিন্তু রাস্তাটা করতে হবে এনভায়রনমেন্ট ফ্রেন্ডলিভাবে। যেটা আমরা করি নাই, আমাদের নেক্সট জেনারেশনের জন্য করি নাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যে পানি আসে, সেটাকে আমরা আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি বলি। আমি আন্তঃসীমান্ত নদী নিয়ে কাজ করি। আমাদের আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৪টি ভারতের সঙ্গে, আর তিনটি মায়ানমারের সঙ্গে এই ৫৭টি নদীর ব্যবস্থাপনা তারা কীভাবে করবে? ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে গঙ্গা চুক্তি শেষ হয়ে যাবে— তার ব্যাপারেও স্পেসিফিক প্রশ্ন করতে হবে রাজনীতিবিদের কাছে।’

মালিক ফিদা বলেন, ‘পানি সবকিছুর মূল। পানি কৃষির সঙ্গে জড়িত, ওয়াটার ডিজাস্টারের সঙ্গে জড়িত, ওয়াটার সাপ্লাই ও স্যানিটেশনের সঙ্গে জড়িত। প্রতিটি দলের ম্যানিফেস্টোতে তারা কীভাবে এই ডেভেলপমেন্ট বা ওয়াটার ম্যানেজমেন্টকে দেখাচ্ছে— এটা প্রশ্ন করতে হবে। তারা উত্তর কী দেয়, তা দেখতে হবে। এটা হয়তো লং টার্ম বা শর্ট টার্ম—পাঁচ বছরের পরিকল্পনা হতে পারে। কিন্তু তাদের ওয়াটার ম্যানেজমেন্টের ভিশন স্পষ্টভাবে দেখতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখনও কোনো দলের ম্যানিফেস্টোতে পানি নিয়ে সুন্দর কোনো পরিকল্পনা দেখিনি। ট্রান্স-বাউন্ডারি ওয়াটার ম্যানেজমেন্টের জন্য আমাদের ইয়াংদেরকে কীভাবে গড়ে তোলা হবে? আমি এমআইটি-তে ওয়াটার ডিপ্লোম্যাসির ওপর দুই সপ্তাহের কোর্স করেছি; কীভাবে নেগোসিয়েশন করতে হয় সে বিষয়ে। এই দেশ নদীমাত্রিক, তাই ওয়াটার ডিপ্লোম্যাট দরকার। এই ধরনের ট্রেনিং বাংলাদেশে হওয়া দরকার।’