ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৩০ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুবাই ও শারজাহ থেকে আসা পৃথক দুটি ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে এই সিগারেট উদ্ধার করা হয়। মোট ১ হাজার ৫১৪টি কার্টনে থাকা ‘মন্ড’ ব্র্যান্ডের ৩ লাখ ২ হাজার ৮০০ শলাকা সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।

দুবাই থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের (বিএস-৩৪৪) চার যাত্রীর কাছ থেকে ৯৮৯ কার্টন উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন—মিজানুর রহমান (২৩০ কার্টন), মো. রেদোয়ান (২৭০ কার্টন), রেজাউল করিম (২৩৯ কার্টন) এবং সালাউদ্দিন (২৫০ কার্টন)। শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার (জি ৯৫২০) ফ্লাইট থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় আরও ৫২৫ কার্টন পাওয়া গেছে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব সিগারেটের প্যাকেটে আইনানুগ সতর্কীকরণ লেখা ও ছবি থাকা বাধ্যতামূলক হলেও তা প্রতিপালিত হয়নি। অনুমোদনবিহীন শুল্ক ফাঁকির মাধ্যমে সিগারেট চোরাচালানের চেষ্টা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল জানান, জব্দকৃত সিগারেটগুলো ডিটেনশন মেমো (ডিএম) মূলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের গুদামে সংরক্ষিত হয়েছে। কাস্টমস আইন অনুসারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৩০ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ

আপডেট সময় : ১০:৫২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুবাই ও শারজাহ থেকে আসা পৃথক দুটি ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে এই সিগারেট উদ্ধার করা হয়। মোট ১ হাজার ৫১৪টি কার্টনে থাকা ‘মন্ড’ ব্র্যান্ডের ৩ লাখ ২ হাজার ৮০০ শলাকা সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।

দুবাই থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের (বিএস-৩৪৪) চার যাত্রীর কাছ থেকে ৯৮৯ কার্টন উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন—মিজানুর রহমান (২৩০ কার্টন), মো. রেদোয়ান (২৭০ কার্টন), রেজাউল করিম (২৩৯ কার্টন) এবং সালাউদ্দিন (২৫০ কার্টন)। শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার (জি ৯৫২০) ফ্লাইট থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় আরও ৫২৫ কার্টন পাওয়া গেছে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব সিগারেটের প্যাকেটে আইনানুগ সতর্কীকরণ লেখা ও ছবি থাকা বাধ্যতামূলক হলেও তা প্রতিপালিত হয়নি। অনুমোদনবিহীন শুল্ক ফাঁকির মাধ্যমে সিগারেট চোরাচালানের চেষ্টা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল জানান, জব্দকৃত সিগারেটগুলো ডিটেনশন মেমো (ডিএম) মূলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের গুদামে সংরক্ষিত হয়েছে। কাস্টমস আইন অনুসারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ চলছে।