ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাদি হত্যার নির্দেশদাতা কে এই বাপ্পী?

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর নাম উল্লেখ করেছে পুলিশের এ গোয়েন্দা শাখা।  

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মিন্টো রোডের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর সরাসরি নির্দেশে ওসমান হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়। তদন্তে জানা গেছে, আওয়ামী বিরোধী কার্যক্রম এবং কঠোর রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই তাঁকে টার্গেট করা হয়েছিল।

ডিবি প্রধান জানান, ঘটনাটির তদন্ত শেষে ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ১২ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং ৫ জন পলাতক রয়েছেন। তদন্তে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও তিনি জানান।

ফয়সাল করিম মাসুদের প্রকাশিত ভিডিওবার্তা প্রসঙ্গে শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি নিজের বক্তব্য প্রচার করতে পারেন, তবে তদন্তে তাঁর সম্পৃক্ততার প্রমাণ ডিবির হাতে রয়েছে।

গত ১২ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ঢাকা মহানগরের পুরানা পল্টনের বক্স–কালভার্ট রোডে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তিন দিন পর ১৮ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় ফয়সাল করিম মাসুদকে আসামি করে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। পরে ওসমান হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

হাদি হত্যার নির্দেশদাতা কে এই বাপ্পী?

আপডেট সময় : ০৬:০১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর নাম উল্লেখ করেছে পুলিশের এ গোয়েন্দা শাখা।  

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মিন্টো রোডের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর সরাসরি নির্দেশে ওসমান হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়। তদন্তে জানা গেছে, আওয়ামী বিরোধী কার্যক্রম এবং কঠোর রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই তাঁকে টার্গেট করা হয়েছিল।

ডিবি প্রধান জানান, ঘটনাটির তদন্ত শেষে ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ১২ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং ৫ জন পলাতক রয়েছেন। তদন্তে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও তিনি জানান।

ফয়সাল করিম মাসুদের প্রকাশিত ভিডিওবার্তা প্রসঙ্গে শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি নিজের বক্তব্য প্রচার করতে পারেন, তবে তদন্তে তাঁর সম্পৃক্ততার প্রমাণ ডিবির হাতে রয়েছে।

গত ১২ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ঢাকা মহানগরের পুরানা পল্টনের বক্স–কালভার্ট রোডে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তিন দিন পর ১৮ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় ফয়সাল করিম মাসুদকে আসামি করে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। পরে ওসমান হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়