ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

নির্বাচনে ফেসবুকের ক্ষতিকর কনটেন্ট সরাতে সরকারের চিঠি

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং সহিংসতায় উসকানি দেয়— এমন কনটেন্ট তাৎক্ষণিক সরাতে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির (এনসিএসএ) পক্ষ থেকে মেটার কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। 

মেটার ভাইস প্রেসিডেন্ট (পাবলিক পলিসি) সাইমন মিলনার, পরিচালক (পাবলিক পলিসি, আঞ্চলিক কার্যালয়) সারিম আজিজ এবং হেড অব হিউম্যান রাইটস পলিসি ফ্রেডেরিক রসকিকে পাঠানো হয়েছে এই চিঠি। এতে বলা হয়েছে, ফেসবুক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহিংসতা উসকে দিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বানচালের চেষ্টা চলছে।

এনসিএসএ জানিয়েছে, বাংলাদেশে মেটার কোনো স্থানীয় কার্যালয় না থাকায় জরুরি নিয়ন্ত্রক ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত যোগাযোগ সাধারণত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং এনসিএসএর মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ফেসবুকসহ অন্যান্য মেটার প্ল্যাটফর্ম সহিংসতা উসকানোর কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গণমাধ্যমে হামলার ঘটনা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু পক্ষ ফেসবুকে প্রকাশ্যে এই ঘটনার সমর্থন জানিয়ে সহিংসতা উসকিয়েছে, যার প্রভাব সরাসরি বাস্তব জীবনে দেখা গেছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা উসকানিমূলক কনটেন্ট বন্ধে একাধিক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করার অনুরোধ করলেও মেটা সময়মতো সহযোগিতা করেনি। চিঠিতে মেটাকে আহ্বান জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ-সংক্রান্ত কন্টেন্টে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড কঠোরভাবে প্রয়োগ, বাংলা ভাষায় কনটেন্ট মডারেশন ও সেন্টিমেন্ট অ্যানালাইসিস জোরদার করা এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাড়তি নজরদারি যেন বজায় রাখে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নির্বাচনে ফেসবুকের ক্ষতিকর কনটেন্ট সরাতে সরকারের চিঠি

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতীয় নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং সহিংসতায় উসকানি দেয়— এমন কনটেন্ট তাৎক্ষণিক সরাতে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির (এনসিএসএ) পক্ষ থেকে মেটার কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। 

মেটার ভাইস প্রেসিডেন্ট (পাবলিক পলিসি) সাইমন মিলনার, পরিচালক (পাবলিক পলিসি, আঞ্চলিক কার্যালয়) সারিম আজিজ এবং হেড অব হিউম্যান রাইটস পলিসি ফ্রেডেরিক রসকিকে পাঠানো হয়েছে এই চিঠি। এতে বলা হয়েছে, ফেসবুক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহিংসতা উসকে দিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বানচালের চেষ্টা চলছে।

এনসিএসএ জানিয়েছে, বাংলাদেশে মেটার কোনো স্থানীয় কার্যালয় না থাকায় জরুরি নিয়ন্ত্রক ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত যোগাযোগ সাধারণত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং এনসিএসএর মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ফেসবুকসহ অন্যান্য মেটার প্ল্যাটফর্ম সহিংসতা উসকানোর কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গণমাধ্যমে হামলার ঘটনা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু পক্ষ ফেসবুকে প্রকাশ্যে এই ঘটনার সমর্থন জানিয়ে সহিংসতা উসকিয়েছে, যার প্রভাব সরাসরি বাস্তব জীবনে দেখা গেছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা উসকানিমূলক কনটেন্ট বন্ধে একাধিক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করার অনুরোধ করলেও মেটা সময়মতো সহযোগিতা করেনি। চিঠিতে মেটাকে আহ্বান জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ-সংক্রান্ত কন্টেন্টে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড কঠোরভাবে প্রয়োগ, বাংলা ভাষায় কনটেন্ট মডারেশন ও সেন্টিমেন্ট অ্যানালাইসিস জোরদার করা এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাড়তি নজরদারি যেন বজায় রাখে।