ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে ভারত সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছিল’

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:২১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরে বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে ভারত সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন শহীদ আবরার ফাহাদের ছোট ভাই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আবরার ফাইয়াজ, ‘সত্যি বলতে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ হলে হয়তো কনক্লুশন টানা যেত যে, তাহলে ভারতের হাত আছে সেই হত্যাকাণ্ডের পিছনে। কিন্তু আমাদের প্রতিপক্ষ তো ছিলো পাকিস্তান, যারা এখনো নিজেদের দেশপ্রেমিকদের জেলে ভরে রাখে। এখনো অন্যদেশকে খুশি রাখতে নিজের মানুষ মারে।’

তিনি বলেন, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর, বাশার আল আসাদ সিরিয়া ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরে ইসরায়েল সিরিয়ায় গুপ্ত হত্যা শুরু করে। এই সময়ে যে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা করা হয়েছিলো এমন না, বরং একদম শুরুতেই হত্যা করা হয় আসাদের সময়ের সব বড় বড় সায়েন্টিস্টদের। সিরিয়ার মিলিটারি ক্যাপাবিলিটি ধ্বংস করে দেয়। বিভিন্ন রিসার্চ ফ্যাসিলিটি ধ্বংস করে দেয়। অথচ এই ইসরায়েলই কয়দিন আগে আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে ও জোলানির পক্ষে বিমান হামলা চালাতো।

তিনি আরও বলেন, আজও আমরা ১৪ই ডিসেম্বর শোকের সাথে পালন করি, কিন্তু কারোর মনে থাকেনা ৭১ পরবর্তী সময়ে ভারতীয় প্রক্সি বাহিনী আমাদের কত বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে। অবশ্য এখন তো এ দেশে বুদ্ধিজীবী হওয়ার ফার্স্ট ক্রাইটেরিয়া ইসলাম বিরোধী হওয়া, এজন্যই আবরার ফাহাদ, ওসমান হাদিরা কখনোই বুদ্ধিজীবীর স্বীকৃতি পাবে না।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

‘বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে ভারত সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছিল’

আপডেট সময় : ০১:২১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরে বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে ভারত সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন শহীদ আবরার ফাহাদের ছোট ভাই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আবরার ফাইয়াজ, ‘সত্যি বলতে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ হলে হয়তো কনক্লুশন টানা যেত যে, তাহলে ভারতের হাত আছে সেই হত্যাকাণ্ডের পিছনে। কিন্তু আমাদের প্রতিপক্ষ তো ছিলো পাকিস্তান, যারা এখনো নিজেদের দেশপ্রেমিকদের জেলে ভরে রাখে। এখনো অন্যদেশকে খুশি রাখতে নিজের মানুষ মারে।’

তিনি বলেন, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর, বাশার আল আসাদ সিরিয়া ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরে ইসরায়েল সিরিয়ায় গুপ্ত হত্যা শুরু করে। এই সময়ে যে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা করা হয়েছিলো এমন না, বরং একদম শুরুতেই হত্যা করা হয় আসাদের সময়ের সব বড় বড় সায়েন্টিস্টদের। সিরিয়ার মিলিটারি ক্যাপাবিলিটি ধ্বংস করে দেয়। বিভিন্ন রিসার্চ ফ্যাসিলিটি ধ্বংস করে দেয়। অথচ এই ইসরায়েলই কয়দিন আগে আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে ও জোলানির পক্ষে বিমান হামলা চালাতো।

তিনি আরও বলেন, আজও আমরা ১৪ই ডিসেম্বর শোকের সাথে পালন করি, কিন্তু কারোর মনে থাকেনা ৭১ পরবর্তী সময়ে ভারতীয় প্রক্সি বাহিনী আমাদের কত বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে। অবশ্য এখন তো এ দেশে বুদ্ধিজীবী হওয়ার ফার্স্ট ক্রাইটেরিয়া ইসলাম বিরোধী হওয়া, এজন্যই আবরার ফাহাদ, ওসমান হাদিরা কখনোই বুদ্ধিজীবীর স্বীকৃতি পাবে না।