সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এখনও কোনো নির্দেশনা পায়নি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তৌফিক হাসান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তৌফিক হাসান বলেন, ‘ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা এখন পর্যন্ত কোন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আসেনি।’
শেখ হাসিনা এখন কোন স্ট্যাটাসে ভারতে অবস্থান করছেন সে বিষয়েও সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই বলে জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।
জুলাই-আগস্টে গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গত ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত এ প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের কথা।
শেখ হাসিনা ছাড়াও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ আরও ৪৫ জনের বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
ট্রাইব্যুনালের আদেশের দিন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকেদর জানিয়েছিলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লি থেকে ফেরাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘শেখ হাসিনা দিল্লিতেই আছেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তবে কী প্রক্রিয়ায় তাকে ফেরত আনা হবে তা খোলাসা করেননি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘একমাস সময় দিয়েছে আদালত। এই সময়ের মধ্যে ফেরত আনতে যা যা করা প্রয়োজন চেষ্টা করব আমরা।’
ওইদিনই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধির জয়সওয়াল এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপাতত দিল্লিতেই থাকবেন।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার তীব্র গণ আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত ৬০টির বেশি হত্যা ও গুমের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ৫৪টিতেই মূল আসামি শেখ হাসিনা।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 


































